বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাম্প্রতিক নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে এটিকে ভোটারবিহীন, অবৈধ ও অসাংবিধানিক নির্বাচন বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি এই নির্বাচনের সম্পূর্ণ বাতিল দাবি করেছেন এবং বলেছেন, জনগণের প্রকৃত মতামত প্রতিফলিত হয়নি।
তিনি বর্তমান প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনুস এর পদত্যাগও দাবি করেছেন। তার অভিযোগ, বিরোধী রাজনৈতিক শক্তির ওপর দমন-পীড়ন চালানো হয়েছে এবং অসংখ্য নেতা-কর্মী, শিক্ষক, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। এসব মামলা প্রত্যাহার এবং সকল রাজনৈতিক বন্দির মুক্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।
শেখ হাসিনা আরও বলেছেন, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর আরোপিত সব ধরনের বিধিনিষেধ তুলে নিতে হবে। তার মতে, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে এবং একটি নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে।
তার এই বিবৃতি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে নতুন করে উত্তপ্ত করে তুলেছে। এখন দেখার বিষয়, সরকার ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো এ বিষয়ে কী প্রতিক্রিয়া জানায় এবং সামনে রাজনৈতিক সমাধানের কোনো পথ তৈরি হয় কি না।
