বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারির মরদেহ দাফনে জামায়াতে ইসলামীর বাধা দেওয়ার প্রতিবাদে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর কুশপুত্তলিকা দাহ করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) একদল শিক্ষার্থী।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে আটটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা এলাকায় এ প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা।
ঐতিহাসিক ভাবে দেশের আন্দোলন সংগ্রামের সূতিকাগার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, যেখানে মুক্তিযুদ্ধের সময়ে সবচেয়ে বর্বরোচিত গণহত্যা হয়েছিল, সেইখানে কোন প্রতিবাদ বিক্ষোভের খবর এখনও পাওয়া যায় নি।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, ১০ থেকে ১২ জন শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে যুদ্ধাপরাধী সাঈদীর কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়। কুশপুত্তলিকায় ‘পাকিস্তানের দালাল’ ও ‘যুদ্ধাপরাধী দেইল্যা রাজাকার’ লেখা ছিল।
কর্মসূচি থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারির মরদেহ দাফনে বাধা দেওয়ার অভিযোগের পাশাপাশি তাঁকে যথাযথ রাষ্ট্রীয় সম্মান বা গার্ড অব অনার না দেওয়ার বিষয়েও তীব্র সমালোচনা করেন শিক্ষার্থীরা।
কুশপুত্তলিকা দাহ শেষে শিক্ষার্থীরা একটি প্রতিবাদ সমাবেশ করেন। সেখানে তাঁরা মুক্তিযোদ্ধার মর্যাদা রক্ষা এবং তাঁর দাফন ও রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদানের ক্ষেত্রে যথাযথ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানান বলে জানা গেছে।
তবে মানিক পশারির দাফনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ এবং গার্ড অব অনার না দেওয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও জামায়াতে ইসলামীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে যুদ্ধাপরাধী সাঈদির ৩য় সন্তান মাসুদ সাঈদি মানিক পশরির মুক্তিযুদ্ধ না করা নিয়ে অপতথ্য ছড়াচ্ছেন বলে জানা গেছে।
