রাজনৈতিক-সামরিক নানাবিধ অস্থিরতা আর উস্কানি সত্ত্বেও সেই ভারত থেকে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ৫০ হাজার টন সিদ্ধ চাল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউনূস সরকার।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, এই চাল কিনতে ব্যয় হবে ২১৭ কোটি ৬৮ লাখ ৯৩ হাজার ১৭০ টাকা। প্রতি কেজি চালের দাম ধরা হয়েছে ৪৩ টাকা ৫৩ পয়সা।
সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে গতকাল এই চাল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে প্যাকেজ-০৩ এর আওতায় ৫০ হাজার মেট্রিক টন নন বাসমতি সিদ্ধ চাল ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি।
ভারতের মেসার্স গুরুদেব এক্সপোর্টস কর্পোরেশন প্রাইভেট লিমিটেডের কাছ থেকে এই চাল আনতে ব্যয় হবে ২১৭ কোটি ৬৮ লাখ ৯৩ হাজার ১৭০ টাকা। প্রতি মেট্রিক টন চালের দাম পড়বে ৩৫৬.৭৮ মার্কিন ডলার।
২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে ও জনস্বার্থে আন্তর্জাতিক উৎস থেকে ৬ লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনমোদন দেয় অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি।
দেশের সরকারি খাদ্য মজুত বৃদ্ধি করে সরকারি বিতরণ ব্যবস্থা সচল রাখার স্বার্থে ৫০ হাজার মেট্রিক টন নন বাসমতি সিদ্ধ চাল আমদানির জন্য আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করা হলে ৭টি দরপত্র জমা পড়ে। ৭টি প্রস্তাবই আর্থিক ও কারিগরিভাবে রেসপনসিভ হয়।
দরপত্রের সব প্রক্রিয়া শেষে টিইসির সুপারিশকৃত রেসপনসিভ সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠান ভারতের মেসার্স গুরুদেব এক্সপোর্টস কর্পোরেশন প্রাইভেট লিমিটেডের নিকট থেকে প্রতি মেট্রিক টন ৩৫৬.৭৮ মার্কিন ডলার হিসেবে সর্বমোট ১ কোটি ৭৮ লাখ ৩৯ হাজার ডলারে আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রতি কেজি চালের ক্রয়মূল্য ধরা হয়েছে ৪৩ টাকা ৫৩ পয়সা।
