Close Menu

    সাবস্ক্রাইব

    সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।

    জনপ্রিয় সংবাদ

    লন্ডনে রোবটে খাবার ডেলিভারি শুরু: কাজ হারানোর শঙ্কায় প্রবাসী বাংলা রাইডাররা

    October 13, 2026

    জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে ঘিরে প্রবাসীদের প্রতিবাদ, দুয়োধ্বনি এবং প্রশ্নবাণ

    October 13, 2026

    ইউনূসের প্রতিষ্ঠানের কর ফাঁকির ‘ধ্রুপদী নজির’: হাইকোর্টের রায় পর্যবেক্ষণ

    October 13, 2026
    Facebook Instagram WhatsApp TikTok
    Facebook Instagram YouTube TikTok
    JoyBangla – Your Gateway to Bangladesh
    Subscribe
    • হোম পেইজ
    • বিষয়
      • দেশ (Bangladesh)
      • আন্তজাতিক (International)
      • জাতীয় (National)
      • রাজনীতি (Politics)
      • অথনীতি (Economy)
      • খেলা (Sports)
      • বিনোদন (Entertainment)
      • লাইফ স্টাইল (Lifestyle)
      • শিক্ষাঙ্গন (Education)
      • টেক (Technology)
      • ধম (Religion)
      • পরবাস (Diaspora)
      • সাক্ষাৎকার (Interview)
      • শিল্প- সাহিত্য (Art & Culture)
      • সম্পাদকীয় (Editorial)
    • আমাদের সম্পর্কে
    • যোগাযোগ করুন
    JoyBangla – Your Gateway to Bangladesh
    Home » বিদেশি টাকা, জঙ্গি সমর্থন আর সংখ্যালঘু নিপীড়ন : ইউনুসের ক্ষমতার ত্রিমুখী ভিত্তি
    Politics

    বিদেশি টাকা, জঙ্গি সমর্থন আর সংখ্যালঘু নিপীড়ন : ইউনুসের ক্ষমতার ত্রিমুখী ভিত্তি

    JoyBangla EditorBy JoyBangla EditorJanuary 29, 2026No Comments4 Mins Read
    Facebook WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook WhatsApp Copy Link

    স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পেরিয়ে গেছে, কিন্তু বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা আজও নিজের দেশে পরবাসী। রংপুরে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে যে চিত্র উঠে এসেছে, তা কেবল আতঙ্কজনক নয়, লজ্জাজনকও। হিন্দু সম্প্রদায়ের জনসংখ্যা স্বাধীনতার সময় ছিল ২৯ শতাংশ, আজ সেই সংখ্যা নেমে এসেছে মাত্র ৮ দশমিক ৫ শতাংশে। এই ভয়াবহ হ্রাস কোনো স্বাভাবিক জনতাত্ত্বিক পরিবর্তন নয়, এটি সুপরিকল্পিত নিপীড়ন এবং নিরাপত্তাহীনতার ফসল। কিন্তু যে সরকার আজ ক্ষমতায় বসে আছে, যে সরকার ২০২৪ সালের জুলাইয়ের রক্তক্ষয়ী দাঙ্গার মধ্য দিয়ে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করেছে, তারা এই সংকটের সমাধান তো দূরের কথা, বরং সমস্যাটিকে আরও গভীর করে তুলছে।

    মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন এই অবৈধ সরকার, যা বিদেশি অর্থায়ন, ইসলামি জঙ্গিগোষ্ঠীর সমর্থন এবং সামরিক বাহিনীর ছত্রছায়ায় ক্ষমতায় এসেছে, তারা গত ১৭-১৮ মাস ধরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর যে অত্যাচার চালিয়ে যাচ্ছে, তা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। ঘরবাড়ি পোড়ানো, সম্পদ লুটপাট, জোরপূর্বক দখল, এসবই এখন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। নোবেল পুরস্কার বিজয়ী একজন ব্যক্তি, যিনি একসময় দারিদ্র্য বিমোচনের কথা বলতেন, তিনি এখন নিজেই দেশের সবচেয়ে বড় সংকটের অংশীদার হয়ে উঠেছেন।

    রংপুরের সভায় হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি সুশান্ত ভৌমিক যখন বলেন, “নির্বাচন এলেই সংখ্যালঘুদের বুক কাঁপে”, তখন এই কথার মধ্যে দিয়ে একটি পুরো সম্প্রদায়ের আতঙ্কের চিত্র ফুটে ওঠে। কিন্তু এখন তো নির্বাচন নেই, এখন তো গণতন্ত্রের নামে চলছে একচেটিয়া স্বৈরাচার। তারপরও সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা থামেনি, বরং বেড়েছে। এর অর্থ কী? এর অর্থ হলো, ইউনুস সরকারের কাছে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা কোনো অগ্রাধিকারই নয়। বরং মনে হয়, সংখ্যালঘুদের নিঃশেষ করে ফেলাই যেন তাদের এজেন্ডার অংশ।

    দলিত এবং হরিজন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা যখন বলেন যে তারা নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত, যখন তারা স্থায়ী আবাসন এবং শিক্ষার জন্য আকুতি জানান, তখন প্রশ্ন জাগে, এই সরকার আসলে কাদের জন্য কাজ করছে? যে সরকার সংবিধানবহির্ভূতভাবে ক্ষমতায় এসেছে, যে সরকারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে, তারা কীভাবে দেশের সবচেয়ে প্রান্তিক মানুষদের অধিকার রক্ষা করবে? তারা তো নিজেদের অবস্থান টিকিয়ে রাখতেই ব্যস্ত, জনগণের কল্যাণ তাদের কাছে গৌণ।

    আদিবাসী নেতারা যখন বলেন যে প্রশাসনিক অসহযোগিতার কারণে তারা পৈতৃক জমি হারাচ্ছেন, তখন বোঝা যায় যে রাষ্ট্রযন্ত্র নিজেই এখন লুটেরাদের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে। ইউনুস সরকার, যারা সুশাসনের কথা বলে ক্ষমতায় এসেছিল, তারা আসলে চালাচ্ছে এক ধরনের লুটপাটের অর্থনীতি। তাদের পৃষ্ঠপোষকতায় জমি দখল, সম্পদ লুণ্ঠন, এবং সংখ্যালঘু নিপীড়ন চলছে নির্বিঘ্নে।

    স্বর্ণ নারী অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মঞ্জুশ্রী সাহা যখন বলেন যে স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করা লজ্জাজনক, তখন তিনি আসলে পুরো দেশের বিবেকের কাছে একটি প্রশ্ন রেখে যান। কিন্তু এই সরকারের তো কোনো বিবেক নেই। যে সরকার জুলাইয়ের দাঙ্গায় শত শত মানুষের মৃত্যুর দায় এড়িয়ে গেছে, যারা বিদেশি প্রভুদের নির্দেশে দেশ চালাচ্ছে, তাদের কাছে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা কোনো বিষয়ই নয়।

    জিল্লুর রহমান যখন বলেন যে প্রত্যেক মানুষ যদি নিজেকে নিরাপদ মনে না করে তবে গণতন্ত্র অর্থহীন, তখন তিনি একটি মৌলিক সত্য তুলে ধরেন। কিন্তু বাংলাদেশে এখন গণতন্ত্রই নেই, আছে সামরিক সমর্থনপুষ্ট একটি অবৈধ শাসনব্যবস্থা। ইউনুস এবং তার সহযোগীরা যে গণতন্ত্রের কথা বলেন, তা আসলে একটি প্রহসন মাত্র। তারা চান একটি একমুখী সমাজ, যেখানে শুধু তাদের মতো মানুষরাই থাকবে, বাকিরা হয় চলে যাবে, নয়তো নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।

    এই সরকারের কাছে কোনো জবাবদিহিতা নেই, স্বচ্ছতা নেই। তারা যে ক্ষমতায় এসেছে, তা জনগণের ভোটে নয়, বরং একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে। বিদেশি রাষ্ট্রের অর্থায়ন, ইসলামি জঙ্গিদের তৎপরতা, এবং সামরিক বাহিনীর নীরব সমর্থন, এই তিনটি শক্তির মিলিত প্রচেষ্টায় তারা ক্ষমতায় এসেছে। এবং এখন তারা সেই ক্ষমতা ব্যবহার করছে দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ধ্বংস করতে।

    রংপুরের সভায় যে দাবিগুলো উঠে এসেছে, সেগুলো খুবই সাধারণ এবং ন্যূনতম। সংখ্যালঘু এলাকায় সেনাবাহিনী এবং পুলিশের টহল বাড়ানো, নির্বাচনের আগে এবং পরে হামলা বন্ধ করা, এগুলো তো মৌলিক অধিকার। কিন্তু এই সরকার এমনকি এই ন্যূনতম দাবিগুলোও পূরণ করতে ব্যর্থ। কারণ তাদের নিজেদের অস্তিত্বই নির্ভর করছে বিভাজন এবং সংঘাতের ওপর। তারা যদি সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দেয়, তাহলে তাদের পৃষ্ঠপোষকরা খুশি হবে না। তাই তারা নীরব থাকে, অথবা আরও খারাপ, তারা নিজেরাই এই নিপীড়নে অংশ নেয়।

    ইউনুস সরকারের আসল চেহারা এখন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তারা শান্তির নোবেল পুরস্কার বিজয়ীর মুখোশের আড়ালে চালাচ্ছে এক নিষ্ঠুর খেলা। বাংলাদেশ থেকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে নিঃশেষ করে ফেলাই যেন তাদের মূল লক্ষ্য। এবং এই লক্ষ্য অর্জনে তারা যে কোনো পথ অবলম্বন করতে প্রস্তুত। গণতন্ত্র, মানবাধিকার, আইনের শাসন, এসব তাদের কাছে কেবলই শব্দ, যা তারা প্রয়োজনে উচ্চারণ করে, কিন্তু কখনও অনুসরণ করে না।

    এই দেশের সংখ্যালঘুরা আজ এক অস্তিত্বের সংকটে। তারা জানে না আগামীকাল তাদের ঘরবাড়ি থাকবে কি না, তাদের জমি থাকবে কি না, এমনকি তাদের প্রাণ থাকবে কি না। এবং এই সংকটের জন্য দায়ী হলো একটি অবৈধ সরকার, যা ক্ষমতায় এসেছে রক্ত এবং ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে। ইউনুস এবং তার সহযোগীরা ইতিহাসে লেখা হবে দেশদ্রোহী এবং সংখ্যালঘু নিপীড়ক হিসেবে। তাদের এই কালো অধ্যায় বাংলাদেশের মানুষ কখনও ভুলবে না।

    Share. Facebook WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাংলাদেশ : বাতাসে এখন শুধু লাশের গন্ধ
    Next Article ‘নবীগঞ্জের ইতিকথা’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন
    JoyBangla Editor

    Related Posts

    রোটনের জানাজার নামাজে বাধা দেয়ায় আওয়ামী লীগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

    October 12, 2026

    রোটনের জানাজায় বিএনপির মব হামলায় রক্তাক্ত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা

    October 12, 2026

    ভারতের মাটি ব্যবহার করে নেপাল-ভুটানে পণ্য রপ্তানির সুযোগ চাইল বাংলাদেশ

    October 11, 2026

    যে প্রজন্মকে ডাকিনি, তারাই এখন দরজায় কড়া নাড়ছে

    October 10, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    সম্পাদকের পছন্দ

    রোটনের জানাজার নামাজে বাধা দেয়ায় আওয়ামী লীগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

    October 12, 2026

    রোটনের জানাজায় বিএনপির মব হামলায় রক্তাক্ত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা

    October 12, 2026

    এআইয়ের যুগে টিকে থাকবে মানুষের ৩ ধরনের কাজ

    October 12, 2026

    নভেম্বরে রূপপুরের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু

    October 11, 2026
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • TikTok
    মিস করবেন না
    Technology

    লন্ডনে রোবটে খাবার ডেলিভারি শুরু: কাজ হারানোর শঙ্কায় প্রবাসী বাংলা রাইডাররা

    By JoyBangla EditorOctober 13, 20260

    যুক্তরাজ্যের খাদ্য সরবরাহ (ফুড ডেলিভারি) খাতে এক নতুন প্রযুক্তিগত অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে। এখন থেকে…

    জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে ঘিরে প্রবাসীদের প্রতিবাদ, দুয়োধ্বনি এবং প্রশ্নবাণ

    October 13, 2026

    ইউনূসের প্রতিষ্ঠানের কর ফাঁকির ‘ধ্রুপদী নজির’: হাইকোর্টের রায় পর্যবেক্ষণ

    October 13, 2026

    জুন শেষে বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক ঋণ ১১ হাজার ৪৯৮ কোটি ডলার, ৩ মাসেই বেড়েছে ৪১৯ কোটি ডলার

    October 13, 2026

    সাবস্ক্রাইব

    সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।

    About Us
    About Us

    মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ ও লালন করে দেশ ও বিদেশের খবর পাঠকের কাছে দুত পৌছে দিতে জয় বাংলা অঙ্গিকার বদ্ধ। তাৎক্ষণিক সংবাদ শিরোনাম ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পেতে জয় বাংলা অনলাইন এর সঙ্গে থাকুন পতিদিন।

    Email Us: info@joybangla.co.uk

    Our Picks

    রোটনের জানাজার নামাজে বাধা দেয়ায় আওয়ামী লীগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

    October 12, 2026

    রোটনের জানাজায় বিএনপির মব হামলায় রক্তাক্ত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা

    October 12, 2026

    এআইয়ের যুগে টিকে থাকবে মানুষের ৩ ধরনের কাজ

    October 12, 2026

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.