বাগেরহাট জেলার সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হাসান জুয়েলের প্রতি রাষ্ট্রযন্ত্রের অমানবিক আচরণের অভিযোগ তুলে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
দলের পক্ষ থেকে দেওয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কারাবন্দি অবস্থায় সাদ্দাম হাসান জুয়েলকে তার প্রিয়তমা স্ত্রী ও নিষ্পাপ শিশু সন্তানের জানাজায় অংশগ্রহণ করতে না দেওয়া এবং মানবিক বিবেচনায় প্যারোলে মুক্তি না দেওয়ার ঘটনা মানবাধিকারের চূড়ান্ত ও নির্মম লঙ্ঘন।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, একজন স্বামী ও পিতাকে জীবনের সবচেয়ে বেদনাদায়ক মুহূর্তে তার প্রিয়জনের শেষ বিদায়ে শরিক হতে না দেওয়া কোনো সভ্য রাষ্ট্র, আইনের শাসন কিংবা ন্যূনতম মানবিক মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
আওয়ামী লীগের মতে, এই সিদ্ধান্ত বর্তমান সরকারের প্রতিহিংসাপরায়ণ ও মানবতাবিবর্জিত চরিত্রের প্রতিফলন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে গিয়ে একজন বন্দির মৌলিক মানবিক অধিকার হরণ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদ ও দেশের প্রচলিত আইনের চরম লঙ্ঘন।
দলটি এ ঘটনাকে বিচারহীনতার সংস্কৃতি ও রাষ্ট্রীয় নিষ্ঠুরতার ভয়াবহ নজির হিসেবে আখ্যায়িত করে অবিলম্বে এ ধরনের অমানবিক আচরণ বন্ধের দাবি জানায়। একই সঙ্গে দেশবাসী ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার দৃষ্টি আকর্ষণ করে বাংলাদেশের বন্দিদের মানবাধিকার রক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
