পনেরো বছরের ইজারা, অথচ চুক্তির শর্ত জানে না কেউ। ডিপি ওয়ার্ল্ড কত টাকা কীভাবে ঢালবে, কী নিশ্চয়তা দেবে, চুক্তি ভাঙলে কী হবে, বন্দর লাভে থাকবে না লোকসানে, সবই অন্ধকারে। এর মধ্যেই চট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে লাভজনক টার্মিনাল, যেটি একাই প্রায় ৪৪% কনটেইনার সামলায়, বিদেশি কোম্পানির হাতে তুলে দেওয়া হলো।
চুক্তি হলো চট্টগ্রামে নয়, ঢাকার আগারগাঁওয়ে, ঝটিকা গতিতে। ডাকা হয়নি শ্রমিক-কর্মচারীদের কোনো প্রতিনিধিকে, ডাকা হয়নি বন্দর ব্যবহারকারীদেরও। দুই বছর ধরে পুরো প্রক্রিয়া চলেছে কঠোর গোপনীয়তায়। নৌমন্ত্রী শুধু বললেন, দেশের স্বার্থ রক্ষা করেই চুক্তি হয়েছে। কিন্তু চুক্তিতে কী আছে, সেটুকু জানানোর সাহসও দেখাল না সরকার।
এদিকে প্রতিবাদে নামা মানুষের জন্য আছে কড়া হুঁশিয়ারি আর বন্দরজুড়ে পুলিশি পাহারা। জনগণের সম্পদ নিয়ে প্রশ্ন তুললে আইনানুগ ব্যবস্থার ভয় দেখানো হচ্ছে।
বিএনপির তাদের ২০০১-০৬ সালের অপশাসনের সেই পুরোনো খেলাই আবার খেললো, আরও নিঃশব্দে, আরও নির্লজ্জভাবে। বিদেশি কোম্পানির কাছে গোপন চুক্তি করে জনগণকে অন্ধকারে রেখে এভাবেই বিক্রি হয় দেশ! ( আওয়ামীলীগ পেইজ)
