জুলাই ষড়যন্ত্রের মাস্টারমাইন্ড ছিলো যে দেশদ্রো/হীরা, তাদের গত কিছুদিনের সভায় দেশবিরোধী হাম/লার গোপন পরিকল্পনার ভয়ংকর সব তথ্য ফাঁস হয়ে চলে গেছে সামরিক গোয়েন্দাদের কাছে— যে সভা নিয়মিতভাবে বসে ডিওএইচএস-এর এক বাড়িতে।
এই রেড-এলার্ট পরিস্থিতি বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারকে সতর্ক করতেই ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল মাত্র ছয় ঘন্টার গোপন সফরে ঢাকায় এসেছিলেন।
শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে ফেরার ঘোষণা দেওয়ার পর জুলাইয়ের বিজয়ী পক্ষ, অর্থাৎ স্বাধীনতাবিরোধী, জ/ঙ্গী চরম/পন্থীরা অস্থির হয়ে উঠেছে। তারা ডিসেম্বরের আগেই বাংলাদেশকে পুরোপুরি দখলে নিতে চায়। তাদের লক্ষ্য বিপ্লবী ইসলামী প্রজাতন্ত্র, তাদের লক্ষ্য শরি/য়াহ কায়েম করা।
জানা যায়, রাজাকার গোলাম আজমের পুত্র আমান আ/জমীর নেতৃত্বে তারা দুই ধাপের কর্মসূচী নির্ধারণ করেছে— যেগুলোর নাম দিয়েছে “অপারেশন দমন” এবং “অপারেশন দখল”।
আজমী’র সাথে আছে গত তিন দশকের বেশি সময় ধরে দেশের বিরুদ্ধে ষড়/যন্ত্র করে আসা, বিগত আওয়ামী লীগ আমলে দেশদ্রোহিতা ও জঙ্গি তৎপরতার কারণে জেলে আটক থাকা জ/ঙ্গীবাদের এনেবলাররা— রেজ্জা/কুল হায়দার চৌধুরী, “আমার দেশ” সম্পাদক মাহমু/দুর রহমান, অতীতে জ/ঙ্গিবাদ ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে সাজাপ্রাপ্ত ও বরখাস্ত সামরিক অফিসার হাসি/নুর রহমান।
অভিযোগ করা হয়– চব্বিশের জুলাইতে সাধারণ মানুষ হত্যা করতে যে স্নাইপারের আক্রমণে টার্গেট কিলিং হয়েছিলো, সেসব প্রশিক্ষিত স্নাইপারদের নিযুক্ত করা ও তাদেরকে পরিচালনার পেছনে ছিলো এই হাসি/নুর। আর তুরস্ক-পাকিস্তানের সাথে লিয়াঁজো রেজ্জা/কুল হায়দার আর মাহমু/দুর রহমান।
“অপারেশন দমন”-এর লক্ষ্য একটাই— যে কোনো উপায়ে আওয়ামী লীগ দমন করা— আরও কিছু লোককে ফাঁসি-যাবজ্জী/বন কারা/দন্ড দিয়ে, এমনকি টার্গেট করে আরও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদেরকে হ/ত্যা করে হলেও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি যেন ডিসেম্বরে মাথা তুলতে না পারে, তারা যেন সংঘবদ্ধ হতে না পারে।
গত দু’বছরে সারা দেশে অবৈধ অ/স্ত্র আর জ/ঙ্গিদেরকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। গত বছর টোকাই আসি/ফ মাহমুদের তত্ত্বাবধানে সরকারি উদ্যোগে প্রশিক্ষণ দিয়ে ৮৫০ জনের একটা তরুণ মিলিশি/য়া জ/ঙ্গি বাহিনীও গঠন করা হয়েছে।
এর সাথে গত মাসেই রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী পাকিস্তানি জাহাজে করে তুরস্ক থেকে ১০ হাজার অ/স্ত্র এনেছে, যেগুলো সংগ্রহ করতে জামা/ত-এনসিপি লং মার্চের নাম করে গাড়ির বহর নিয়ে চট্টগ্রামে গিয়েছিলো। তারপর সেসব অ/স্ত্র ইতিমধ্যে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়াও হয়ে গেছে।
চূড়ান্ত “অপারেশন দখল”-এর আওতায় তাদের প্রথম লক্ষ্য গণভবন দখল করে প্রেসিডেন্ট মীর্জা ফখরুলকে সরিয়ে দিয়ে বিপ্লবী সরকারের ঘোষণা দেওয়া, যে বিপ্লবী সরকারের প্রধান হয়ে বসবে মার্কিন ল্যাপ/ডগ ডক্টর ইউনুস।
তাদের পরিকল্পনা ফাঁস হয়ে যাওয়ায় হয়তো নতুন করে তাদের “দমন-দখল” ষড়/যন্ত্রের রূপরেখা কিছুটা বদলাবে, তবে মোটা দাগে তাদের লক্ষ্য আর সময়সীমা একই থাকবে বলেই ধারণা করা যায়। রাজাকার গোলাম আজম পুত্র আমান আজ/মীর নেতৃত্বে। তাদের নেটওয়ার্কে আছে রাওয়া ক্লাব কেন্দ্রিক একপাল সাবেক সেনা কর্মকর্তা, জা/মাত-এনসিপি, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের কিছু নিষিদ্ধ জ/ঙ্গি সংগঠন, পাকি/স্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএস/আই আর তুর/স্কের এম/আইটি।
একদিকে বিএনপি’র নির্বুদ্ধি/তা ও লোভ, আর অন্যদিকে দালা/ল মিডিয়া আর বলদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতিক্রিয়া/হীনতা আজকের চরম গৃহযু/দ্ধের পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য দায়ী।
আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মুক্তিযু/দ্ধের পক্ষের শক্তি দেশকে শত্রুমুক্ত করতে আরেক নতুন মুক্তিযু/দ্ধে সামর্থের শেষ বিন্দু পর্যন্ত লড়বে, সেটা যেমন সত্য,
তেমনি এ কথাও সত্য যে–
একাত্তরের পরাজিত চরম/পন্থী মৌল/বাদী গোষ্ঠী গত দুই বছরে অনেক শক্তি সঞ্চয় করেছে, আর তারা যে আবার বাংলাদেশকে পুরোপুরি দখল করে একটা ইসলা/মিক প্রজাতন্ত্র বানানোর ৫৫ বছরের লালিত স্বপ্নটাকে এখন ঢিলছোঁড়া দূরত্বে দেখতে পাচ্ছে, সেটাও সত্য।
সংগৃহিত পোস্ট
