আমাদের পরম স্নেহময় শিশু রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে “শেখ রাসেল দিবসে” দেশবাসী ও বিশ্বের সকল শিশুকে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।
১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টের কালরাতে ঘাতকেরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা বেগম শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব সহ পরিবারের সকল সদস্যদের সঙ্গে ১০ বছরের নিষ্পাপ রাসেলকেও নির্মমভাবে হত্যা করে। সেই নির্মম হত্যাকাণ্ড আমার হৃদয়ের এক চির রক্তক্ষরণের উৎস। রাসেল যদি বেঁচে থাকতো, তাহলে হয়তো একজন মহানুভব, দূরদর্শী ও আদর্শ নেতা আজ আমরা পেতাম, যাঁকে নিয়ে দেশ ও জাতি গর্ব করতে পারতো। আমি বিশ্বাস করি, আজও দেশের আনাচে-কানাচে রাসেলের সার্বজনীন সত্ত্বা বেঁচে আছে, আশা যেমন বাঁচে, যেমন বাঁচে ভালোবাসা। শিশু রাসেল জগতের সকল শিশুর মতো আশা-ভালোবাসার প্রতীক হয়ে বেঁচে আছে. থাকবে। রাসেলের জন্য অনেক আদর, দোয়া ও ভালোবাসার সাথে তাঁর স্বল্পকালীন স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।
রাসেলের স্মৃতির সাথে বিশ্বজুড়ে ঝরে যাওয়া অজস্র শিশুর শোক আমার হৃদয়কে ভারাক্রান্ত করে। আমাকে ও আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করতে পরিচালিত তথাকথিত “জুলাই আন্দোলন”-এর সহিংসতায় যেসব নিষ্পাপ শিশু প্রাণ হারিয়েছে, আমি তাদের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করছি। অসাংবিধানিকভাবে ক্ষমতা দখলকারী নাৎসি ইউনূস সরকার এবং বিএনপি-জামাতের সমঝোতায় পাতানো নির্বাচনে ক্ষমতাসীন বর্তমান সরকার শিশুদেরকে ভ্যাক্সিন না দেয়ার ফলে হাম মহামারিতে প্রায় ১২০০ শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটেছে। তাদের অকাল গণপ্রয়াণ আমাকে গভীরভাবে বেদনাহত করে। গাজা গণহত্যায় নিহত হাজার হাজার নিষ্পাপ শিশু আমার বিবেককে নাড়া দেয়।
শেখ রাসেলের জন্মদিনে আমার একমাত্র আকাঙ্ক্ষা হলো বাংলাদেশসহ সমগ্র পৃথিবী শিশুদের জন্য নিরাপদ, শান্তিময় ও বাসযোগ্য হয়ে উঠুক।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
আঁধার কেটে ভোর হোক
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
www.albd.org
তারিখঃ ১৮ অক্টোবর, ২০২৬
