মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-এর মধ্যে। ইরান দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র একদিকে আলোচনার বার্তা দিলেও অন্যদিকে গোপনে স্থল হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ-বাঘের গালিবাফ এক বিবৃতিতে বলেন, “শত্রুপক্ষ প্রকাশ্যে আলোচনার কথা বলছে, কিন্তু গোপনে স্থল আক্রমণের পরিকল্পনা করছে।” তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরানি বাহিনী মার্কিন সেনাদের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
⚔️ ৩,৫০০ মার্কিন সেনা মধ্যপ্রাচ্যে
এদিকে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) জানিয়েছে, প্রায় ৩,৫০০ মার্কিন সেনা নিয়ে USS Tripoli মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছে। এই বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধবিমান, পরিবহন বিমান এবং অ্যাম্ফিবিয়াস আক্রমণ সক্ষমতাও যুক্ত রয়েছে।
🕊️ আলোচনার চেষ্টা ও দ্বিমুখী অবস্থান
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, যুদ্ধ বন্ধে ১৫ দফা প্রস্তাব ইরানের কাছে পাঠানো হয়েছে। তবে ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনায় বসার বিষয়টি অস্বীকার করছে।
অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি এখনো ইরানে স্থল সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেননি। হোয়াইট হাউসও জানিয়েছে, সম্ভাব্য সব পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, তবে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
⚠️ সংঘাতের বাস্তবতা
বর্তমান সংঘাতে ইতোমধ্যে ১৩ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে এবং যুদ্ধ আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।
🔍 অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ
বিশ্লেষকদের মতে, একদিকে সামরিক প্রস্তুতি এবং অন্যদিকে কূটনৈতিক তৎপরতা—এই দ্বৈত অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলছে। যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা সফল হবে, নাকি সংঘাত আরও তীব্র হবে—তা এখনো স্পষ্ট নয়।
