নিজের মেয়ের সঙ্গে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় নির্মম সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন গাছবাড়ী আইডিয়াল ডিগ্রি কলেজের নৈশ প্রহরী উতুল চন্দ্র দাস। তিনি ঝিংগাবাড়ী ইউনিয়নের দর্জিমাটি গ্রামের বাসিন্দা এবং একজন সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদয়ের।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) বাদ মাগরিব কলেজ থেকে বের হয়ে বাজারে যাওয়ার পথে কলেজ পয়েন্ট মোড়ে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন তিনি। হামলায় তার হাতের রগ কেটে গেছে, অবস্থা আশঙ্কাজনক। পরে তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এই ঘটনা আরেকবার প্রমাণ করে, দেশে ইভটিজিং এখন আর বিচ্ছিন্ন অপরাধ নয়—এটি সন্ত্রাসের রূপ নিয়েছে, আর সংখ্যালঘু পরিবারগুলোর জন্য তা আরও ভয়াবহ। অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকারের নীরব পৃষ্ঠপোষকতায় সন্ত্রাসীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে, যেখানে সংখ্যালঘুদের প্রতিবাদ করাই আজ প্রাণনাশের ঝুঁকি।
তবে কি এই বাংলাদেশে এখন একজন বাবা কি তার মেয়ের সম্মান রক্ষা করতেও নিরাপদ নয়?
দেশজুড়ে সংখ্যালঘু নির্যাতন, নারীকে টার্গেট করে ইভটিজিং এবং প্রতিবাদকারীদের ওপর হামলার ধারাবাহিকতা স্পষ্ট করে দিচ্ছে—রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতা নয়, এটি এক ধরনের প্রশ্রয়প্রাপ্ত নৈরাজ্য। কারণ আজ উতুল চন্দ্র দাস, আগামীকাল যে কোনো সাধারণ বাবাই হতে পারে টার্গেট।
