Close Menu

    সাবস্ক্রাইব

    সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।

    জনপ্রিয় সংবাদ

    “সলিমুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জমি দান করেছিলেন, মিথ্যা ও মিথ

    October 14, 2026

    অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে নেওয়া বিভাগীয় অ্যাকশান,অন্যায়

    October 14, 2026

    তুমি কে? আমি কে?: বাঙালি… বাঙালি…

    October 14, 2026
    Facebook Instagram WhatsApp TikTok
    Facebook Instagram YouTube TikTok
    JoyBangla – Your Gateway to Bangladesh
    Subscribe
    • হোম পেইজ
    • বিষয়
      • দেশ (Bangladesh)
      • আন্তজাতিক (International)
      • জাতীয় (National)
      • রাজনীতি (Politics)
      • অথনীতি (Economy)
      • খেলা (Sports)
      • বিনোদন (Entertainment)
      • লাইফ স্টাইল (Lifestyle)
      • শিক্ষাঙ্গন (Education)
      • টেক (Technology)
      • ধম (Religion)
      • পরবাস (Diaspora)
      • সাক্ষাৎকার (Interview)
      • শিল্প- সাহিত্য (Art & Culture)
      • সম্পাদকীয় (Editorial)
    • আমাদের সম্পর্কে
    • যোগাযোগ করুন
    JoyBangla – Your Gateway to Bangladesh
    Home » তিনটি অপরাধ, একটি লক্ষ্য : কীভাবে বাংলাদেশকে ধ্বংস করা হচ্ছে
    Bangladesh

    তিনটি অপরাধ, একটি লক্ষ্য : কীভাবে বাংলাদেশকে ধ্বংস করা হচ্ছে

    JoyBangla EditorBy JoyBangla EditorDecember 29, 2025No Comments4 Mins Read
    Facebook WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook WhatsApp Copy Link

    বাংলাদেশ খ্রীষ্টান অ্যাসোসিয়েশন (বিসিএ) এর মি. নির্মল রোজারিও যখন বলেন সংখ্যালঘুদের জন্য পরিস্থিতি এখন খুবই চ্যালেঞ্জিং, তখন এই শব্দগুলোর পেছনে লুকিয়ে থাকে হাজারো অব্যক্ত আর্তনাদ। ৫ আগস্টের পর থেকে দুই হাজারেরও বেশি সহিংস ঘটনা। গির্জায় হামলা। দীপু চন্দ্র দাসের মতো একজন শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা। এই সংখ্যাগুলো শুধু পরিসংখ্যান নয়, এগুলো এমন একটি দেশের ছবি যেখানে মানবিকতা প্রতিদিন একটু একটু করে মরে যাচ্ছে।

    কিন্তু আসল প্রশ্ন হলো, কীভাবে একটি দেশ এই পর্যায়ে এসে পৌঁছায়? কীভাবে একটি নির্বাচিত সরকারকে রাতারাতি উৎখাত করে দেওয়া যায়? কীভাবে রাস্তায় দাঙ্গা বাঁধিয়ে, মানুষ হত্যা করে, পুরো দেশকে অস্থিতিশীল করে একদল মানুষ ক্ষমতার মসনদে বসে যায়? উত্তরটা জটিল নয়। বিদেশি অর্থায়ন, ইসলামিক জঙ্গি সংগঠনের মাঠপর্যায়ের সহায়তা আর সামরিক বাহিনীর নীরব সমর্থন, এই তিনটি উপাদান মিলে যখন একসাথে কাজ করে, তখন সংবিধান, গণতন্ত্র, আইনের শাসন সব কিছুই অর্থহীন হয়ে পড়ে।

    ২০২৪ সালের জুলাই মাসে যা ঘটেছে তাকে গণবিপ্লব বলা একটা নির্লজ্জ মিথ্যা। বিদেশি অর্থায়নে পরিকল্পিত, জঙ্গিদের দিয়ে বাস্তবায়িত আর সেনাবাহিনীর মৌন সম্মতিতে সম্পন্ন একটা সামরিক অভ্যুত্থান ঘটেছে। নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করা হয়েছে রাস্তায় মানুষ পুড়িয়ে। এই সহজ সত্যটা যারা এখনো মানতে চান না, তাদের হয় রাজনৈতিক স্বার্থ আছে, নয়তো বাস্তবতা বোঝার ক্ষমতা নেই।

    ইউনুস কোনো নিরীহ বুড়ো নন। গ্রামীণ ব্যাংক দিয়ে তিনি যে মাইক্রোক্রেডিট মডেল দাঁড় করিয়েছিলেন, সেটা আসলে আধুনিক যুগের মহাজনি ব্যবসা। দরিদ্র নারীদের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ দিয়ে, তাদের জীবনে আরও দারিদ্র্য ঢুকিয়ে দিয়ে তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেছেন। নরওয়ের নোবেল কমিটি হয়তো এই বাস্তবতা বুঝতে ব্যর্থ হয়েছিল, কিন্তু বাংলাদেশের গ্রামের নারীরা ঠিকই বুঝেছে যখন তাদের শেষ গরুটাও বিক্রি করে ঋণ শোধ করতে হয়েছে।

    এই মানুষটাই এখন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা। কীভাবে? কোন নির্বাচনে? কোন গণভোটে? একটা রক্তাক্ত অভ্যুত্থানের মাধ্যমে। আর তার পাশে দাঁড়িয়ে আছে জামায়াতে ইসলামী, যে সংগঠন ১৯৭১ সালে বাঙালি নিধনে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সহযোগী ছিল। জামায়াতের নেতারা যখন বুদ্ধিজীবীদের তালিকা তৈরি করে আল-বদরদের হাতে তুলে দিয়েছিল, তখন তারা জানত এই তালিকার প্রতিটি নামের বিপরীতে একটা লাশ হবে। আজ সেই সংগঠনই রাজনৈতিক দলের মুখোশ পরে ক্ষমতার অংশীদার।

    যারা বলেন জামায়াত এখন পাল্টে গেছে, তাদের জিজ্ঞেস করুন দীপু চন্দ্র দাসকে কারা মেরেছে? কারা গির্জায় হামলা চালাচ্ছে? কারা হিন্দু মন্দিরে আগুন দিচ্ছে? এই উগ্রবাদী গোষ্ঠী কোথা থেকে আসছে? তারা কি আকাশ থেকে ঝরে পড়ছে? না, তারা বাংলাদেশের মাটিতেই আছে, দশকের পর দশক ধরে লালিত হচ্ছে, সংগঠিত হচ্ছে। আর তাদের রাজনৈতিক ছত্রছায়া জামায়াত ছাড়া আর কেউ দেয় না।

    ইউনুসের সরকার এই হামলাগুলো বন্ধ করতে পারছে না, নাকি করতে চাইছে না? নির্মল রোজারিও বলছেন পুলিশ ঘটনাস্থলে ছিল, তবু হামলাকারীরা আক্রমণ করেছে। এর অর্থ কী? এর অর্থ হলো আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নির্দেশ পেয়েছে হস্তক্ষেপ না করতে। অথবা তারা বুঝে গেছে এই সরকারের আসল রাজনৈতিক ভিত্তি কোথায়। জঙ্গিরা যদি খুশি না থাকে, তাহলে এই অবৈধ সরকারের ভিত কাঁপবে। তাই সংখ্যালঘুদের বলি দিয়ে হলেও জঙ্গিদের তুষ্ট রাখতে হবে।

    যে বিদেশি শক্তি এই অভ্যুত্থানে অর্থ যুগিয়েছে, তাদের স্বার্থও পরিষ্কার। একটা স্থিতিশীল, ধর্মনিরপেক্ষ, দ্রুত উন্নয়নশীল বাংলাদেশ তাদের ভূরাজনৈতিক স্বার্থের বিরুদ্ধে যায়। একটা অস্থিতিশীল, সাম্প্রদায়িক সংঘাতে জর্জরিত, অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল বাংলাদেশ নিয়ন্ত্রণ করা অনেক সহজ। ইউনুস সেই নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার মাত্র, মুখোশ মাত্র। আসল খেলোয়াড়রা পর্দার আড়ালে।

    সামরিক বাহিনীর ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ। সংবিধান রক্ষা করার শপথ নিয়ে যে বাহিনী, তারা কীভাবে একটা অবৈধ সরকারকে সমর্থন দিতে পারে? উত্তর সহজ: সামরিক বাহিনীরও নিজস্ব স্বার্থ আছে। রাজনীতিতে তাদের প্রভাব বজায় রাখতে হবে, অর্থনৈতিক সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। নির্বাচিত সরকারের সাথে এই স্বার্থ সবসময় মেলে না। তাই প্রয়োজনে তারা ক্যু সমর্থন করে।

    নির্মল রোজারিও বলছেন খ্রিস্টানরা শিক্ষা, চিকিৎসা, উন্নয়নে কাজ করে, কিন্তু তাদের দেখা হচ্ছে সন্দেহের চোখে। এই সন্দেহের বীজ কে বপন করছে? যারা বলে খ্রিস্টান মিশনারিরা জোর করে ধর্মান্তরিত করছে, তারা আসলে মিথ্যা প্রচার করছে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়াতে। বাংলাদেশের খ্রিস্টান সম্প্রদায় যদি সত্যিই জোরপূর্বক ধর্মান্তর করাত, তাহলে দেশে খ্রিস্টানের সংখ্যা শতকরা আধা শতাংশের বদলে অনেক বেশি হতো।

    এই মিথ্যা প্রচার ইচ্ছাকৃত, পরিকল্পিত। লক্ষ্য হলো সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে জনমতকে বিষিয়ে দেওয়া, যাতে তাদের ওপর হামলা হলে সাধারণ মানুষ নীরব থাকে। আর এই কাজটা খুব সফলভাবেই করা হচ্ছে। দীপু চন্দ্র দাসকে যখন পিটিয়ে মারা হচ্ছিল, তখন কতজন প্রতিবাদ করেছে? গির্জায় যখন হামলা হচ্ছে, তখন কতজন মুসলিম প্রতিবেশী এগিয়ে এসেছে তাদের রক্ষা করতে?

    বাংলাদেশ একটা ভয়াবহ পথে হাঁটছে। ১৯৭১ সালে যে স্বপ্ন নিয়ে দেশটা জন্ম নিয়েছিল, সেখানে সাম্প্রদায়িকতার কোনো জায়গা ছিল না। আজ সেই স্বপ্ন পদদলিত হচ্ছে। একটা অবৈধ সরকার, যার নৈতিক বা আইনি কোনো ভিত্তি নেই, সেটা টিকে আছে জঙ্গিদের সমর্থনে। আর প্রতিদিন নিরপরাধ মানুষের রক্তে সেই টিকে থাকার দাম চোকানো হচ্ছে।

    ইউনুসের নোবেল পুরস্কার তাকে দায়মুক্তি দেয় না। জামায়াতের রাজনৈতিক মুখোশ তাদের অপরাধ ঢাকতে পারে না। সামরিক বাহিনীর পোশাক তাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব এড়ানোর অজুহাত হতে পারে না। এই তিন শক্তির যৌথ লুণ্ঠনে বাংলাদেশ আজ রক্তাক্ত। আর যতদিন এই অবৈধ ক্ষমতা কাঠামো টিকে থাকবে, রক্তপাত থামবে না।

    Share. Facebook WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচলে গেলেন ‘নারী স্বাধীনতার প্রতীক’ ব্রিজিত বার্দো
    Next Article  নীলা ইস্রাফিল বলছেন—“হাসিনা সঠিক। এরা সবাই রা’জা’কার। রা’জা’কারের বা’চ্চা। রা’জাকা’রের না’তিপু’তি।”
    JoyBangla Editor

    Related Posts

    তুমি কে? আমি কে?: বাঙালি… বাঙালি…

    October 14, 2026

    টঙ্গীর আগুন: ২১ ইউনিটের ৪ ঘন্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে

    October 14, 2026

    ইউনুসের প্রতি জনরোষ: প্রকৃতির বিচার সবে শুরু

    October 14, 2026

    ইউনূসের প্রতিষ্ঠানের কর ফাঁকির ‘ধ্রুপদী নজির’: হাইকোর্টের রায় পর্যবেক্ষণ

    October 13, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    সম্পাদকের পছন্দ

    “সলিমুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জমি দান করেছিলেন, মিথ্যা ও মিথ

    October 14, 2026

    “বাঙালির সাহসের নাম বঙ্গবন্ধু”

    October 14, 2026

    রোটনের জানাজার নামাজে বাধা দেয়ায় আওয়ামী লীগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

    October 12, 2026

    রোটনের জানাজায় বিএনপির মব হামলায় রক্তাক্ত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা

    October 12, 2026
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • TikTok
    মিস করবেন না
    Education [ শিক্ষা ]

    “সলিমুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জমি দান করেছিলেন, মিথ্যা ও মিথ

    By JoyBangla EditorOctober 14, 20260

    🖋️ সুষুপ্ত পাঠক “ঢাকার নবাব সলিমুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জমি দান করেছিলেন, সেখানেই বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি…

    অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে নেওয়া বিভাগীয় অ্যাকশান,অন্যায়

    October 14, 2026

    তুমি কে? আমি কে?: বাঙালি… বাঙালি…

    October 14, 2026

    “বাঙালির সাহসের নাম বঙ্গবন্ধু”

    October 14, 2026

    সাবস্ক্রাইব

    সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।

    About Us
    About Us

    মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ ও লালন করে দেশ ও বিদেশের খবর পাঠকের কাছে দুত পৌছে দিতে জয় বাংলা অঙ্গিকার বদ্ধ। তাৎক্ষণিক সংবাদ শিরোনাম ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পেতে জয় বাংলা অনলাইন এর সঙ্গে থাকুন পতিদিন।

    Email Us: info@joybangla.co.uk

    Our Picks

    “সলিমুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জমি দান করেছিলেন, মিথ্যা ও মিথ

    October 14, 2026

    “বাঙালির সাহসের নাম বঙ্গবন্ধু”

    October 14, 2026

    রোটনের জানাজার নামাজে বাধা দেয়ায় আওয়ামী লীগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

    October 12, 2026

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.