‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মুখোশ খুলে দিয়েছে
গত মাত্র ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৮,৫৯৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই বিপুল সংখ্যক গ্রেপ্তার অভিযানে নেই কোন যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া কিংবা বৈধতা। সরকারের উদ্দেশ্য নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন উঠছে। এগুলো কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ ভিত্তিক গ্রেপ্তার নয়; বরং এটি একটি দমন ও নিপীড়নমুলক অভিযান যেখানে কোনো স্পষ্ট অভিযোগ বা ওয়ারেন্ট ছাড়াই ডানে-বামে যাকে পাওয়া যাচ্ছে তাকেই তুলে নেওয়া হচ্ছে।
“আইন-শৃঙ্খলা” রক্ষার দোহাই দিয়ে সরকার কার্যত এই গণগ্রেপ্তারকে একটি স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত করেছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে যেন তারা দেখামাত্রই গ্রেফতার করে। এই অভিযান কোন বিচার নয়; এটি রাষ্ট্রীয় মদদে জনমনে ত্রাস সৃষ্টি। এ ধরনের কর্মকাণ্ড মৌলিক মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন—যার মধ্যে রয়েছে যথাযথ বিচার পাওয়ার অধিকার, বিনা অপরাধে আটক থেকে সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার এবং অপরাধ প্রমাণ হওয়ার আগ পর্যন্ত নিরপরাধ হিসেবে গণ্য হওয়ার অধিকার।
অপরাধ নিয়ন্ত্রনের মানে এই নয় যে আপনি এক রাতে ১ হাজার মানুষকে গ্রেফতার করবেন। এধরনের গ্রেফতার অভিযান ভিন্নমত দমনে ফ্যাসিস্টদের অস্ত্র। অপারেশন ডেভিল হান্ট জননিরাপত্তা বিধানের কোন মাধ্যম নয়, এর মূল উদ্দেশ্য ভয় দেখানোর মাধ্যমে ভিন্নমত দমন করা, স্বৈরাচারের দুঃশাসন শক্তিশালি করা।
