১০ই এপ্রিল মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক অনন্য গৌরবোজ্জ্বল ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার ( মুজিবনগর সরকার) গঠিত হয়। যা বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামকে সুসংগঠিত করে। বৈধ ও আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য রূপ প্রদান করে। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মম গণহত্যা, দমন-পীড়ন ও বর্বরতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধুর অবিসংবাদিত নেতৃত্বে এই সরকার গঠনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের একটি সুদৃঢ় রাজনৈতিক ভিত্তি রচিত হয়। বঙ্গবন্ধুকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করে গঠিত এই সরকারে উপ-রাষ্ট্রপতি পদে নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাজউদ্দীন আহমদ ছিলেন। তাঁদের প্রজ্ঞা, সাহসিকতা ও ত্যাগের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধকে চূড়ান্ত বিজয়ের পথে এগিয়ে নিয়ে যান।
মুজিবনগর সরকার ছিল বাঙালি জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের একটি ঐতিহাসিক ঘোষণা এবং মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার কেন্দ্রবিন্দু। এই সরকারের কার্যক্রমের মাধ্যমেই আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে জনমত সৃষ্টি হয়।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে মহান মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লাখ শহিদ, ২ লাখ সম্ভ্রমহারা মা-বোন এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের, যাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে আমাদের স্বাধীনতা ও স্বাধীন বাংলাদেশ। একইসঙ্গে আমরা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি জাতীয় চার নেতাসহ সকল সংগঠক ও নেতৃত্বকে, যাঁদের দূরদর্শিতা ও ত্যাগ বাঙালি জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
মুজিবনগর সরকারের চেতনা আমাদের জাতীয় জীবনে চিরন্তন প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে—গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের পথে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকারে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
*কর্মসূচি 😘
আগামীকাল ১০ এপ্রিল ২০২৬, শুক্রবার, বিকাল ৫টায় স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠনের দিবস স্মরণে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভার্চুয়াল আলোচনা সভা।
সভায় সভাপতিত্ব করবেন: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা এমপি।
সবাইকে সংযুক্ত থাকা বা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অফিসিয়াল পেইজে আলোচনা শোনার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
