Close Menu

    সাবস্ক্রাইব

    সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।

    জনপ্রিয় সংবাদ

    লন্ডনে রোবটে খাবার ডেলিভারি শুরু: কাজ হারানোর শঙ্কায় প্রবাসী বাংলা রাইডাররা

    October 13, 2026

    জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে ঘিরে প্রবাসীদের প্রতিবাদ, দুয়োধ্বনি এবং প্রশ্নবাণ

    October 13, 2026

    ইউনূসের প্রতিষ্ঠানের কর ফাঁকির ‘ধ্রুপদী নজির’: হাইকোর্টের রায় পর্যবেক্ষণ

    October 13, 2026
    Facebook Instagram WhatsApp TikTok
    Facebook Instagram YouTube TikTok
    JoyBangla – Your Gateway to Bangladesh
    Subscribe
    • হোম পেইজ
    • বিষয়
      • দেশ (Bangladesh)
      • আন্তজাতিক (International)
      • জাতীয় (National)
      • রাজনীতি (Politics)
      • অথনীতি (Economy)
      • খেলা (Sports)
      • বিনোদন (Entertainment)
      • লাইফ স্টাইল (Lifestyle)
      • শিক্ষাঙ্গন (Education)
      • টেক (Technology)
      • ধম (Religion)
      • পরবাস (Diaspora)
      • সাক্ষাৎকার (Interview)
      • শিল্প- সাহিত্য (Art & Culture)
      • সম্পাদকীয় (Editorial)
    • আমাদের সম্পর্কে
    • যোগাযোগ করুন
    JoyBangla – Your Gateway to Bangladesh
    Home » একমাত্র বিদেশি ‘বীর প্রতীক’ ঔডারল্যান্ড, যাঁর জন্য মুক্তিযুদ্ধের অংশ হলো বাটা
    Bangladesh

    একমাত্র বিদেশি ‘বীর প্রতীক’ ঔডারল্যান্ড, যাঁর জন্য মুক্তিযুদ্ধের অংশ হলো বাটা

    JoyBangla EditorBy JoyBangla EditorApril 9, 2025Updated:April 9, 2025No Comments6 Mins Read
    Facebook WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook WhatsApp Copy Link

    ।। হুসাইন আহমদ।।

    বহুজাতিক জুতা প্রস্তুতকারক কোম্পানি বাটা এখন বাংলাদেশের অন্যতম আলোচিত বিষয়। গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যা বন্ধের দাবিতে ৭ এপ্রিল ছিল বিশ্বজুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি। সেদিন বাংলাদেশে বিক্ষোভের সময় বিভিন্ন অঞ্চলে একাধিক বিদেশি কোম্পানির আউটলেটে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। সেদিন সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে বাটা। চট্টগ্রাম, সিলেট ও খুলনার একাধিক স্থানে বাটার শোরুমে হামলা চালিয়ে জুতাসহ জিনিসপত্র লুটপাট করে একদল উচ্ছৃঙ্খল মানুষ। এর জন্য সমালোচনার মুখে অন্তর্বর্তী সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এই ঘটনায় বাংলাদেশের জন্মের ইতিহাসের সঙ্গে যে বাটা জড়িয়ে আছে, সেই বিষয়টি আবার সামনে এসেছে। বিষয়টি জানেন না অনেকে, বিশেষ করে বাংলাদেশের নতুন প্রজন্ম। মুক্তিযুদ্ধে ‘বীর প্রতীক’ খেতাব পাওয়া একমাত্র বিদেশি ব্যক্তিটি ছিলেন বাটার তখনকার বাংলাদেশ প্রধান।

    জেনারেল ওসমানীর সাথে উইলিয়াম আব্রাহাম সাইমন ঔডারল্যান্ড

    তাঁর নাম উইলিয়াম আব্রাহাম সাইমন ঔডারল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়ার ওলন্দাজ নাগরিক ঔডারল্যান্ড একমাত্র বিদেশি, যিনি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অংশগ্রহণ এবং অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৭৮ সালে ‘বীর প্রতীক’ খেতাবে ভূষিত হন। স্বাধীনতাযুদ্ধে ২ নম্বর সেক্টরের যোদ্ধাদের তালিকায় বীর প্রতীক পুরস্কারপ্রাপ্ত হিসেবে ৩১৭ নম্বরে আছে তাঁর নাম।

    ১৯৯৮ সালের ৭ মার্চ খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে ঔডারল্যান্ডকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। কিন্তু অসুস্থ থাকায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারেননি তিনি। বীর প্রতীক পদকের সম্মানীর টাকা তিনি দান করে গেছেন মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টে। তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধার নিদর্শনস্বরূপ গুলশানের একটি রাস্তার নামকরণ করা হয়েছে। ২০০১ সালের ১৮ মে অস্ট্রেলিয়ার পার্থে ৮৪ বছর বয়সে ঔডারল্যান্ড মৃত্যুবরণ করেন।

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সৈনিক থেকে মুক্তিযোদ্ধা ঔডারল্যান্ড

    নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামে জন্ম নেওয়া ঔডারল্যান্ড ১৭ বছর বয়সে ১৯৩৪ সালে বাটা শু কোম্পানিতে শু শাইনার বা জুতা পলিশের কাজ নেন। দুই বছর পর চাকরি ছেড়ে তিনি সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। ১৯৪৪ সাল পর্যন্ত রয়্যাল সিগন্যাল কোরে সার্জেন্ট পদে কর্মরত ছিলেন। ১৯৪০ সালে তিনি সেনাবাহিনীর চাকরি ছেড়ে ওলন্দাজ বাহিনীর গেরিলা কমান্ডো হিসেবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে (১৯৩৯-১৯৪৫) অংশ নেন।

    ১৯৭০ সালের শেষের দিকে বাটা শু কোম্পানির প্রোডাকশন ম্যানেজার হিসেবে প্রথম ঢাকায় আসেন ঔডারল্যান্ড। কয়েক মাসের মধেই তিনি কোম্পানি ম্যানেজার পদে পদোন্নতি লাভ করেন। কিছুদিনের মধ্যেই আরেক যুদ্ধের মধ্যে নিজেকে আবিষ্কার করেন বিশ্বযুদ্ধের সৈনিক ঔডারল্যান্ড।

    ১৯৭১ সালের ৫ মার্চ পাকিস্তানি বর্বরতার বিরুদ্ধে টঙ্গীর মেঘনা টেক্সটাইল মিলের সামনে শুরু হয় শ্রমিক-জনতার মিছিল। সেই মিছিলে প্রশাসনের নির্দেশে গুলি চালায় ইপিআর বাহিনী। ঘটনাস্থলে ৪ জন নিহত ও ২৫ জন আহত হন। এর প্রভাব পড়ে টঙ্গীর বাটা কোম্পানির কারখানাতেও। স্বচক্ষে এ হত্যাকাণ্ড ও তাণ্ডব দেখে নিজেকে আর স্থির রাখতে পারেননি ঔডারল্যান্ড।

    যুদ্ধের দুই দশক পর বন্ধু আনোয়ার ফারিদিকে লেখা এক চিঠিতে ঔডারল্যান্ড বলেন, ‘তাই ১৯৭১ সালের মার্চে যখন ট্যাংক ও পাকিস্তানি বাহিনী ঢাকায় ঢুকে পড়ে, আমি যেন আবার ফিরে গিয়েছিলাম আমার যৌবনের ইউরোপীয় অভিজ্ঞতায়।’

    ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি বাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’ চালু করলে ঔডারল্যান্ড প্রথম সুযোগেই শহরের বিভিন্ন অংশের ছবি তোলেন, যার মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ও ছিল। এসব ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে পাঠান। বাঙালিদের ওপর ইতিহাসের অন্যতম জঘন্য গণহত্যা চালায় পাকিস্তানি বাহিনী। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়েও এমন একটি গণহত্যা; নাৎসি বাহিনীর বর্বরতা ও নৃশংসতা দেখেছিলেন তিনি। সেই বর্বরতার বিরুদ্ধে মিত্রবাহিনীর গেরিলা সৈনিক হিসেবে লড়েছিলেন তিনি। ঠিক ২৯ বছর পর বাংলাদেশের মাটিতে পাকিস্তানি সেনাদের বর্বরতা ও নির্মমতা তাঁর সৈনিক জীবনের স্মৃতিকেই মনে করিয়ে দেয়।

    বাটা কোম্পানির মতো বহুজাতিক কোম্পানির প্রধান নির্বাহী হিসেবে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়মিত যাতায়াত ছিল ঔডারল্যান্ডের। এই সুবিধা ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর নীতিনির্ধারণী মহলের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন তিনি। সামরিক বাহিনীর কাছ থেকে ‘কারফিউ পাস’ পেয়েছিলেন ঔডারল্যান্ড। নিষিদ্ধ সময়েও শহরে চলাচল করতে পারতেন তিনি। নিজের ফোর্ড ফেয়ারলেন গাড়িতে অস্ট্রেলিয়ার পতাকা ওড়াতেন বলে বাড়তি নিরাপত্তা পেতেন।

    প্রথমে ঢাকা সেনানিবাসের ২২ বেলুচ রেজিমেন্টের অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্নেল সুলতান নেওয়াজের সঙ্গে গড়ে তোলেন ঘনিষ্ঠতা। সেনানিবাসে নিয়মিত যাতায়াত শুরু হয় তাঁর। একপর্যায়ে লেফটেন্যান্ট জেনারেল টিক্কা খান, লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমির আবদুল্লা খান নিয়াজি, মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলিসহ আরও অনেক সামরিক অফিসারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে। কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা এমন পর্যায়ে পৌঁছে যায়, সামরিক অফিসারদের সভায় অংশগ্রহণের সুযোগও পেয়ে যান তিনি।

    সামরিক পোশাকে উইলিয়াম ঔডারল্যান্ড।

    ফলে, পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর গোপন সংবাদ সংগ্রহ করার সুযোগ পান ঔডারল্যান্ড। সংগৃহীত সব তথ্য তিনি গোপনে পাঠিয়ে দিতেন ২ নম্বর সেক্টরের ক্যাপ্টেন এ টি এম হায়দার ও জেড ফোর্সের কমান্ডার মেজর জিয়াউর রহমানের কাছে। পাকিস্তানিদের তাণ্ডবলীলা যখন ভয়ংকর হয়ে ওঠে, তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অভিজ্ঞতার আলোকে শুরু করেন গেরিলা প্রশিক্ষণের কাজ।

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কমান্ডো হিসেবে তিনি ছিলেন অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ২ নম্বর সেক্টরের মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করেন। তাঁর পরিকল্পনায় ও পরিচালনায় ঢাকা ও ঢাকার পার্শ্ববর্তী এলাকায় বহু অপারেশন সংঘটিত হতে থাকে। মেজর হায়দারের দেওয়া এক সনদে পাওয়া যায়, ঔডারল্যান্ড মুক্তিযুদ্ধে যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ, পরামর্শ, নগদ অর্থ, চিকিৎসাসামগ্রী, গরম কাপড় ও অস্ত্র দিয়ে সাহায্য করেছেন।

    বাটার কিছু কর্মীকে নিয়ে গোপন দল গঠন করেন ঔডারল্যান্ড। তাঁরা মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করতেন। তাঁর সঙ্গীদের মধ্যে ছিলেন বাটার পার্সোনেল ম্যানেজার এ কে এম আবদুল হাই, চিকিৎসক হাফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া এবং কর্মকর্তা আবদুল মালেক ও হুমায়ুন কবির খান।

    ঔডারল্যান্ডের ঘনিষ্ঠ আবদুল হাই দ্য ডেইলি স্টারকে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘ঔডারল্যান্ড বাঙালি ছিলেন না, কিন্তু একজন মুক্তিযোদ্ধার মতোই তিনি এ দেশকে ভালোবেসেছিলেন।’

    তিনি আরও জানান, যুদ্ধের শুরুর দিকে ঔডারল্যান্ডের পরামর্শে তিনি সপরিবার টঙ্গীর বাটা কারখানা এলাকায় চলে যান। পরে পাকিস্তানি বাহিনী পাশের টেলিফোন ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (টিআইসি) দখল করে নিলে ঝুঁকি দেখে কারখানার মাঠে দুটো বাংকার তৈরি করেন ঔডারল্যান্ড। বাংকারগুলো পরে ডিসেম্বর মাসে পাকিস্তানি ঘাঁটির ওপর ভারতীয় বিমানবাহিনীর হামলার সময় ৫০ জনের বেশি মানুষের প্রাণ বাঁচায়।

    ঔডারল্যান্ডের নামে গুলশানে সড়ক।

    ঔডারল্যান্ডের গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের কৌশল তুলে ধরে হাই বলেন, ‘আস্থা অর্জনের জন্য ঔডারল্যান্ড পাকিস্তানিদের প্রশংসা করতেন, আর বাঙালিদের সমালোচনা করতেন। তখন তাঁরা নির্দ্বিধায় নিজেদের পরিকল্পনা তাঁর সঙ্গে শেয়ার করত। এই সব তথ্য আমরা ঢাকার জিঞ্জিরায় একটি গোপন আস্তানায় পাঠাতাম, যেখান থেকে তা ওসমানীর কাছে পৌঁছে যেত।’

    স্ত্রী ও কন্যাকে অস্ট্রেলিয়ায় পাঠিয়ে দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নিজের বাসার দরজা খুলে দিয়েছিলেন ঔডারল্যান্ড। বাড়ির ছাদে পানির ট্যাংকে অস্ত্র লুকিয়ে রাখতেন তিনি; নিয়মিত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য জুতা, কম্বল এবং ওষুধ পাঠাতেন। নিজের একটি পিস্তল তিনি সেক্টর ২-এর মুক্তিযোদ্ধা জয়নুলকে দেন। ডা. হাফিজুল ইসলামকে মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসায় নিয়োজিত করেছিলেন ঔডারল্যান্ড।

    যুদ্ধ চলাকালে তিনি মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানীর সঙ্গে সব সময় যোগাযোগ রাখতেন তিনি। ঢাকায় অবস্থিত অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনের গোপন সহযোগিতাও পেতেন তিনি। ১৬ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর ঢাকায় ফিরে তিনি আবার পুরোনো কর্মস্থল বাটায় যোগ দেন। ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত এ দেশেই ছিলেন ঔডারল্যান্ড। পরে বাটার পক্ষ থেকে তাঁকে বদলি করা হয় অস্ট্রেলিয়ায়।

    জীবনের শেষ দিনগুলোতে প্রায়ই তিনি তাঁর স্ত্রী ও কন্যাকে বলতেন: ‘বাংলাদেশ আমাদের ভালোবাসা; পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যেও আবেগের এ ধারা অব্যাহত রেখো।’ ঔডারল্যান্ড নিজেই লিখেছেন, ‘ইউরোপের যৌবনের অভিজ্ঞতাগুলো যেন আমি নিজের মধ্যে ফিরে পেয়েছিলাম। মনে হচ্ছিল, বাংলাদেশে যা কিছু ঘটছে, বিশ্ববাসীকে সেসব জানানো উচিত।’

    কেবল চাকরির সূত্রে এসে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য ঔডারল্যান্ডের ত্যাগ অবর্ণনীয়। এই দেশ তাঁর জন্মভূমি নয়, তবু ভালোবেসে ফেলেছিলেন এ দেশের মাটি ও মানুষকে। সেই ভালোবাসা এত তীব্র ছিল যে জীবন বাজি রেখে লড়াই করেছেন। যদি ধরা পড়তেন, নেমে আসত অত্যাচারের নির্মম খড়গ, গুপ্তচরবৃত্তির অপরাধে তাঁকে হত্যা করতেও দ্বিধা করত না হানাদারেরা। তবু নিজের আদর্শ, মানুষের প্রতি ভালোবাসা, স্বাধীনতা ও মুক্তির প্রতি তীব্র আবেগ ঔডারল্যান্ডকে উদ্বেলিত করেছিল। তাই তো এ দেশের মানুষের মুক্তির জন্য, স্বাধীনতার জন্য তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দাঁড়িয়েছেন।

    তাই উইলিয়াম আব্রাহাম সাইমন ঔডারল্যান্ড থাকবেন প্রত্যেক মুক্তিপ্রাণ বাঙালির প্রাণে। ঔডারল্যান্ড থাকবেন এ দেশের মানুষের ভালোবাসায়। এ দেশের মানুষ চিরশ্রদ্ধায় স্মরণ করবে তাঁকে। আর তাঁর সঙ্গে বাংলাদেশের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকবে বাটা। বিনম্র শ্রদ্ধা এই কিংবদন্তি মুক্তিযোদ্ধার প্রতি।

    লেখক: সহকারী বার্তা সম্পাদক, আজকের পত্রিকা

    Share. Facebook WhatsApp Copy Link
    Previous Articleতৌহিদি জনতা কারা, তাদের উদ্দেশ্য কী
    Next Article ভারতের তৈরি পোশাক খাতের চাপে বাতিল বাংলাদেশের ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা
    JoyBangla Editor

    Related Posts

    ইউনূসের প্রতিষ্ঠানের কর ফাঁকির ‘ধ্রুপদী নজির’: হাইকোর্টের রায় পর্যবেক্ষণ

    October 13, 2026

    জার্মান পর্যটকের চুরি হওয়া ল্যাপটপ উদ্ধার, আটক ১

    October 12, 2026

    বিএনপি ক্ষমতায় এলেই দেশ থেকে বিদ্যুৎ হাওয়া হয়ে যায় কেনো?

    October 12, 2026

    ইউপি নির্বাচন শুরু ২১ জানুয়ারি, পাঁচ ধাপে শেষ

    October 12, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    সম্পাদকের পছন্দ

    রোটনের জানাজার নামাজে বাধা দেয়ায় আওয়ামী লীগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

    October 12, 2026

    রোটনের জানাজায় বিএনপির মব হামলায় রক্তাক্ত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা

    October 12, 2026

    এআইয়ের যুগে টিকে থাকবে মানুষের ৩ ধরনের কাজ

    October 12, 2026

    নভেম্বরে রূপপুরের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু

    October 11, 2026
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • TikTok
    মিস করবেন না
    Technology

    লন্ডনে রোবটে খাবার ডেলিভারি শুরু: কাজ হারানোর শঙ্কায় প্রবাসী বাংলা রাইডাররা

    By JoyBangla EditorOctober 13, 20260

    যুক্তরাজ্যের খাদ্য সরবরাহ (ফুড ডেলিভারি) খাতে এক নতুন প্রযুক্তিগত অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে। এখন থেকে…

    জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে ঘিরে প্রবাসীদের প্রতিবাদ, দুয়োধ্বনি এবং প্রশ্নবাণ

    October 13, 2026

    ইউনূসের প্রতিষ্ঠানের কর ফাঁকির ‘ধ্রুপদী নজির’: হাইকোর্টের রায় পর্যবেক্ষণ

    October 13, 2026

    জুন শেষে বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক ঋণ ১১ হাজার ৪৯৮ কোটি ডলার, ৩ মাসেই বেড়েছে ৪১৯ কোটি ডলার

    October 13, 2026

    সাবস্ক্রাইব

    সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।

    About Us
    About Us

    মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ ও লালন করে দেশ ও বিদেশের খবর পাঠকের কাছে দুত পৌছে দিতে জয় বাংলা অঙ্গিকার বদ্ধ। তাৎক্ষণিক সংবাদ শিরোনাম ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পেতে জয় বাংলা অনলাইন এর সঙ্গে থাকুন পতিদিন।

    Email Us: info@joybangla.co.uk

    Our Picks

    রোটনের জানাজার নামাজে বাধা দেয়ায় আওয়ামী লীগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

    October 12, 2026

    রোটনের জানাজায় বিএনপির মব হামলায় রক্তাক্ত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা

    October 12, 2026

    এআইয়ের যুগে টিকে থাকবে মানুষের ৩ ধরনের কাজ

    October 12, 2026

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.