বাংলাদেশ এখন আর রাষ্ট্র নয়, এটা যেন এক মব-অধিষ্ঠিত এলাকা। একটি দলের #উগ্র আত্মমুগ্ধতা, আর মোহাম্মদ ইউনুস নামের অঘোষিত কর্তৃত্ববাদী নেতৃত্বে দেশের শাসন এখন কেবল ক্ষমতার দম্ভ আর দণ্ডের প্রতিচ্ছবি। প্রশাসন নেই, আইন নেই, ন্যায়বিচার নেই—শুধু আছে প্রলয়ঙ্কর পেশিশক্তির দাপট, যা প্রতিদিন রক্ত চায়, মৃত্যু চায়, আতঙ্ক চায়।
গত এক সপ্তাহে ছয়জন মানুষ #গণপিটুনিতে #নিহত হয়েছেন। গত ১০ মাসে এমন নির্মমতায় প্রাণ গেছে ১৪৩ জনের। এ সংখ্যাগুলো কেবল পরিসংখ্যান নয়—এগুলো রাষ্ট্রের লাশগণনা। এক একটি মৃত্যু আমাদের বলে দেয়, এই দেশে এখন জনগণ নিজের হাতে ‘বিচার’ করছে, কারণ বিচারব্যবস্থা মৃত। আদালত আছে, বিচার নেই। পুলিশ আছে, উপস্থিত নেই। সরকার আছে, দায়িত্ব নেই।
তথাকথিত ‘অ-সরকার’—যে ইউনুসের নেতৃত্বে আজ দেশ শাসনের ভান করছে—তার শাসনব্যবস্থা আরেক নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে চোরাগোপ্তা ফ্যাসিবাদের। #মাদক, #দখল, #ছিনতাই, অনিয়ম—সবকিছুর বিরুদ্ধে লড়ার বদলে রাষ্ট্র নিজেই হয়ে উঠেছে ‘ব্যবস্থাবিরোধী’ এক হিংস্র যন্ত্র। গাজীপুরে শ্রমিক খুন হয়, ভিডিও ছড়ায়—কেউ দায় নেয় না। ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় হলে যুবককে #পিটিয়ে মারা হয়—পত্রিকায় খবর আসে, ব্যবস্থা আসে না। কুমিল্লায় পুরো পরিবারকে #হত্যা করে ফেলে—আর পুলিশের বক্তব্য শুনলে মনে হয় তারা কেবল দর্শক, তদন্ত নয়, ব্যাখ্যা দিতে ব্যস্ত।
এটাই মোহাম্মদ ইউনুসের শাসন। একদিকে ‘আইনের শাসন’ বলে মুখে ফেনা তোলা হয়, আর বাস্তবে গোটা রাষ্ট্রকে চালানো হয় গোপন আতঙ্ক আর স্বেচ্ছাচারিতার ছায়ায়। প্রশাসনের কোনো স্তরে জবাবদিহি নেই। কোনো হিংসার ঘটনায় সঠিক বিচার হয়নি—এমন স্বীকারোক্তি মানবাধিকার কর্মীদের মুখ থেকে নিয়মিত শোনা যায়। কেন হবে? এই ‘অ-সরকার’ আইনকে প্রয়োজনে #অস্ত্র বানায়, আর অপছন্দ হলে ছুড়ে ফেলে দেয় নর্দমায়।
রাজনীতির নামে নাটক চলে। রাস্তায় কেউ দাঁড়ালে, গলায় জুতার মালা, মুখে জুতা। সাবেক নির্বাচন কমিশনার পর্যন্ত মার খায়, আর প্রশাসন যেন বোবা। #বিএনপি-#জামাতের নেতাকে থানায় ধরে আনলে পুরো থানা ঘেরাও হয়ে যায়। আসামি নিয়ে গায়েব হয়ে যায় পুরো দল। আর আমরা বসে থাকি, এদিক-ওদিক তাকিয়ে ভাবি—এটা কি আসলেই রাষ্ট্র?
উত্তর সোজা—না। এটা রাষ্ট্র নয়। এটা ক্ষমতার দখলদারি, যার মাথায় বসে আছেন মোহাম্মদ ইউনুস, যার মুখে গর্জন আছে, কিন্তু মেরুদণ্ড নেই। এই শাসক গোষ্ঠী বাস্তবিক অর্থেই জনগণকে হেয় করে, অপমান করে, ভয় দেখিয়ে রাখে। এবং সেটাকেই বলে ‘স্থিতিশীলতা’।
কিন্তু এই স্থিতিশীলতা আসলে পঁচে ফুলে ওঠা একটি মৃতদেহ। উপরে যতই ফিটফাট করা হোক না কেনো, পঁচা গন্ধ চাপা পড়ে না। সেই গন্ধই এখন ছড়িয়ে পড়েছে থানায়, আদালতে, প্রশাসনে, মিডিয়ায়—আর তার আঁচ আমরা পাচ্ছি প্রতিদিন, প্রতিটি #গণপিটুনিতে, প্রতিটি থানা-ঘেরাওয়ে, প্রতিটি ‘দৃশ্যত নিয়ন্ত্রিত’ অরাজকতায়।
এই লেখার শেষাংশে কোনো আশার বানী নেই। কারণ যারা ক্ষমতায় আছে, তারা এতটাই আস্ফালন-ভরে দাঁড়িয়ে যে কানেও তুলো দিয়েছে, চোখেও। তারা জানে—এই দেশ তাদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি। যতক্ষণ তারা থাকবে, ততক্ষণ আইন থাকবে তাদের পায়ের নিচে।(আওয়ামীলীগ পেইজ থেকে)
