সমগ্র দেশবাসী প্রত্যক্ষ করছে যে, অবৈধ দখলদার খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূস গং রাষ্ট্রক্ষমতা কুক্ষিগত করে সীমাহীন নৈরাজ্য কায়েম করেছে। বাংলাদেশে আইনের শাসন নেই। আদালতে ন্যায় বিচার নেই। আদালত অবৈধ দখলদার বাহিনীর স্বার্থ রক্ষা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ পূরণের হাতিয়ার। আজকের আদালত শুধু আজ্ঞাবহই নয়, অনুগত দাসদের দ্বারা পরিচালিত। যারা তাদের বিবেক বন্ধক দিয়ে রেখেছে। ফলে আদালতে ৬৬৬ কোটি টাকা কর ফাঁকি দেওয়া দুর্নীতির মামলা থেকে দখলদার ইউনূসকে কলমের খোচায় অব্যাহতি দেওয়া হয়। আবার আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে কেনা প্লট নিয়ে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মামলা সাজিয়ে বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যদের সম্মানহানির অপচেষ্টা করা হয়। এ যেনো হীরক রাজার দেশ।
আইনে আছে যাদের নিজেদের নামে জমি নেই তারা নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্লট কিনতে পারে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবিসংবাদিত নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের দেশের প্রতি সীমাহীন ত্যাগ ও অপরিসীম অবদান রয়েছে। এই পরিবারের সদস্য যাদের নামে ঢাকা শহরে জমি নেই তারা রাউজকের প্লট কিনতেই পারে। এখানে দুর্নীতির কী আছে? ইতিমধ্যে সজীব ওয়াজেদ জয় পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন। তাদের পরিবারের সদস্য যাদের নামে প্লট বরাদ্দ হয়েছিল তাদের নামে কোনো জায়গা নেই। পারলে বর্তমান অবৈধ দখলদার ইউনূস গং সেটা প্রমাণ করুক।
এ ধরনের প্রমাণ ব্যতীত আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে শুধু রাজনৈতিক উদ্দেশপ্রণোদিত হয়ে বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যদের সম্মানহানি করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। তাদেরকে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে রাখার দুরভিসন্ধিও বটে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক জনগণের রাজনৈতিক ভরকেন্দ্র। অবৈধ দখলদার বাহিনী এই শক্তিকে ভয় পায়। কেননা তারা সংবিধান লঙ্ঘন করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেছে এবং তা মৃত্যুদণ্ড যোগ্য অপরাধ। এজন্য নিজেরা বাঁচতে সর্বপ্রকারে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের ধারক-বাহকদের রাজনীতিতে নিশ্চিহ্ন কারার অপচেষ্টা করছে। আদর্শভিত্তিক রাজনীতির বিশাল এই জনগোষ্ঠীর আবেগের কেন্দ্রবিন্দু বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন এবং তাদেরকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখার পাঁয়তারা করা হচ্ছে। আমরা অবৈধ দখলদার খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূস গংয়ের দুরভিসন্ধিমূলক সকল অপকৌশলের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আমরা বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের জনগণ এই রায় মেনে নেবে না। অধিকারহারা বঞ্চিত জনগণ তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সোচ্চার আছে। তাদের বঞ্চিত হওয়ার সঞ্চিত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশে যে দাবানলের সৃষ্টি হবে তাতে পুড়ে ছাড়খাড় হয়ে যাবে সংবিধান লঙ্ঘন করে ক্ষমতা দখলকারী খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূস গংদের মসনদ। অতীতেও বঙ্গবন্ধু পরিবারের সম্মানহানির জন্য বিভিন্ন কুৎসা, মিথ্যা ও ভিত্তিহীন গুজব, অপপ্রচার ছড়ানো হয়েছিল। সময়ের পরিক্রমায় সেগুলো মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশে আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হলে এসব মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ হাওয়ায় মিলিয়ে যাবে। মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগের ভিত্তিতে দাস মনোবৃত্তি নিয়ে পরিচালিত আদালতের রায় বাংলাদেশের জনগণ মানে না,মানবে না।
রায়ের প্রতিবাদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কর্মসূচি:
মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দুর্নীতির মামলায় প্রদানকৃত রায়ের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আগামীকাল সারা দেশে বিক্ষোভ, প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। একইসাথে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী দেশপ্রেমিক জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে উক্ত কর্মসূচি সফল করার অনুরোধ জানাচ্ছি।
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
