প্রবাসী বাংলাদেশিগণ আজ এক বিবৃতিতে অবৈধ দখলদার খুনি ইউনূসের অবৈধ আইসিটি ট্রাইব্যুনালে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন, এই রায় ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাঁরা বলেন, ফ্যাসিস্ট ইউনূস গং কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত অবৈধ আইসিটি ট্রাইব্যুনালে দেওয়া এই রায় মামলা ট্রাইব্যুনালে উঠার আগেই লিখে রাখা হয়েছিল। সাজানো সাক্ষী-সাবুদ নিয়ে জনগণের চোখে ধুলা দেওয়ার জন্য নাটকের নানা অঙ্কে অভিনয় চালিয়েছে। ১৭ নভেম্বর শুধু নাটক মঞ্চস্থ করেছে। যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে সেগুলোর সঙ্গে জননেত্রী শেখ হাসিনার সংশ্লিষ্টতা প্রসিকিউশন প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েও তাঁর বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে। কারণ, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার শাসনামলে একাত্তরের হত্যা, ধর্ষণ, লুট, অগ্নিসংযোগসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত আলবদর-রাজাকার নিজামী, মুজাহিদ, কাদের মোল্লা, কামরুজ্জামান, সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী, মীর কাশেমদের ফাঁসি হয়েছিল। ঐসব ফাঁসির প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এই ফাঁসির রায়।’
বিবৃতিতে তাঁরা আরো বলেন, ‘জননেত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অবৈধ সরকারের অবৈধ আইসিটি ট্রাইব্যুনালের রায় বাংলাদেশের মানুষের সাথে আমরা প্রবাসীরাও ঘৃণা ভরে প্রত্যাখ্যান করছি।
সেই সাথে ‘ক্যাঙ্গারু কোর্ট’ এর এইসব নাটক ও নাটকের কুশীলব ফ্যাসিস্ট ইউনূস গংদের বলছি, তোমরা খুব তাড়াতাড়ি জনজোয়ারে খড়কুটোর মতো ভেসে যাবে। আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সভাপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আবারো সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে।
জয় বাংলা। জয় বঙ্গবন্ধু। জয় শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
বিবৃতিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের পক্ষে স্বাক্ষর করেন-
সৈয়দ মোজাম্মেল আলী
(যুক্তরাজ্য প্রবাসী),
ড. আনসার আহমেদ উল্লাহ
(যুক্তরাজ্য প্রবাসী),
আলহাজ শামসুদ্দিন খান
(যুক্তরাজ্য প্রবাসী),
ড. আরাফাত খান
(যুক্তরাজ্য প্রবাসী),
আমিনুল হক পলাশ
(যুক্তরাজ্য প্রবাসী),
ড. নুরুন নবী
(যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী),
ইঞ্জিনিয়ার রানা হাসান মাহমুদ
(যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী),
স্বীকৃতি বড়ুয়া
(যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী),
এম. নজরুল ইসলাম
(অস্ট্রিয়া প্রবাসী),
নূরুল আমিন
(কানাডা প্রবাসী),
ড. আবদুল আওয়াল
(কানাডা প্রবাসী)
সহ মোট ২০০১ জন।
