‘আমেরিকার নাগরিকত্ব নিয়ে মোহাম্মদ আলী আরাফাত সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রী হয়েছেন’- দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা প্রোপাগান্ডা বলে উল্লেখ করেছেন আওয়ামী লীগ সরকারের তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী আরাফাত।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, আমেরিকায় আমার কোনো নাগরিকত্ব বা গ্রিন কার্ড নেই। এই সংবাদটি সম্পূর্ণভাবে মিথ্যা, বানোয়াট এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
একইসাথে তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেছেন, কেউ যদি এটা (মার্কিন নাগরিকত্ব) প্রমাণ করতে পারে তাহলে আমি রাজনীতিই ছেড়ে দেবো। সুতরাং আমি বলবো- কারো নামে যেকোনো ধরনের সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে যাচাই-বাছাই করে পরিবেশন করা উচিত।
‘প্রথম আলো’ ইউনূস সরকারের ভয়ে প্রতিবেদন নিয়ে প্রতিবাদলিপি ছাপাতে ভয় পেয়েছেও বলে উল্লেখ করেন আওয়ামী লীগের এই নেতা।
মোহাম্মদ এ. আরাফাত বলেন, গত ৫ই নভেম্বর ২০২৪, মঙ্গলবার, দেশের প্রথম সারির দৈনিক পত্রিকা প্রথম আলো “বিদেশি নাগরিকত্ব নিয়ে এমপি-মন্ত্রী হয়েছেন যারা” শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। আমি নাকি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছি এবং সেই নাগরিকত্ব নিয়ে আইন বহির্ভূতভাবে বাংলাদেশে এমপি এবং মন্ত্রী হয়েছি, বলেছে পত্রিকাটি।
তিনি বলেন, আমি বাংলাদেশের পাসপোর্টধারী নাগরিক হিসেবে সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী পদে দায়িত্ব পালন করেছি। আমার কখনোই যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্ট বা নাগরিকত্ব ছিল না, এখনও নেই। যারা এই ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ উত্থাপন করেছেন, তাদের কাছে অনুরোধ, এর স্বপক্ষে যদি কোনো যৌক্তিক প্রমাণ থাকে তবে তা প্রকাশ করুন। অন্যথায়, জাতির কাছে বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে আমার সম্মানহানির জন্য তারা যেন ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের অধিকারকে সম্মান জানান উল্লেখ করে তিনি বলেন, “প্রমাণ ছাড়া কোনো গণমাধ্যম যদি এমন মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করে, তা মতপ্রকাশের স্বাধীনতার চর্চা নয়, বরং বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী এটি অপরাধের শামিল।”