চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক ঘটনাকে ঘিরে একদল মহল নতুন করে অপপ্রচার চালানোর চেষ্টা করছে। উপউপাচার্যের নামে ভুয়া বক্তব্য প্রচার করে বলা হচ্ছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ স্থানীয়দের ভেতরে ঢুকে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। অথচ বাস্তবতা ভিন্ন। দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় ডুয়েট, বুয়েট কিংবা রুয়েটে ছাত্রদল বারবার সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রেও মূলত জামায়াত-শিবিরের উসকানিতে স্থানীয়দের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
এই অপপ্রচারের উদ্দেশ্য একটাই ছাত্রলীগকে বিতর্কিত করা, শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে দুর্বল করা। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও অরাজকতার জন্মদাতা সবসময় জামায়াত-শিবির ও তাদের মদদপুষ্ট গোষ্ঠী। আজ তারা আবারও শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার চক্রান্তে লিপ্ত।
কিন্তু কেবল শিক্ষাঙ্গন নয়, গোটা দেশ আজ ভয়াবহ বাস্তবতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। অবৈধ ও অযোগ্য ইউনুস সরকার রাষ্ট্র পরিচালনায় সম্পূর্ণ ব্যর্থ। দশ মাসে বাংলাদেশকে পাকিস্তানের মতো ভিক্ষাবৃত্তির দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।
এক কোটি মানুষ চাকরি হারিয়েছে বেসরকারি সেক্টরে।
৩০ ভাগ মানুষ দারিদ্র্যের খাতায় নাম লিখিয়েছে।
হতদরিদ্র মানুষ দিনে একবেলা না খেয়ে দিন পার করছে।
এ দেশের মানুষ আজ মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। বাকস্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। অথচ ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে কোনো সরকার জনগণকে মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করে টিকে থাকতে পারেনি।
আজ স্পষ্ট ইউনুস গং ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য আখেরি লুটপাটে ব্যস্ত। দেশের অর্থনীতি, শিক্ষাঙ্গন, সামাজিক স্থিতিশীলতা সবকিছু ধ্বংসের পথে ঠেলে দিচ্ছে এই অবৈধ সরকার। কিন্তু তাদের পতন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাস্তায় নামতে হবে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃপ্ত কণ্ঠে দাঁড়াতে হবে। কারণ বাংলাদেশের মানুষ জানে ইউনুস সরকারের বিদায় অনিবার্য।