গত বছরের ৫ই আগস্টের পর থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর রাজনৈতিকভাবে টার্গেট কিলিং অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার সিলেটে নিজ বাড়ির ছাদে খুন হলেন দক্ষিণ সুরমা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবদুর রাজ্জাক।
৩১শে অক্টোবর, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টা থেকে ৯টার মধ্যে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নিহত আবদুর রাজ্জাক দক্ষিণ সুরমা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি মোল্লারগাঁও ইউনিয়নের তেলিরাই গ্রামের বিশিষ্ট সালিস ব্যক্তিত্ব মরহুম মৌলুল হোসেনের ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ফজরের নামাজ পড়ে প্রতিদিনের মতো নিজ বাড়ির ছাদে হাঁটতে ওঠেন আওয়ামী লীগ নেতা আবদুর রাজ্জাক। সকাল ৯টা বেজে গেলেও নাশতা করতে না আসায় পরিবারের সদস্যরা তার খোঁজ করেন। পরে বাড়ির ছাদে গিয়ে তারা রাজ্জাকের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়।
সিলেট মহানগর পুলিশের মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত উপকমিশনার সাইফুল ইসলাম জানান, সকাল সাড়ে ৬টা থেকে ৯টার মধ্যে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহতের শরীরের বিভিন্ন অংশে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন মিলেছে। হত্যারহস্য উদঘাটন ও অভিযুক্তদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে বলে জানান তিনি।
এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানান স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। অবৈধ ও দখলদার ইউনূস সরকারের ইন্ধনেই সন্ত্রাসী জঙ্গিরা একে একে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নিধন করছে বলে ক্ষোভ জানান দক্ষিণ সুরমা যুবলীগের এক শীর্ষ নেতা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, এটা টার্গেট কিলিং, যে নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা দিতে পারছেনা, গ্রেপ্তার করাতে পারছেনা, তাদেরকে খুন করা হচ্ছে এভাবে গোপনে। এটার পেছনে ড. ইউনূস ও তার জুলাই জঙ্গিরা রয়েছে।
