Close Menu

    সাবস্ক্রাইব

    সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।

    জনপ্রিয় সংবাদ

    যে প্রজন্মকে ডাকিনি, তারাই এখন দরজায় কড়া নাড়ছে

    October 10, 2026

    শিল্পকলা একাডেমির সামনের দেয়ালে দশজন মানুষের মুখ

    October 10, 2026

    সোনার ডিম পাড়া হাঁস নিউমুরিং বন্দর : জনগণশুদ্ধ দেশ বেঁচে দেয়ার বিএনপির আরেকটি অভূতপূর্ব নিদর্শন!

    October 10, 2026
    Facebook Instagram WhatsApp TikTok
    Facebook Instagram YouTube TikTok
    JoyBangla – Your Gateway to Bangladesh
    Subscribe
    • হোম পেইজ
    • বিষয়
      • দেশ (Bangladesh)
      • আন্তজাতিক (International)
      • জাতীয় (National)
      • রাজনীতি (Politics)
      • অথনীতি (Economy)
      • খেলা (Sports)
      • বিনোদন (Entertainment)
      • লাইফ স্টাইল (Lifestyle)
      • শিক্ষাঙ্গন (Education)
      • টেক (Technology)
      • ধম (Religion)
      • পরবাস (Diaspora)
      • সাক্ষাৎকার (Interview)
      • শিল্প- সাহিত্য (Art & Culture)
      • সম্পাদকীয় (Editorial)
    • আমাদের সম্পর্কে
    • যোগাযোগ করুন
    JoyBangla – Your Gateway to Bangladesh
    Home » কর্ণফুলী টানেল যেভাবে অকার্যকর করা হলো, ৩৩৬ কোটি টাকার বিকল্প সড়ক নির্মাণ- কেন?
    Bangladesh

    কর্ণফুলী টানেল যেভাবে অকার্যকর করা হলো, ৩৩৬ কোটি টাকার বিকল্প সড়ক নির্মাণ- কেন?

    JoyBangla EditorBy JoyBangla EditorOctober 10, 2026No Comments7 Mins Read
    Facebook WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook WhatsApp Copy Link

    ❐ আয়নাল কারিগর

    চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে ১০ হাজার কোটি টাকায় নির্মিত ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল’-কে কখনো ‘শ্বেতহস্তী’, কখনো ‘লোকসানি প্রকল্প’ আখ্যা দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলছে অপপ্রচার। বলা হচ্ছে, প্রতি মাসে বিপুল অর্থ লোকসান গুণতে হচ্ছে। উদ্বোধনের ৩ বছরেও কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় আয় না করায় এই লোকসান গুণতে হচ্ছে।

    আর সেই লোকসান কাটাতেই নাকি নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ)।

    বঙ্গবন্ধু টানেল ব্যবহার করে চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি কক্সবাজারে যাতায়াতের নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে আনোয়ারা-চন্দনাইশ হয়ে বিদ্যমান সড়কটি প্রশস্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ১৭ কিলোমিটারের সড়কটি প্রশস্ত করতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৩৬ কোটি টাকা। প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে টানেল হয়ে কক্সবাজারগামী যানবাহনের জন্য তৈরি হবে অপেক্ষাকৃত সহজ পথ। এতে কমবে দূরত্ব, সময় ও জ্বালানি খরচ। বাড়বে টানেলের আয়।

    টানেল তৈরির সময় নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রায় যা বলা হয়েছিল

    বঙ্গবন্ধু টানেলের মূল দৈর্ঘ্য ৩.৩২ কিলোমিটার। চীনা ঋণ ও বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে টানেলটি নির্মাণ করা হয়। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। প্রকল্পে ব্যয় হয় ১০ হাজার ৬৮৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৬ হাজার ৭০ কোটি টাকা চীনের এক্সিম ব্যাংক থেকে ঋণ হিসেবে নেওয়া হয়েছে।

    টানেলের প্রথম প্রান্ত পতেঙ্গা নেভাল একাডেমিতে; অন্য প্রান্ত দক্ষিণ চট্টগ্রামের আনোয়ারায়। এই টানেল শুধু চট্টগ্রামের জন্য নয় গোটা দেশের অর্থনৈতিতে বৈপ্লবিক সাড়া জাগাবে, তেমনই পকিল্পনা নেয় আওয়ামী লীগ সরকার। দেশ যুক্ত হওয়ার কথা ছিল এশিয়ান হাইওয়ের সঙ্গে।

    ২০১৩ সালে করা সমীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, টানেল দিয়ে বছরে ৬৩ লাখ গাড়ি চলাচল করতে পারবে। দিনে চলতে পারবে ১৭ হাজার ২৬০টি গাড়ি। ২০২৫ সাল নাগাদ টানেল দিয়ে গড়ে প্রতিদিন ২৮ হাজার ৩০৫টি যানবাহন চলাচল করবে। যার মধ্যে অর্ধেক থাকবে পণ্যবাহী যানবাহন। ২০৩০ সাল নাগাদ প্রতিদিন গড়ে ৩৭ হাজার ৯৪৬টি এবং ২০৬৭ সাল নাগাদ ১ লাখ ৬২ হাজার যানবাহন চলাচলের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা আছে।

    পরিকল্পনায় আরও বলা হয়েছিল, বঙ্গবন্ধু টানেল দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের যোগাযোগ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার পাশাপাশি দক্ষিণ চট্টগ্রামের শিল্প কারখানাসহ অর্থনৈতিক বিপ্লব সাধিত হবে। কক্সবাজার, সেন্টমার্টিন, বান্দরবানসহ পাহাড়, সমুদ্র ও নদীর এই ত্রিমাত্রিক নয়নাভিরাম সৌন্দর্য উপভোগ করতে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষিত করবে। কমে আসবে চট্টগ্রাম নগরীর যানজটও।

    টানেলটির পূর্ব প্রান্তে ৫ কিলোমিটার ও ১ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক রয়েছে। নদীর তলদেশ থেকে ১৫০ ফুট গভীরে দুটি টিউবে রয়েছে যান চলাচলের চার লেনের রাস্তা। মিয়ানমার হয়ে প্রস্তাবিত এশিয়ান হাইওয়ের সঙ্গে সংযুক্তিসহ ৭টি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য টানেলটি নির্মাণ করা হয়। টানেলের পশ্চিম ও পূর্ব পান্তে ৫.৩৫ কিলোমিটার এপ্রোচ সড়ক এবং ৭২৭ মিটার ওভারব্রিজ সম্পন্ন টানেলটি চট্টগ্রাম শহরের সঙ্গে আনোয়ারা উপজেলাকে সংযুক্ত করেছে।

    চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্সের ব্যবসায়ী নেতারাও স্বীকার করেছেন সেসময়, বঙ্গবন্ধু টানেল যোগাযোগ ও অর্থনীতির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা আরো বেগবান হবে। এই টানেলে বদলে যাবে চট্টগ্রামের চেহারা। অর্থনীতির ক্ষেত্রে ইতিবাচক সাড়া ফেলবে।

    সংশ্লিষ্ট এলাকায় ব্যাপক কর্মসংস্থানের সৃষ্টি, রপ্তানি বৃদ্ধি, দারিদ্র দূরীকরণসহ দেশের ব্যাপক আর্থসামাজিক উন্নয়ন সাধিত হবে বঙ্গবন্ধু টানেলের মাধ্যমে। ফলে জিডিপিতে ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশাবাদী ছিলেন অর্থনীতিবিদরা। পাশাপাশি ঢাকা-চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মধ্যে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং এশিয়ান হাইওয়ের সাথে সংযোগ স্থাপনের কথা ছিল।

    কর্ণফুলী নদীর পূর্বপ্রান্তের প্রস্তাবিত শিল্প এলাকার উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা, পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত চট্টগ্রাম শহর, চট্টগ্রাম বন্দর ও বিমানবন্দরের সাথে উন্নত ও সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপনের কথা ছিল। ভ্রমণের সময় ও ব্যয় হ্রাস করা, পূর্বপ্রান্তের শিল্পকারখানার কাঁচামাল ও প্রস্তুতকৃত মালামাল চট্টগ্রাম বন্দর, বিমানবন্দর ও দেশের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে পরিবহন প্রক্রিয়া সহজ হওয়ার কথা ছিল প্রস্তাবনায়।

    টানেল সড়কের সঙ্গে যুক্ত করা হয় মিরসরাই ইকোনমি জোন, আনোয়ারার চীনা ইকোনমিক জোন, বে-টার্মিনাল, মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল। টানেল হয়ে মেরিন ড্রাইভ যাবে কক্সবাজারের টেকনাফ পর্যপ্ত। পরবর্তিতে তা মিয়ানমার হয়ে প্রসারিত হওয়ার কথা চীনের কুনমিং সিটি পর্যন্ত। ঢাকার সাথে ৫০ কিলোমিটার এবং চট্টগ্রাম থেকে পর্যটন রাজধানী কক্সবাজারের দূরত্ব ১৫ কিলোমিটার কমেছে।

    মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরের টার্মিনাল ও চট্টগ্রাম বন্দর- এই দুই বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি-রপ্তানিতে সহজ যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে এই টানেল। আনোয়ারায় এক্সক্লুসিভ চাইনিজ ইকেনোমিক ও কোরিয়ান এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোনের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ারও কথা। সর্বোপরি, নতুন উচ্চতায় পৌঁছে যাবে দেশের অর্থনীতি। বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে শিল্পকারখানা ও পর্যটন শিল্পের।

    পরিকল্পনা বাস্তবায়ন কতটা হয়েছে, লক্ষ্যমাত্রা কি অর্জিত হয়েছে?

    যে কারণে প্রকল্পটিকে শ্বেতহস্তী দাবি করা হচ্ছে, এর পেছনে প্রকল্পটি বাস্তবায়নকারী আওয়ামী লীগ সরকারের দায় কতোটা? আসুন দেখা যাক।

    বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল চট্টগ্রামকে ‘ওয়ান সিটি টু টাউন’ হিসেবে গড়ে তোলা। সেটি বাস্তবায়নে ভাটা পড়েছে ২০২৪-এর আগস্টের রাজনৈতিক পট-পরিবর্তনের কারণে। শুধু যানবাহন চলাচলের পরিমাণই নয়, ইকোনমিক জোনগুলোর কার্যক্রমে স্থবিরতা সবচেয়ে বড় কারণ।

    টানেলে নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই সব ধরনের যানবাহন চলাচলের সুযোগ রাখা হয়নি।

    অনেকের দাবি, সিএনজি অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের মতো হালকা যানবাহন চলাচল করতে দিলে টোলের পরিমাণ বাড়ত। কিন্তু এ ধরনের যানবাহনের জন্য ৩০ কিলোমিটারের মধ্যেই রয়েছে শাহ আমানত সেতু। সেতুর তুলনায় টানেলের টোলের হার বেশি। কারণ টানেল দিয়ে পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল করবে, সেখান থেকে সরকার রাজস্ব আয় করবে, পাশাপাশি ভারী যানবাহনগুলোর দ্রুত ও নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছানোটাও ছিল উদ্দেশ্য।

    কিন্তু ৫ই আগস্টের রাজনৈতিক পট-পরিবর্তনের পর ক্ষমতায় বসা ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের অব্যাহত মব সন্ত্রাস, রাজনৈতিক মামলা-হামলা ও তার অদক্ষ ও দেশবিরোধী নীতিগত সিদ্ধান্তের ফলে অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়ে। শত শত সচল কারখানা বন্ধ হয়ে যায়। আগুন দিয়ে, লুণ্ঠন চালিয়ে, ব্যবসায়ীদের ওপর নিপীড়ন চালিয়ে কারখানাগুলো যেমন ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়, তেমনি কাজ হারায় লাখো শ্রমিক। যার পূর্ণ প্রভাব পড়ে সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর। একইসাথে বিদেশি ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের কাছেও দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়।

    আনোয়ারাসহ টানেল সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে যেসব কারখানায় বিনিয়োগের কথা ছিল, সেসব স্থগিত করেন বিদেশি ব্যবসায়ীরা।

    লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া গাজী টায়ারের মতো অনেক কারখানা

    টানেলের আনোয়ারা প্রান্তে যেসব প্লট বরাদ্দ রাখা হয়েছিল শিল্পকারখানা নির্মাণের জন্য, তা বাস্তবায়িত হয়নি। ২০২৪-এর সেই সংকটের জের এখনো চলছে। উদ্দেশ্যমূলকভাবে অর্থনীতিকে পঙ্গুকরণ, রাজনৈতিক মামলায় কারখানা মালিক-উদ্যোক্তাদের ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন, জ্বালানি সংকটসহ বিভিন্ন কারণে অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো পড়ে আছে অলস।

    ক্ষমতাসীনরা বিদেশি বিনিয়োগ আনতে যেমন ব্যর্থ হয়েছে, তেমনি মুখ থুবড়ে পড়া কারখানাগুলোকে পুনরায় উৎপাদনে ফেরাতে পারেনি। এসব বিপর্যয় বঙ্গবন্ধু টানেলের উপযোগিতাকে পুরোপুরি বাধাগ্রস্ত করেছে।

    আনোয়ারা প্রান্তে যেসব কারখানা স্থাপনের কথা ছিল, জ্বালানি সংযোগের অভাবে তা করা যায়নি। ইপিডেজডগুলোতে যেসব কারখানায় উৎপাদন চলমান ছিল, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে অনেক কারখানা বিদেশি ক্রেতা হারিয়েছে, অনেকের কার্যাদেশ স্থানান্তর করা হয়েছে পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন দেশে। এসব কারখানার যেসব কন্টেইনারবাহী যানবাহন চলাচলের উদ্দেশ্যে টানেলটি নির্মিত হয়, সেই পরিকল্পনা মুখ থুবড়ে পড়েছে।

    এক কথায় বলা যায়, টানেলে এই লোকসানের পেছনে কারণ পুরোটাই রাজনৈতিক। একইসাথে ক্ষমতাসীনদের অদক্ষতা-অব্যবস্থাপনা ও কূটনৈতিক ব্যর্থতা।

    নতুন সড়কটি থেকে প্রাপ্তি কী?

    সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ) দাবি, টানেলটির অধিকতর ব্যবহার নিশ্চিত করতে বিভিন্নভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। কর্মকর্তাদের পর্যবেক্ষণ,বিকল্প সড়ক নেটওয়ার্ক তৈরি হলে টানেলের ব্যবহার বাড়তে পারে।

    এই অবস্থায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চন্দনাইশের গাছবাড়িয়া কলেজ গেইট থেকে আনোয়ারার কালাবিবির দীঘির মোড় পর্যন্ত থাকা বিকল্প সড়কটি প্রশস্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। ‘টানেল কানেক্টিং টু গাছবাড়িয়া সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প’ নামে ইতোমধ্যে প্রকল্পটি একনেকের সভায় অনুমোদন পেয়েছে।

    সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ), চট্টগ্রাম দক্ষিণের নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমা জানান, প্রকল্পের আওতায় আনোয়ারা-কালাবিবির দীঘি থেকে বরকল ব্রিজ পর্যন্ত অংশে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৮২ কোটি টাকা। আর চন্দনাইশের বরকল ব্রিজ থেকে গাছবাড়িয়া কলেজ গেইট পর্যন্ত অংশে ১৪৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে দুই অংশের কাজের টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়ার পর কাজ শুরু হবে।

    সওজ সূত্র জানায়, বরকল ব্রিজ থেকে গাছবাড়িয়া কলেজ গেইট পর্যন্ত অংশের দৈর্ঘ্য প্রায় ১০.২ কিলোমিটার। এ অংশের সড়কের প্রস্থ হবে ১০.৩ মিটার। পুরো সড়কটি বর্তমানে ১৮ ফুট প্রশস্ত। যানবাহনের চাপ ও ভবিষ্যৎ যোগাযোগের প্রয়োজন বিবেচনায় সেটি বাড়িয়ে ৩৪ ফুট করা হবে। এই প্রকল্পের আওতায় সড়কের যেসব অংশে বেশি বাঁক রয়েছে, সেগুলোও সরল করা হবে। এ জন্য কিছু জায়গা নতুন করে অধিগ্রহণের প্রয়োজন হবে।

    গুরুতর প্রশ্ন

    বিএনপি সরকারের দায়িত্বশীলদের দাবি, শুধু যাত্রী পরিবহন নয়, দক্ষিণ চট্টগ্রামের অর্থনীতিতেও এই সড়ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কক্সবাজার পর্যন্ত ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পের সম্ভাবনা বেগবান হবে।

    কিন্তু ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পের যে সম্ভাবনার কথা বলা হচ্ছে, আর সেজন্য যে জ্বালানি, বিদেশি বিনিয়োগ, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও ব্যবসায়ী-রাজনীতিবিদদের হয়রানি বন্ধ হওয়া প্রয়োজন, তা কর্তা ব্যক্তিদের কে বোঝাবে? এসব সমস্যার সমাধান হলে তো আনোয়ারা প্রান্তে কারখানাগুলো দ্রুত স্থাপন ও সচল হতো, ইপিজেডগুলোতে উৎপাদনের জোয়ার দেখা দিতো। আর সেসব বাস্তবায়িত হলে টানেলের উপযোগিতাও বাড়ত। ফলে এই বিকল্প সড়কের ভাবনাটাও আসত না।

    গাছের গোড়া কেটে কি আগায় পানি ঢাললে ফল মিলবে?

    picks
    Share. Facebook WhatsApp Copy Link
    Previous Article১৩৫ সংসদ সদস্যসহ হাজারো জনপ্রতিনিধি কারাবন্দী: রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও বিচারহীনতার নজিরবিহীন কালো অধ্যায়
    Next Article লোডশেডিং আড়াই হাজার মেগাওয়াট, জ্বালানি সংকটে বন্ধ ৩৫ বিদ্যুৎকেন্দ্র
    JoyBangla Editor

    Related Posts

    সোনার ডিম পাড়া হাঁস নিউমুরিং বন্দর : জনগণশুদ্ধ দেশ বেঁচে দেয়ার বিএনপির আরেকটি অভূতপূর্ব নিদর্শন!

    October 10, 2026

    জাতীয় সংসদের ভেতরে এ কারা বসে আছে?

    October 10, 2026

    লোডশেডিং আড়াই হাজার মেগাওয়াট, জ্বালানি সংকটে বন্ধ ৩৫ বিদ্যুৎকেন্দ্র

    October 10, 2026

    ১৩৫ সংসদ সদস্যসহ হাজারো জনপ্রতিনিধি কারাবন্দী: রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও বিচারহীনতার নজিরবিহীন কালো অধ্যায়

    October 10, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    সম্পাদকের পছন্দ

    জাতীয় সংসদের ভেতরে এ কারা বসে আছে?

    October 10, 2026

    কর্ণফুলী টানেল যেভাবে অকার্যকর করা হলো, ৩৩৬ কোটি টাকার বিকল্প সড়ক নির্মাণ- কেন?

    October 10, 2026

    ১৩৫ সংসদ সদস্যসহ হাজারো জনপ্রতিনিধি কারাবন্দী: রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও বিচারহীনতার নজিরবিহীন কালো অধ্যায়

    October 10, 2026

    মিথ্যা মামলার ফাঁদে ঠাসা কারাগার : দক্ষিণ এশিয়ায় এক নম্বর বাংলাদেশ!

    October 8, 2026
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • TikTok
    মিস করবেন না
    Politics

    যে প্রজন্মকে ডাকিনি, তারাই এখন দরজায় কড়া নাড়ছে

    By JoyBangla EditorOctober 10, 20260

    ইব্রাহিম চৌধুরী সমাজ-সংস্কৃতির উঠোনে নতুন প্রজন্মকে আমরা কখনো সাদরে ডাকিনি। বরং এড়িয়ে গেছি, তাদের জীবনযাপনকে…

    শিল্পকলা একাডেমির সামনের দেয়ালে দশজন মানুষের মুখ

    October 10, 2026

    সোনার ডিম পাড়া হাঁস নিউমুরিং বন্দর : জনগণশুদ্ধ দেশ বেঁচে দেয়ার বিএনপির আরেকটি অভূতপূর্ব নিদর্শন!

    October 10, 2026

    জাতীয় সংসদের ভেতরে এ কারা বসে আছে?

    October 10, 2026

    সাবস্ক্রাইব

    সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।

    About Us
    About Us

    মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ ও লালন করে দেশ ও বিদেশের খবর পাঠকের কাছে দুত পৌছে দিতে জয় বাংলা অঙ্গিকার বদ্ধ। তাৎক্ষণিক সংবাদ শিরোনাম ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পেতে জয় বাংলা অনলাইন এর সঙ্গে থাকুন পতিদিন।

    Email Us: info@joybangla.co.uk

    Our Picks

    জাতীয় সংসদের ভেতরে এ কারা বসে আছে?

    October 10, 2026

    কর্ণফুলী টানেল যেভাবে অকার্যকর করা হলো, ৩৩৬ কোটি টাকার বিকল্প সড়ক নির্মাণ- কেন?

    October 10, 2026

    ১৩৫ সংসদ সদস্যসহ হাজারো জনপ্রতিনিধি কারাবন্দী: রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও বিচারহীনতার নজিরবিহীন কালো অধ্যায়

    October 10, 2026

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.