আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বপালনকারী শেখ হাসিনার দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণী পুনঃযাচাই ও জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট তথ্য চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
৪ঠা মে, সোমবার দুদক প্রধান কার্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগের উপ-পরিচালক আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য, ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ব্যাপক অনুসন্ধানের পরেও শেখ হাসিনার জ্ঞাত-অজ্ঞাত সম্পদের তত্ত্ব-তালাশের পরেও আহামরি কিছু মেলেনি, তাই বিএনপি সরকারের ‘উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশে’ পুনঃযাচাইয়ের নির্দেশনা দিয়েছে দুদক।
অন্তর্বর্তী সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষ শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যে বিপুল সম্পদ অর্জনের দাবি করেছিল এবং অনুসন্ধানে যা মিলেছে, দুয়ের মাঝে ব্যাপক ফারাক থাকায় এই পুনঃযাচাই, এমন দাবি দুদকের একটি সূত্রের।
দুদকের বিভাগীয় কার্যালয় থেকে জারি করা এক চিঠিতে বলা হয়, ২০০৭ সালের ২রা সেপ্টেম্বর দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণী পুনঃযাচাই এবং ২০০৮ সালের ২রা সেপ্টেম্বর পরবর্তী সময়ে অর্জিত সম্পদের বিষয়ে অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে একজন অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়, অভিযোগের ‘সুষ্ঠু অনুসন্ধানের’ স্বার্থে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা জরুরি। সে অনুযায়ী, অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি’র প্রিন্সিপাল শাখা, ঢাকায় ১৯৯০ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত কর্মরত শাখা ব্যবস্থাপক ও লকার ইনচার্জদের বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে।
দুদকের চাওয়া তথ্যের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নাম, পদবী, কর্মস্থল, স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা এবং মোবাইল নম্বর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। আগামী ৬ই মে ২০২৬ সালের মধ্যে এসব তথ্য দুদকের সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে বলেও চিঠিতে জানানো হয়।
উল্লেখ্য, এ নির্দেশনা দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ১৯ ধারা এবং দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭-এর ২০ বিধি অনুযায়ী জারি করা হয়েছে।
