গত বছরের মতো এবারও পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার সুযোগ পাচ্ছে না বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর লাখ লাখ নেতা-কর্মী। তাদের অনেকের বিরুদ্ধেই নেই কোনো প্রমাণিত অপরাধ। তবুও একের পর এক মামলা ঝুলছে তাদের কাঁধে। মবের ভয়ে চাকরি-ব্যবসা হারিয়ে, ঘরছাড়া মানুষগুলো মানবেতর জীবনযাপন করছে; যাদের অনেকেই ছিল পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। কখনো ভেবেছেন, কিভাবে কাটছে তাদের ও তাদের পরিবারের ঈদ?
ঈদ মানে মায়ের হাতের রান্না, বাবার সঙ্গে নামাজ শেষে কোলাকুলি, ছোট ভাইবোনের হাসি। এইসব স্মৃতি ভেবে ছেলেটি বাড়ি ফিরতে চায়, কিন্তু বাবা-মায়ের সম্মতি মেলে না। সোশ্যাল মিডিয়ায় তার বন্ধুরা যখন নতুন পোশাক পরে ছবি দেয়, হাসিমুখে “ঈদ মোবারক” লিখে, তখন দূরে কোথাও বসে থাকা সেই ছাত্রলীগ-যুবলীগ করা ছেলেটির বুকের ভেতরটা আরও ভারী হয়ে ওঠে।
ঈদ তো আমাদের জন্য কেবল কোনো উৎসব নয়; ঈদ মানে ঘরে ফেরার আকুতি, আপনজনের কাছে ফিরে যাওয়ার এক অদম্য টান। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর রাজনীতির সঙ্গে জড়িত এই নিরপরাধ মানুষগুলো কবে ফিরবে তাদের ঘরে? কবে তারা ফিরে পাবে তাদের স্বাভাবিক জীবন, তাদের পরিবার, তাদের ঈদ?
শাসকের অন্যায় অবিচারে ঘরছাড়া প্রতিটি আওয়ামী লীগ কর্মীর পক্ষ থেকে দেশবাসীকে জানাই পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক।( আওয়ামীলীগ পেইজ।)
