৪৫ হাজার ১৮৬ জনের জায়গায় এখন বন্দি ১ লাখ ৬ হাজার। প্রতি ১০০ জনের জায়গায় ২২৬ জন। ধারণক্ষমতার তুলনায় বন্দিতে দক্ষিণ এশিয়ায় এক নম্বর হয়ে গেল বাংলাদেশ, আর এই রেকর্ড গড়ল বিএনপির এই অবৈধ দখলদার তথাকথিত সরকার।
২০০১ থেকে ০৬ সালের অপশাসনের স্মৃতি যাঁদের মনে আছে, তাঁদের কাছে এটা নতুন কিছু না। সেই পুরোনো খেলাই ফিরে এসেছে ২০২৬ সালে। ধরো, ঢোকাও, জামিনের নাম মুখেও এনো না। কারা মহাপরিদর্শক নিজেই বলছেন, অভিযানে গ্রেপ্তার বাড়ছে বলেই কারাগারে চাপ। আর বন্দিদের প্রায় ৬৭ শতাংশের সাজাই হয়নি। মানে জেলে থাকা প্রতি তিনজনের দুজন এখনো দোষী প্রমাণিতই নন! ভাবা যায়? এটা যদি মানবাধিকার লঙ্ঘন না হয় তো, মানবাধিকারের সংজ্ঞা আশু নতুন করে লেখা অতি জরুরী!
এই বন্দিদের একটা বড় অংশই আওয়ামী লীগের নির্দোষ নেতা-কর্মী, যাঁদের মিথ্যা রাজনৈতিক মামলায় ফাঁসিয়ে ভেতরে ঢোকানো হয়েছে। ভেতরে চিকিৎসা অপ্রতুল, খাবারের মান নিয়ে প্রশ্ন, জামিনের দেখা নেই। সাবেক বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী বলছেন, বন্দিরা মানবেতর পরিবেশে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত করেছেন, বিএনপির এই অপশাসনে কারাগারকে বানানো হয়েছে আওয়ামী লীগ নির্মূল কেন্দ্র।
