অসুস্থ শরীরে হাসপাতালের ঠান্ডা মেঝেতে হাত-পা শিকলে বেঁধে ফেলে রাখা এই মানুষটি কোনো দাগী অপরাধী, কুখ্যাত খুনি বা জঙ্গি নয়! সে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন কর্মী—ফোরকান। একজন সাধারণ নাগরিক এবং তার বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান।
উচ্চ আদালতের স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে যে কোনো অসুস্থ আসামি বা চিকিৎসাধীন ব্যক্তির গায়ে এভাবে ডান্ডাবেড়ি বা শিকল চড়ানো অবৈধ ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন।
পাসপোর্ট কিংবা কোনো গণতান্ত্রিক অধিকার তো দূরের কথা, বিএনপি সরকারের অধীনে আজ ন্যূনতম মানবিক মর্যাদা ও মৌলিক অধিকার সম্পূর্ণ ধূলিসাৎ! কারাগারে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার পর চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আনা হলেও অমানুষের মতো তাকে শিকলবন্দী করে রাখা হয়েছে। রাজনৈতিক আক্রোশ ও দেউলিয়াত্ব কতখানি হিংস্র হলে একজন চিকিৎসাধীন তরুণের ওপর এমন মধ্যযুগীয় বর্বরতা চালানো যায়?
গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের ঢোল পেটানো বিএনপি সরকারের আসল চেহারা আজ ফোরকানের শিকলবন্দী হাত-পায়ের ছবিতেই স্পষ্ট। হাসপাতালকেও আজ বন্দিশালা ও নির্যাতনের কেন্দ্রে পরিণত করা হয়েছে!
