Close Menu

    সাবস্ক্রাইব

    সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।

    জনপ্রিয় সংবাদ

    আমাদের খাবার দাবার- ০৭

    August 11, 2026

     অদৃশ্য শিকলে আধুনিক মানুষ

    August 11, 2026

    দায়ী কেউ না, দায়মুক্ত সবাই!: বাংলাদেশের মানচিত্রে রূপগঞ্জ এখন শুধুই এক অচিহ্নিত গণকবর

    August 11, 2026
    Facebook Instagram WhatsApp TikTok
    Facebook Instagram YouTube TikTok
    JoyBangla – Your Gateway to Bangladesh
    Subscribe
    • হোম পেইজ
    • বিষয়
      • দেশ (Bangladesh)
      • আন্তজাতিক (International)
      • জাতীয় (National)
      • রাজনীতি (Politics)
      • অথনীতি (Economy)
      • খেলা (Sports)
      • বিনোদন (Entertainment)
      • লাইফ স্টাইল (Lifestyle)
      • শিক্ষাঙ্গন (Education)
      • টেক (Technology)
      • ধম (Religion)
      • পরবাস (Diaspora)
      • সাক্ষাৎকার (Interview)
      • শিল্প- সাহিত্য (Art & Culture)
      • সম্পাদকীয় (Editorial)
    • আমাদের সম্পর্কে
    • যোগাযোগ করুন
    JoyBangla – Your Gateway to Bangladesh
    Home » যে দেশে খুনিরাই আইন বানায়, সে দেশে খুনের পর আনন্দ মিছিল করাই তো স্বাভাবিক!
    Bangladesh

    যে দেশে খুনিরাই আইন বানায়, সে দেশে খুনের পর আনন্দ মিছিল করাই তো স্বাভাবিক!

    JoyBangla EditorBy JoyBangla EditorJanuary 8, 2026No Comments5 Mins Read
    Facebook WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook WhatsApp Copy Link

    থানায় বসে একজন লোক স্বীকার করছেন তিনি থানা পুড়িয়েছেন, একজন পুলিশ অফিসারকে জ্বালিয়ে মেরেছেন। ক্যামেরার সামনে, টেবিল চাপড়িয়ে, চিৎকার করে বলছেন তারা সরকার গঠন করেছেন, পুলিশ তাদের প্রশাসনের লোক। পুলিশ অফিসার সেখানে বসে শুনছেন। কোনো গ্রেফতার নেই। পরে যখন সামাজিক মাধ্যমে ভিডিও ভাইরাল হলো, চারদিক থেকে চাপ এলো, তখন গিয়ে একদিন পর তাকে গ্রেফতার করা হলো। আর তারপর? তার সমর্থকরা রাস্তায় নামলো, থানা ঘেরাও করলো, ঢাকায় বিক্ষোভ হলো। পরদিন সকালে জামিন। দুপুরে আনন্দ মিছিল। এটাই এখন বাংলাদেশ।

    মাহদী হাসান যে কথা বলেছেন সেটা ছিল স্পষ্ট। বানিয়াচং থানা তারা পুড়িয়েছে। এসআই সন্তোষ চৌধুরীকে তারা জ্বালিয়ে দিয়েছে। এই কথাগুলো তিনি বলেছেন থানার ভেতরে, পুলিশ অফিসারের সামনে, সাক্ষীদের উপস্থিতিতে, ক্যামেরায় রেকর্ড হওয়া অবস্থায়। আর এখন বলছেন মুখ ফসকে গেছে, স্লিপ অব টাং হয়েছে। কোন ধরনের স্লিপ অব টাং এতো বিস্তারিত? থানা পোড়ানো আর মানুষ পোড়ানোর কথা আলাদা আলাদা করে বলা, সেটা কীভাবে ভুলবশত হয়? আর যদি ভুলই হয়ে থাকে, তাহলে যে অপরাধের দায় তিনি ভুলবশত স্বীকার করলেন, সেই অপরাধের তদন্ত হবে না কেন?

    সন্তোষ চৌধুরীকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছিল সেটা বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম নৃশংস ঘটনা। পাঁচই অগাস্ট দিনভর আলোচনার পর যখন থানায় অবরুদ্ধ পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করা হচ্ছিল, তখন ভিড় থেকে তাকে বাছাই করে ছিনিয়ে নেওয়া হয়, পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরদিন তার লাশ গাছে ঝোলানো হয়। এই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করা কোনো সাধারণ বিষয় নয়। এটা গণহত্যা, এটা পূর্বপরিকল্পিত হত্যা, এটা এমন এক বর্বরতা যার কোনো ব্যাখ্যা হয় না। আর এই হত্যার দায় যিনি স্বীকার করলেন, তিনি জামিনে বেরিয়ে মিছিল করছেন।

    ইউনুসের তথাকথিত সরকার যে শুধু অদক্ষ আর অযোগ্য তা নয়, তারা সম্পূর্ণভাবে অবৈধ। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে সারাদেশে যে দাঙ্গা সংগঠিত হয়েছিল, যেখানে শত শত মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, সরকারি সম্পত্তি পোড়ানো হয়েছে, পুলিশ সদস্যদের হত্যা করা হয়েছে, সেই দাঙ্গা ছিল সুপরিকল্পিত। বিদেশি অর্থায়ন ছিল, জঙ্গি সংগঠনের সহায়তা ছিল, সামরিক বাহিনীর একটা অংশের মদদ ছিল। একটা নির্বাচিত সরকারকে ক্যু করে ফেলে দেওয়া হয়েছে। আর তারপর ক্ষমতায় বসানো হয়েছে মুহাম্মদ ইউনুসকে, যার কোনো নির্বাচনী ম্যান্ডেট নেই, যার কোনো জনসমর্থন নেই, যিনি মূলত একজন সুদী মহাজন ছাড়া আর কিছু নয়।

    এই অবৈধ সরকারের আমলে বাংলাদেশে আইনের শাসন বলতে কিছু অবশিষ্ট নেই। যারা জুলাইয়ের দাঙ্গায় নেতৃত্ব দিয়েছে, যারা খুন করেছে, লুটপাট করেছে, তাদের এখন রাজা বানানো হয়েছে। তারা নিজেদের সমন্বয়ক বলে পরিচয় দেয়। তারা থানায় গিয়ে পুলিশকে হুমকি দেয়। তারা বলে সরকার তারা গঠন করেছে, পুলিশ তাদের প্রশাসনের লোক। আর পুলিশ চুপচাপ বসে থাকে। কারণ পুলিশ জানে, তাদের পেছনে কারা আছে। তাদের গ্রেফতার করলে রাস্তায় বিক্ষোভ হবে, থানা ঘেরাও হবে, আর শেষমেশ তাদের ছেড়ে দিতে হবে।

    মাহদী হাসানের ঘটনা এর প্রমাণ। তাকে গ্রেফতার করার পর তার সমর্থকরা রাতভর থানা অবরোধ করে রেখেছিল। তারা দাবি করেছিল রাতেই আদালত বসিয়ে জামিন শুনানি করতে হবে। ঢাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতারা বিক্ষোভ করেছেন। আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছে। আর পরদিন সকালে জামিন। এটাকে কী বলবেন? এটা কি আইনের শাসন? নাকি এটা জনতার শাসন? যার পেছনে যত বেশি মানুষ, যে যত জোরে চিৎকার করতে পারে, সে তত বেশি ছাড় পায়।

    এই সরকারের আমলে এখন চলছে দায়মুক্তির দাবি। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দাবি করছে পহেলা জুলাই থেকে আট অগাস্ট পর্যন্ত যা কিছু হয়েছে সবকিছুর জন্য তাদের দায়মুক্তি দিতে হবে। অর্থাৎ যারা খুন করেছে, থানা পুড়িয়েছে, পুলিশ পুড়িয়েছে, লুটপাট করেছে, তাদের সবাইকে ছেড়ে দিতে হবে। কারণ তারা নাকি অভ্যুত্থান করেছে। কিন্তু কোন দেশে, কোন সভ্য সমাজে অভ্যুত্থানের নামে খুনের দায়মুক্তি দেওয়া হয়? কোন আইনে গণহত্যার জন্য ক্ষমা চাওয়া যায়?

    ইউনুস সরকার এই দাবির জবাব দিচ্ছে না। তারা নীরব থাকছে। কারণ তারা জানে, এই তথাকথিত সমন্বয়করা, এই দাঙ্গাবাজরাই তাদের শক্তির উৎস। এদের ছাড়া তাদের কিছুই নেই। এদের সমর্থন ছাড়া তারা একদিনও টিকে থাকতে পারবে না। তাই যখন এরা দাবি করে, তখন তাদের মানতে হয়। যখন এরা রাস্তায় নামে, তখন তাদের কথা শুনতে হয়। এটাই এখন বাংলাদেশের বাস্তবতা।

    আইনজীবী শাহদীন মালিক বলেছেন, পুলিশকে হেয় করার এই চেষ্টা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য সহায়ক নয়। কিন্তু শুধু সহায়ক নয় বললে কি হবে? এটা আইনের শাসনের প্রতি সরাসরি আক্রমণ। এটা রাষ্ট্রের কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ। আর সেই চ্যালেঞ্জের মুখে রাষ্ট্র নতি স্বীকার করছে। পুলিশ চুপ করে আছে। প্রশাসন নিশ্চুপ। আদালত জামিন দিচ্ছে। আর অপরাধীরা মিছিল করছে।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক তৌহিদুল হক ঠিকই বলেছেন, এই ঘটনা কেবল একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এর প্রভাব অনেক ব্যাপক। যখন একজন খুনের দায় স্বীকার করার পরও বিক্ষোভের জোরে ছাড়া পায়, তখন বাকিরা কী শিখবে? তারা শিখবে যে আইন মানার কোনো দরকার নেই। শক্তি থাকলেই চলে। রাস্তায় মানুষ নামাতে পারলেই চলে। চিৎকার করতে পারলেই চলে। আর এভাবেই একটা দেশ ধীরে ধীরে জঙ্গলে পরিণত হয়, যেখানে আইনের চেয়ে শক্তির দাম বেশি, যেখানে ন্যায়ের চেয়ে জনতার দাম বেশি।

    পাঁচই অগাস্টের পর থেকে সারাদেশে এই তথাকথিত সমন্বয়করা যা করেছে তার কোনো হিসাব নেই। চাঁদাবাজি হয়েছে, জোরজবরদস্তি হয়েছে, মানুষকে হয়রানি করা হয়েছে। আর সরকার তাকিয়ে দেখেছে। কারণ এরাই তো তাদের ক্ষমতায় বসিয়েছে। এরাই তো তাদের শক্তি। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে তো নিজেদের পায়ে কুড়াল মারা হবে।

    বাংলাদেশ এখন এমন একটা জায়গায় এসে পৌঁছেছে যেখানে আইন আর শাসন আলাদা হয়ে গেছে। আইন আছে, কিন্তু তার প্রয়োগ নেই। শাসন আছে, কিন্তু তার বৈধতা নেই। যারা ক্ষমতায় আছে তারা জনগণের ভোটে আসেনি। যারা রাস্তায় আইনের কথা বলছে তারা নিজেরাই আইন ভাঙছে। যারা পুলিশের সামনে খুনের স্বীকারোক্তি দিচ্ছে তারা পরদিন মিছিল করছে। এর চেয়ে বড় পরিহাস আর কী হতে পারে?

    ইউনুস সরকার যদি সত্যিই দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চায়, যদি সত্যিই ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চায়, তাহলে তাদের এই সমন্বয়কদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। মাহদী হাসান যা বলেছেন তার তদন্ত হতে হবে। বানিয়াচং থানা পোড়ানো আর সন্তোষ চৌধুরীকে পোড়ানোর দায়ীদের শাস্তি হতে হবে। কিন্তু তারা তা করবে না। কারণ তারা জানে, এটা করতে গেলে তাদের নিজেদের ভিত নড়ে যাবে। তাদের যে ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে, সেই ভিত্তিই হলো এই দাঙ্গাবাজরা, এই খুনিরা। তাদের ছুঁতে গেলে নিজেদের পতন হবে।

    তাই বাংলাদেশ এখন এক অদ্ভুত পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। যেখানে অপরাধীরা ক্ষমতাবান, আর সাধারণ মানুষ অসহায়। যেখানে খুনিরা রাস্তায় মিছিল করে, আর পুলিশ নিজেদের সহকর্মীর হত্যাকারীকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। যেখানে সরকার বলতে কিছু নেই, আছে শুধু একটা অবৈধ কাঠামো যা টিকে আছে জনতার ভয়ে, দাঙ্গাবাজদের দয়ায়। এই বাংলাদেশে আইনের শাসন মরে গেছে। এখন চলছে মবের শাসন, জনতার শাসন, যার লাঠি তার ভৈঁষের শাসন।

    Share. Facebook WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমূল্যস্ফীতি আবার বাড়ছে, কৃষি ব্যবস্থাপনায় তালগোলঃ বিদেশী ডিগ্রীপ্রাপ্ত উপদেষ্টাদের ব্যর্থতায় সংকটে দেশ
    Next Article ইউনূস ক্ষমতায়, ঋণ ২১.৪৪ ট্রিলিয়ন ডলার
    JoyBangla Editor

    Related Posts

    দায়ী কেউ না, দায়মুক্ত সবাই!: বাংলাদেশের মানচিত্রে রূপগঞ্জ এখন শুধুই এক অচিহ্নিত গণকবর

    August 11, 2026

    পদ্মা রেলসেতু: কোটি কোটি টাকার সিগন্যাল সরঞ্জাম চুরি, অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ৭০% অচল

    August 10, 2026

    আন্তর্জাতিক মিডিয়ার দৃষ্টিতে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন

    August 8, 2026

    মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম কণ্ঠসৈনিক আরতি ধর

    August 8, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    সম্পাদকের পছন্দ

    আন্তর্জাতিক মিডিয়ার দৃষ্টিতে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন

    August 8, 2026

    আমীর মোহাম্মদের বাউল গানের আসরে বিপুল শ্রোতা, লন্ডনে বিরল উপস্থাপনা

    August 7, 2026

    দিল্লির সংবাদ সম্মেলনে প্রদত্ত শেখ হাসিনার বক্তব্যের  সারসংক্ষেপ

    August 7, 2026

    দিল্লিতে আওয়ামী লীগের সংবাদ সম্মেলনে নওফেল: “বিভেদ নয়, ঐক্যের পথে বাংলাদেশ”

    August 6, 2026
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • TikTok
    মিস করবেন না
    Art & Culture

    আমাদের খাবার দাবার- ০৭

    By JoyBangla EditorAugust 11, 20260

    আফজাল হোসেন বন্ধুত্ব আগাছার মতো এখানে ওখানে জন্মায় না। উপযুক্ত জমি লাগে। একজন নিবেদিত প্রাণ…

     অদৃশ্য শিকলে আধুনিক মানুষ

    August 11, 2026

    দায়ী কেউ না, দায়মুক্ত সবাই!: বাংলাদেশের মানচিত্রে রূপগঞ্জ এখন শুধুই এক অচিহ্নিত গণকবর

    August 11, 2026

    শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে পূর্ণ নিরাপত্তা পাবেন: তথ্য উপদেষ্টা

    August 11, 2026

    সাবস্ক্রাইব

    সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।

    About Us
    About Us

    মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ ও লালন করে দেশ ও বিদেশের খবর পাঠকের কাছে দুত পৌছে দিতে জয় বাংলা অঙ্গিকার বদ্ধ। তাৎক্ষণিক সংবাদ শিরোনাম ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পেতে জয় বাংলা অনলাইন এর সঙ্গে থাকুন পতিদিন।

    Email Us: info@joybangla.co.uk

    Our Picks

    আন্তর্জাতিক মিডিয়ার দৃষ্টিতে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন

    August 8, 2026

    আমীর মোহাম্মদের বাউল গানের আসরে বিপুল শ্রোতা, লন্ডনে বিরল উপস্থাপনা

    August 7, 2026

    দিল্লির সংবাদ সম্মেলনে প্রদত্ত শেখ হাসিনার বক্তব্যের  সারসংক্ষেপ

    August 7, 2026

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.