পরিপ্রেক্ষিত সরকার
নারায়ণগঞ্জে ও ঢাকা’য় চলছে পূর্ণ দমে ‘শেখ হাসিনা ‘ বসন্ত ।
আজকে ঢাকার রাজপথে আজ আর শুধু যানজট নেই, আছে এক নতুন হাওয়া। বুড়িগঙ্গার কোল ঘেঁষে যে বাতাস বয়ে আসে, তা আজ শীতলক্ষ্যার তীর ছুঁয়ে নারায়ণগঞ্জের অলিতে গলিতে ছড়িয়ে পড়েছে।
এ হাওয়ার নাম, শেখ হাসিনা বসন্ত।
এ কোনো ক্যালেন্ডারের বসন্ত নয়।
এ বসন্ত আসে মানুষের চোখে,
মানুষের বিশ্বাসে।
নারায়ণগঞ্জ – ঢাকা সংযোগ সড়কের দুই ধারে যখন আজমেরী ওসমান এর যুবলীগের রাঙানো পোষ্টার , ব্যানার ফেস্টুনে ছেয়ে যায় পুরো সড়ক, যখন ফতুল্লা থেকে ইসদাইর, চাষাঢ়া থেকে ওসমানী পৌর স্টেডিয়াম পর্যন্ত পোষ্টারের সেজে ওঠে জনপদ, তখন বুঝতে হয়, শহর জেগেছে।
নারায়ণগঞ্জের মাঠে যখন এই পাথর সময়ে আজমেরী ওসমানের পোষ্টারের শহর রাঙিয়ে তোলে তখন হাজারো লক্ষ মানুষের মোবাইলে কথা শুরু হয়ে যায়।
অপেক্ষা করে এক কণ্ঠস্বরের জন্য, তখন বুঝতে হয়, এ পোষ্টার শুধুই এক প্রত্যাবর্তন এর ম্যাসেস ।
এ বসন্ত মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মানুষের মনে কড়া নাড়ে।
যে মানুষটি একাত্তরে বাবার কাঁধে চড়ে রাইফেলের শব্দ শুনেছিল, আজ সে তার নাতির হাত ধরে বলে, দেখ, এই পোষ্টার তো আমাদের বসন্ত।
যে মা তার শাড়ির আঁচলে এখনো বিজয়ের গন্ধ আগলে রেখেছেন, তিনি আজ ঢাকার মিছিলে, নারায়ণগঞ্জের স্লোগানে খুঁজে পান সেই পুরনো সাহস।
কারণ শেখ হাসিনা বসন্ত মানে শুধু উন্নয়ন নয়, মানে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর বসন্ত।
পদ্মা সেতুর রেললাইন যখন ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জ ছুঁয়ে দেশের দক্ষিণে ছুটে যায়, তখন একেকজন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মানুষ বুঝতে পারেন, যে স্বপ্নের জন্য একদিন যুদ্ধ করেছিলেন, সেই স্বপ্ন আজ রেলের চাকায়, ফ্লাইওভারের আলোয়, প্রতিটি ঘরে বিদ্যুতের ঝলকানিতে সত্যি হচ্ছে।
ঢাকায় পূর্ণ দমে, নারায়ণগঞ্জে পূর্ণ দমে।
দোকানি তার দোকান খুলছে একটু বেশি আশা নিয়ে, ছাত্র তার কলেজে যাচ্ছে একটু বেশি স্বপ্ন নিয়ে, বেকার শ্রমিক তার বন্ধ কারখানার সামনে ঘুড়ছে ফিরছে একটু বেশি ভরসা নিয়ে। কারণ তারা জানে, বসন্ত যখন আসে, তখন শুধু ফুল ফোটে না, আগাছাও উপড়ে যায়।
এ বসন্ত বঙ্গবন্ধুর রক্তের ঋণ শোধ করার বসন্ত। এ বসন্ত মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বসন্ত।
নারায়ণগঞ্জ আর ঢাকা আজ দুই শহর নয়, একটাই হৃদস্পন্দন।
আর সেই হৃদস্পন্দনের নাম,
” শেখ হাসিনা বসন্ত “।
জয় বাংলা – জয় বঙ্গবন্ধু।
লেখক: পরিপ্রেক্ষিত সরকার, একটিভিস্ট ১১ সেপ্টেম্বর , শুক্রবার ,২০২৬
নারায়ণগঞ্জ।
