বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত রবীন খুদা ও ভারতের নরেন্দ্র মোদীর হাস্যোজ্জ্বল ছবি ও ত্রিশ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগের সত্যতা পেয়ে বাংলাদেশ সরকার ও মিডিয়ার চোখ কপালে উঠে গেছে। ইতিমধ্যে দেশের ১৭ কোটি জনগণ প্রশ্ন করতে শুরু করে দিয়েছে – আজ যদি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা থাকতেন , তবে কি এই ত্রিশ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ বাংলাদেশে আসতো ⁉️
প্রথমেই বাংলাদেশের বঙ্গপালের জন্য তিনটা সত্য প্রবাদ দিয়ে শুরু করছি –
▪️ হাতের লক্ষী পায়ে ঠেলা।
▪️অতি লোভে তাঁতি নষ্ট।
▪️আমও গেলো ছালাও গেলো।
রবিন খুদা ভারতে ৫ গিগাওয়াটের একটি ডাটা সেন্টারের জন্য ভারতে ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করছেন, যার পরিমাণ বাংলাদেশের মোট রিজার্ভের চাইতেও বেশী।এতেই জ্বালা ধরে গেছে ” দিল্লী না ঢাকা ” স্লোগান দেওয়া গুপ্ত ও বটবাহিনীর।তারা চ্যাট জিপিটিকে প্রশ্ন করে বললেন , ভাই এই ডেটা সেন্টার কি আদৌ বাংলাদেশে হওয়া সম্ভব ⁉️
চ্যাট জিপিটি তাদের খুব সুন্দর করে উত্তর দিয়ে দিলো –
এটা সম্পূর্ণ অসম্ভব ‼️
এতেই বিএনপি ও জামায়াত শিবিরে ঈদের আনন্দ শুরু হয়ে গেলো। কিন্তু তাদের লুসিড ড্রিমের কথা জানা ছিলো না। তাদের জানা ছিলো না অসম্ভবকে সম্ভব করাই শেখ হাসিনার কাজ। আজ দুই বছর তিন মাসেও এই বঙ্গপালের দল বুঝতে পারেনি তারা শেখ হাসিনা নামক ভাগ্য লক্ষী হাতের কাছে পেয়েও পা ঠেলে অপমান করেছে।আজ শেখ হাসিনা নির্বাসিত জীবনে না থাকলে এই বঙ্গপাল ( ওরফে চ্যাট জিপিটি) প্রজন্মের ইহজনমেও শিক্ষা হতো না।
রবিন খুদা ভারতে যে ত্রিশ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন তা ধাপে ধাপে ।এই সহজ সত্য বুঝার ক্ষমতা এই দেশের বহু পঙ্গপালের নাই এটাই সত্য। অর্থাৎ এই ত্রিশ বিলিয়ন ডলার ২০৩০ সালের মধ্যে বিনিয়োগ করা হবে। অর্থাৎ ৫ গিগাওয়াটের ডাটা সেন্টার একসাথে হচ্ছে না। এর প্রথম ধাপ হিসেবে ইতিমধ্যেই ৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ডাটা সেন্টারের কাজ মুম্বাই ভিত্তিক Lauminia CloudInfra এর সাথে শুরু করেছেন।এই কাজ খুব সহজেই বাংলাদেশের যে বিদ্যুৎ সক্ষমতা তা দিয়ে করা যেতো। কিন্তু অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী পৃথিবীর ৩৮ নম্বর ধনকুব এই কাজের জন্য বাংলাদেশে বিনিয়োগ উপযোগী পরিবেশ আছে বলে মনে করেননি বলেই বাংলাদেশে বিনিয়োগ না করে ভারতে করেছেন।
🔘 রবীন খুদার কোম্পানি ( এয়ারট্রাঙ্ক) ভারতে মহারাষ্ট্রে ৩ গিগাওয়াট এর যে কাজ শুরু করতে যাচ্ছে তা শেষ হবে ২০৩০ সালে।এর জন্য ২ ট্রিলিয়ন রুপি বিনিয়োগের পরিকল্পনা তার রয়েছে।এই তিন গিগাওয়াট ডাটা সেন্টার বাংলাদেশের ২৮০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দিয়ে করা সম্ভব নয়!
🔴 আমার দ্বিতীয় প্রবাদ ছিল – অতি লোভে তাঁতি নষ্ট।
শেখ হাসিনা সরকারের ২০৩০ সালের বিদ্যুৎ উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা যদি আপনারা জেনে থাকেন , তবে সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে , সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে ৩৫,০০০ থেকে ৪০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন।
এক্ষেত্রে শুধু সোলার প্যানেল থেকে দশ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই দশ হাজার মেগাওয়াট দিয়ে রবিন খুদার ডাটা সেন্টার সহ গুগল ও আমাজনের ডাটা সেন্টার পর্যন্ত বাংলাদেশের ভেতরে করা সম্ভব। একটি ৩ গিগাওয়াট ডাটা সেন্টারের জন্য বিদ্যুৎ এর প্রয়োজন হয় ৩ হাজার মেগাওয়াট। তাহলে এইরকম তিনটা ডাটা সেন্টার করেও বাংলাদেশের আরো এক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয় হতো। বাঙালি অতি লোভে শেখ হাসিনাকে তাড়িয়ে খাল কেটে কুমির ইউনূস আনায় গত দুই বছরে বাংলাদেশে একটাও নতুন বিদ্যুৎ কেন্দ্র হয়নি । তারেক রহমানের গত তিন মাসেও দেশে একটা নতুন বিদ্যুৎ কেন্দ্র হয়নি। ২৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়েছে তাও শেখ হাসিনা সরকারের করা।
অতি লোভ করতে গিয়ে ইউনূস ( দই) মনে করে চুন খেয়ে বাঙালির মুখ পুড়েছে।
🔴 বিএনপি ও জামায়াত ২০০১-২০০৬ সাল ৫ বছর রাষ্ট্র ক্ষমতায় থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে মাত্র ৮০ মেগাওয়াট।তাও দুই সপ্তাহ সচল রাখতে পারে নাই।তাই এই ধরনের হাইপারস্কেলের ডাটা সেন্টারের কথা শুনেই তাদের মুখ থেকে প্রথম যে শব্দটি বের হয় তা হচ্ছে অসম্ভব!
🔴একটি হাইপারস্কেল ডাটা সেন্টারের জন্য শত শত একর জমি প্রয়োজন হয়।এটা তখনি সম্ভব ছিল যখন শেখ হাসিনার হাতে বাংলাদেশ ছিল।ভুমি অধিগ্রহণ , আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এমন অনেক ধাপ মোকাবেলা করেই শেখ হাসিনা অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশের মধ্যে ১০০ টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলেছেন । এই ধরণের হাইপার স্কেল ডাটা সেন্টারের জন্য বাংলাদেশের অন্যতম আদর্শ স্থান হচ্ছে মীরসরাইয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিল্প নগর।
▪️এই অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিশাল ক্ষমতার ডেডিকেটেড বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও গ্রিড সাবস্টেশন নির্মিত হচ্ছে।
▪️ কক্সবাজার সাবমেরিন ক্যাবলের ল্যান্ডিং স্টেশনের কাছাকাছি হওয়ায় ডেটা লেটেন্সি কম হবে।
▪️ফেনী নদী ও বঙ্গোপসাগরের নিকটবর্তী হওয়ায় ডাটা সার্ভিং কুলিং সিস্টেমের জন্য পর্যাপ্ত জল পাওয়া যাবে। এর অতিরিক্ত জল বটবাহিনীর মাথায় পর্যন্ত দেয়া যাবে।
( এছাড়াও গাজীপুর হাইটেক পার্কের আশেপাশে, মাতারবাড়ী , মহেশখালী ও ঈশ্বরদী রূপপুর অঞ্চলে এমন ডাটা সেন্টার নির্মাণ সম্ভব।) অসম্ভব শুধু বটবাহিনীর জন্য। বিএনপি জামায়াত মাত্র ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রেখে গিয়েছিল। শেখ হাসিনার কল্যাণেই আজ বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৮ হাজার মেগাওয়াট। রূপপুর , মাতারবাড়ী , রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র হবে এসব বাংলাদেশের মানুষ স্বপ্নেও ভাবেনি। কিন্তু শেখ হাসিনাই অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছিলেন।
🔴 শেখ হাসিনা বাংলাদেশের এআই খাতের উন্নয়নের জন্য “স্মার্ট বাংলাদেশ ২০৪১” প্রকল্প গ্রহণ করেছিলেন।২০২০ সালে ন্যাশনাল স্ট্রাটেজি ফর এআই রূপরেখা তৈরি করেছিলেন।২০২৪ সালের প্রথম দিকেই বিশ্ববিখ্যাত কোম্পানি অ্যামাজন, গুগল ও মাইক্রোসফটকে আকর্ষণ করার জন্য ন্যাশনাল এআই পলিসি তৈরি করেছেন। এসবের অধীনে শেখ হাসিনা নিউরাল নেটওয়ার্ক ও আইসিটি ল্যাব উদ্বোধন করা হয়। গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ও সার্টিফাইড ” টায়ার – ৪ ” ডেটা সেন্টার স্থাপন করা হয়। সারাদেশে হাই-টেক পার্ক ও ইনকিউবেশন সেন্টার খোলা হয়। স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড খোলা হয়। ফ্রিল্যান্সারদের ট্যাক্স ও ভ্যাট মওকুফ করা হয়।এআই টুলের ব্যবহার করে স্মার্ট ৩৩৩ কল সেন্টার করা হয়। এছাড়াও কৃষি ও টেলিমেডিসিন ডেটা ট্র্যাকিংয়ের কাজ পর্যন্ত শুরু হয়েছিল শেখ হাসিনা সরকারের আমলে। এর জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে ২৯,০০০ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছিল। শেখ হাসিনার চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের অংশ হিসেবে জাপান ও ফ্রান্সের সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছিল বাংলাদেশ। এছাড়াও শেখ হাসিনার সরকার টেক জায়ান্ট মেটা , ফেসবুক , গুগল এর সাথে এসব এআই পলিসি নিয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছিল। বাংলাদেশ কোথায় থাকার কথা ছিল আর আজ কোথায় আছে ⁉️ এজন্য শেখ হাসিনা দেশ ছাড়া হওয়ার সাথে সাথে আমার তিন নম্বর প্রবাদটিও সত্য হয়ে বাঙালি ও বাংলাদেশের আমও ছালা দুটোই গেলো ।।
▪️শেখ হাসিনাকে দেশছাড়া করার পর যারা লিল্লাহ বোর্ডিং চালাতে গিয়ে হামের টিকা কিনতে পারে নাই , এবং টিকার অভাবে ৬০০ নিরাপরাধ শিশু মারা গেছে, এমন দেশে কোন পাগলে বিনিয়োগ করবে। এজন্য শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার সাথে সাথে পৃথিবীর দুই শতাধিক বিনিয়োগকারী বাংলাদেশ থেকে তাদের ব্যবসা গুটিয়ে চলে গেছে। বাংলাদেশের বিনিয়োগ কমে গেছে ৬২ শতাংশ।
▪️আশিক চৌধুরীর মত ইংরেজি ঠুস ঠাস করে দেশে বিনিয়োগ আসেনি, ভবিষ্যতেও আসবে না। বিনিয়োগের জন্য স্থিতিশীল পরিবেশ লাগে। বিএনপি ও জামায়াতকে বোতল বন্দি করে বাংলাদেশে বিনিয়োগের এই স্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করেছিলেন শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের ভুগোল ও জিওগ্রাফি বুঝে চীন ও ভারত কারো সাথেই শত্রুতা সৃষ্টি না করে বাংলাদেশকে শত বছর সামনে এগিয়ে দিয়ে গেছেন শেখ হাসিনা গত ১৬ বছরে।যত দিন যাবে বাঙালি ততই শেখ হাসিনার অভাব বোধ করে কাঁদবে।
” আজ ত্রিশ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ হাতছাড়া হয়েছে। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে হয়তো আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক আর খয়রাত দিবে না। “
অদূর ভবিষ্যতে শেখ হাসিনা আবার কখনও সরকার গঠন করলে রবিন খুদা , মাইক্রোসফট , গুগলের মত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে বিনিয়োগ করবে এতে কোন সন্দেহই নেই। এজন্যই বলা হয় , ‘ শেখ হাসিনা যা পারে তা বিএনপি ও জামায়াত স্বপ্নেও ভাবতে পারে না।এর জন্য যে দেশপ্রেম ও নূন্যতম জ্ঞান থাকতে হয় তাই এদের নেই। হাওয়া ভবনের লুটপাট মডেল ছাড়া বিএনপি ও জামায়াতের আর কোন অর্জন নেই। এজন্য বাংলাদেশের মানুষের কাছে এখনও উন্নয়নে আস্থা ও ভরসার অপর নাম শেখ হাসিনা।
বঙ্গপালের দুই হাত অকেজো। বাকি আছে শুধু অজুহাত।সেই অজুহাত দেখিয়ে বটবাহিনী আবার প্রচার করছে, ভারত বিশাল বড় দেশ, আইটি খাতে বিনিয়োগের বিশাল বাজার , তাই ভারতে গেছে, বাংলাদেশে আসেনি।আরে আহম্মক , বিশ্বের বড় বড় টেক কোম্পানি বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে না গিয়ে জাপান ও সিঙ্গাপুরে বিনিয়োগ করে কেন?
কারণ : সিঙ্গাপুর ও জাপানে তৌহিদি জনতা নামক গণভবন লুটেরা নাই, এনসিপি কিংস নাই, ইউনূস ও আশিক চৌধুরীর মত ব* ট পার নাই, শফিকুর রহমান মত লুঙ্গির তলার রাজনীতি নাই, তারেক রহমানের মতো মিস্টার টেন পার্সেন্ট নাই।ওরা ক্ষমতার লোভে নিজ দেশের মেট্রোরেল , বিটিভি ও সেতু ভবন জ্বালিয়ে রাষ্ট্রের ৮৪ হাজার কোটি টাকা নষ্ট করার মত আহম্মক জাতি নয়।
▪️শেখ হাসিনা সফল রাষ্ট্রনায়কের মতো ” দিল্লী না ঢাকা” স্লোগান কাউকে দিতে দেননি বলেই উন্নতি করতে পেরেছেন। জঙ্গীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দেখিয়ে দেশকে স্থিতিশীল রেখেছেন এবং বিনিয়োগের পরিবেশ সৃষ্টি করে দিয়েছেন। বিনিয়োগের শর্ত হিসেবে দারিদ্র্য বিমোচন ও নারীর ক্ষমতায়ন করেছেন।সারা বিশ্বে তিনি প্রশংসিত হয়েছেন এসবের জন্য। অত্যন্ত দক্ষতার সাথে চীনের ১.৪ ট্রিলিয়ন ডলারের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ প্রকল্পের সাথে যুক্ত করেছেন বাংলাদেশকে। মেট্রোরেল , পদ্মাসেতু , এলিভেটেড , তৃতীয় বিমানবন্দর টার্মিনাল , বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট , বঙ্গবন্ধু টানেল এসব বড় বড় বিনিয়োগ বাংলাদেশে এনে বিশ্ববাসীর নজরে ফেলে দিয়েছিলেন বাংলাদেশকে।শত্রুরা শেখ হাসিনার সময়ের বাংলাদেশের অর্থনীতি ও বিনিয়োগকে এশিয়ার রাইজিং টাইগার উপাধি দিতে বাধ্য হয়েছেন। শেখ হাসিনা ১৬ বছরে যা করে গেছেন বিএনপি ও জামায়াত আগামী দু’শো বছরেও সেই উন্নয়ন করতে পারবেনা। এজন্যই শেখ হাসিনা দেশ ছাড়া হতে রপ্তানি আয় পর্যন্ত দশ বিলিয়ন ডলার কমে গেছে। প্রায় ৪ শতাধিক গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। ওরা শেখ হাসিনা নামক লক্ষী পায়ের কাছে পেয়েও বুঝতে পারেনি কী হারিয়েছে!
শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় নিজেই একজন আইটি বিশেষজ্ঞ।তার হাত ধরেই অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশ একদিন সিঙ্গাপুর ও জাপানের মতো হাইটেক বিনিয়োগের দেশ হবে। সেই লক্ষ্যমাত্রা নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছিলেন শেখ হাসিনা। কিন্তু বাংলাদেশের একটি প্রচলিত প্রবাদ হচ্ছে –
” সুখে থাকলে ভূতে কিলায় ।” সত্য সবসময় সুন্দর। লুসিড ড্রিম ০৯-০৬-২০২৬।
