গাজীপুরের শ্রীপুরে একাধিকবার হামলা চালিয়ে, গোয়েন্দা পুলিশের তিন সদস্যকে আহত করে, শীর্ষ সন্ত্রাসী মো. সুমন মিয়াকে (৩২) ছিনিয়ে নিয়েছে সন্ত্রাসীরা। সুমন মিয়ার বিরুদ্ধে জেলার বিভিন্ন থানায় অস্ত্র আইনে একাধিক মামলা রয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার, রাত ৮টার দিকে শ্রীপুর পৌরসভার টেংরা রাস্তার মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আসামীকে আটক নিয়ে যাওয়ার সময় বিভিন্ন স্থানে মোট চারবার সন্ত্রাসীদের হামলার স্বীকার হয় ডিবি পুলিশ।
জুলাই-আগস্ট দাঙ্গাকালীন সময়ে সারাদেশে ৪৬০ টিরও বেশি থানায় আক্রমণ ও অগ্নিসন্ত্রাস করে ইউনূসের নিয়োগকর্তা জঙ্গী সন্ত্রাসীরা। ক্ষমতা দখলের পর এই দেশবিরোধী জঙ্গীদের আইনের আওয়তায় আনেনি স্বৈরাচারী ইউনূস। বরঞ্চ, তাদের ইনডেমনিটি দিয়ে জঙ্গী তৎপরতা বলবৎ রেখেছে ইউনূস। ইউনূসের অভয়ে এখনো পুলিশদের উপর আক্রমণ করছে জঙ্গীরা, এর ফলে পুলিশের কার্যকারিতা বিনষ্ট হচ্ছে। ফলস্বরূপ, আসামি ধরলে থানা ঘেরাও, পুলিশকে মারধর করছে মব সৃষ্টি করে। এই পরিস্থিতিতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পুলিশ তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারছে ঠিকমত এবং ঘটনাস্থলে পুলিশের উপস্থিতি সত্ত্বেও খুনের মত নৃশংস ঘটনাবলির সাক্ষী হয়েছে জাতি।
তাছাড়া, ইউনূস এখনো ২০২৪ এর জুলাই-আগস্ট মাসে ৩২০০ পুলিশ হত্যার বিচার করেনি। বিচার তো দূরের কথা ইউনূস প্রশাসন নিহত পুলিশের সংখ্যা নিয়ে মিথ্যাচার করেছে। ফলে পুলিশ হত্যা কিংবা পুলিশের উপর আক্রমণ এখন আর সন্ত্রাসীদের কাছে অপরাধ মনে হচ্ছে না, এতে স্বয়ং ইউনূসের অবৈধ সরকারই কার্যত পুলিশকে দুর্বল করে দিয়েছে। পুলিশের বর্তমান গুরু দায়িত্বের যা পড়ে তা হলো নিরপরাধ আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের মিথ্যা ও ভূয়া মামলায় গ্রেফতার করা, ইউনূসের শতভাগ প্রটোকল নিশ্চিতকরণ, সারজিস-হাসনাতদের দাবি মেটাতে পানি ছিটিয়ে নাপাক জুলাই জঙ্গীদের গোসল করানো এবং যৌক্তিক দাবিতে আন্দোলনকারীদের দমন-পীড়ন করে আটক করা।
(আওয়ামীলীগ পেইজ)