এ সিজন অব বাংলা ড্রামা’র সমাপ্তি, শেষ শো জয়ন্তিকা মঞ্চস্থ হয়েছে। ৩০ নভেম্বর সন্ধ্যায় পূর্ব লন্ডনের ব্রাডি আর্টস সেন্টারে সমাপ্তি ঘটেছে মাসব্যাপী নাট্য উতসবের। সমাপ্তি পর্বে বক্তব্য রাখেন টাওয়ার হ্যামলেটসের স্পীকারসুলুক আহমেদ, টাওয়ার হ্যামলেটসের নাট্য বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কাউন্সিলার কামরুল হাসান,নাট্য বিভাগের প্যানেল কর্মকর্তা রোকশাসানা খান,কাজী রোকশানা ও আসমা আনজুম।এছাড়া আরো বক্তব্য রাখেন কুইনমেরী ইউনির্ভাসিটির প্রফেসর আলী ক্যামবেল। তারা দর্শকশ্রোতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন,কমিউনিটির নাট্যমোদী ও সংস্কৃতিসেবীদের অংশগ্রহণ ছাড়া এমন উতসব সফল কার যেতো না। এবারের থিম ছিল ‘কাইন্ডনেস’। মানবতাবাদী সমাজ প্রতিষ্ঠায় নাটেকর ভূমিকা অপরিহার্য। এই উদ্দেশে নাট্য উতসবের আয়োজন ছিল একটি প্রেরণাদায়ক মাসব্যাপী উপস্থাপনা।

নাট্য উতসবে সহযোগিতা করার জন্য ধন্যবাদ জানানো হয় নাট্য নির্দেশক সুদীপ চক্রবর্তী, কুইনমেরী ইউনির্ভাসিটির ড. ক্যানন সালিহ, সালাম জোনস,মোশাহিদ আহমেদসহ অন্যান্য সহযোগীদের।
উল্লেখ্য, প্রায় দেড় দশক ধরে বাংলা সংস্কৃতিচর্চার এ বড় উতসবটি ‘এ সিজন অব বাংলা ড্রামা’র আয়োজন করে আসছে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল।
‘জয়ন্তিকা’য় মুগ্ধ দর্শক

সমাপ্তি দিনে ‘জয়ন্তিকা’ নাটকের ডাইরেকটার ছিলেন নাট্য ও নৃত্যশিল্পী রোবায়েত শারমীন ঝরা।নাটকটি লিখেন সায়েলা শারমীন। অনবদ্য এ নাটকে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন রোবায়েত শারমীন ঝরা, মাহবুবা লিথি, সাদেক আহমেদ চৌধুরী সাদী, সায়েলা শারমীন, কাজী ফারহানা আকতার, আয়াম শহীদ, রুমি হক, ইহহান শহীদ, আজান চৌধুরী ও সাউদা মোহাম্মদ।
নাটকে মাতৃত্বকালিন মানসিক ও শারীরিক নানা সমস্যা ও সংকটের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত একজন নারীর জীবনযাপন, এবং উত্তরণের ঘাতপ্রতিঘাত নিয়ে নাটকটি আবর্তিত হয়। পারিবারিক ও সামাজিক অব্যাহত সহযোগিতা ও কাউসিলিং ছাড়া এ ধরনের সমস্যাক্রান্ত নারী সংকট থেকে উত্তরণ হতে পারে না।একজন নতুন মাযের জন্য একজন স্বামী, একজন বন্ধু,পরিবার হতেই পারে এসময়ের প্রকৃত বন্ধু। ’মায়া’ ই এর প্রধান উপাত্ত। এই মানবতা জাগাতে সমাজের সকলের ভূমিকা জরুরী। লেখক সায়েলা শারমীন ও ডাইরেক্টর রোবায়েত শারমীন ঝরা এবং অভিনয় শিলপীরা নিজ নিজ অভিনয় দক্ষতা দিয়ে দর্শকদের উপহার দিয়েছেন নাটকটি।
‘ট্রিও আর্টস’এর পরিবেশনায় নাটকটি ছিল নৃত্য,গান ও হৃদস্পর্শী সংলাপে সংরাগে উপভোগ্য।
