লুসিড ড্রিম
রাষ্ট্রীয় খরচে ওসমান হাদীর জানাযার ইতিহাস জানার আগে এই সত্যগুলো অবশ্যই আপনাকে জানতে হবে 👇
একদল আহম্মক মনে করে, ১৫২৬ সালে মোঘল সম্রাট বাবর ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে মোঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছেন।
👉 আহম্মকের দল জানে না, মোঘল সম্রাট বাবর ইব্রাহিম লোদি সহ ২০ হাজার মুসলমানকে ” প্রথম পানিপথের যুদ্ধ হত্যা করে মোঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছেন ভারতবর্ষকে লুটপাট করার জন্য।
👉১৪৫১ থেকে ১৫২৬ সাল পর্যন্ত ৭৫ বছর লোদি রাজবংশ ভারত শাসন করেছে।এটাও মুসলমানদের শাসন ছিলো। পাকিস্তানের পশতু রাজবংশকে ধ্বংস করে বাবর কীভাবে ইসলামী সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করলেন?
🛑 বাহালুল খান লোদি সৈয়দ রাজবংশকে পরাজিত করে ভারত দখল করে তার সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছেন।সৈয়দ রাজবংশ ( ১৪১৪ থেকে ১৪৫১) সাল পর্যন্ত প্রায় ৩৭ বছর ভারত শাসন করেছে।সৈয়দ রাজবংশ সবসময় নিজেদের নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) বংশধর বলে দাবি করতো।
👉লোদি রাজবংশ সৈয়দ রাজবংশের পতন ঘটিয়ে কোন ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে এসেছিলো?
🛑তুঘলক রাজবংশ ভারতে প্রায় ৯৩ বছর রাজত্ব করেছে। গিয়াসউদ্দিন তুঘলকের রাজবংশ ১৩২০ থেকে ১৪১৩ সাল পর্যন্ত দিল্লীতে রাজত্ব করেছে। মুহাম্মদ বিন তুঘলক সবসময় মানুষকে লঘু পাপে গুরু দণ্ড দিয়ে তুগলকি কর্মকাণ্ড করতেন। তিনি কোন ইসলাম প্রচারের জন্য এসেছেন? ১৪১৪ সালে তৈমুর খানের প্রতিনিধি খিজির খান সৈয়দ বংশ প্রতিষ্ঠা করে তুঘলক রাজবংশকে ক্ষমতাচ্যুত করেন। ক্ষমতার এই লড়াইকে একদল আহম্মক প্রচার করছে, ইসলাম প্রতিষ্ঠার লড়াই 😁
👉 তুঘলক রাজবংশ খিলজি রাজবংশের শেষ সুলতান খসরু খানকে হত্যা করে তাদের রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে।তুঘলকের ৯৩ বছরের শাসনকে আপনি লুটতরাজের শাসন না বলে মুসলমানদের শাসন বলবেন?
🛑১২৯০ থেকে ১৩২০ সাল পর্যন্ত ৩০ বছর খিলজি রাজবংশ ভারত শাসন করেছে।খিলজি রাজবংশ মঙ্গোলদের পরাজিত করে ভারত দখল করেছে।খিলজীরা মামুলুক সালতানাত এর পতন ঘটিয়ে দিল্লী দখল করেছিল।১২০৬ সালে তুর্কি সেনাপতি কুতুবুদ্দিন আইবেক ভারত দখল করে ১১৯২ থেকে ১২০৬ সাল পর্যন্ত ভারতবর্ষ শাসন করেছেন। উসমানীয় সম্রাট সেলিমের মাধ্যমে মিশর ও সিরিয়ার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ১৫১৬ সালে হাজার হাজার মুসলমানদের হত্যা করার মাধ্যমে খিলজি রাজবংশের উদ্ভব ঘটে।
👉 পৃথিবীর কোন ইহুদি , খ্রিস্টান , বৌদ্ধ ও হিন্দুরা এসব হত্যাকান্ড ঘটায়নি। পৃথিবীর ইতিহাসে এই ৭০০ বছরের যুদ্ধ ছিলো মুসলমানদের সাথে মুসলমানদের ক্ষমতা ও রাজ্য দখলের যুদ্ধ।এসবকে ইসলাম প্রতিষ্ঠার যুদ্ধ বললে এর চেয়ে হাস্যকর আর কিছুই হয় না।
🛑 মামুলুক রাজবংশের আগে ভারত শাসন করতো ঘুরি রাজবংশ।১২০৬-১২৯০ সাল পর্যন্ত ঘুরি রাজবংশ ভারত শাসন করেছে।১১৯২ সালে মুহাম্মদ ঘুরির নেতৃত্বে পৃথ্বিরাজ চৌহানকে পরাজিত করার মাধ্যমে আফগানিস্তানের ঘুরিরা ভারতে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করে।এর আগ পর্যন্ত ভারতে কোন ইসলামী সাম্রাজ্য ছিলো না।
👉 মুহাম্মদ ঘুরির মৃত্যুর পর ক্ষমতা নিয়ে মুসলমানদের মধ্যে দ্বন্ধ শুরু হয় এরপর খোয়ারিজমীয়দের আক্রমণের ফলে হাজার হাজার মুসলমান হত্যার মধ্য দিয়ে হেরাত, গোর ও গজনীতে ঘুরি সাম্রাজ্যের পতন হয়। মুসলমানদের এই ক্ষমতার লড়াই পৃথিবীতে নতুন কিছু নয়।
🛑 হযরত মোহাম্মদ এর মৃত্যুর পর খলিফা নির্বাচন নিয়ে দ্বন্ধ থেকে শিয়া ও সুন্নি মুসলমানদের জন্ম।মুসলমানরা নিজেরাই নিজেদের দ্বিতীয় খলিফা ওমরকে হত্যা করে। এখানেই থেমে থাকে না ক্ষমতার যুদ্ধ।মুসলমানরা নিজেরাই খলিফা ওসমানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে তাকে হত্যা করে।আলীর খেলাফতকে কেন্দ্র করে মুসলমানদের নিজেদের মধ্যে সিফফিফিনের যুদ্ধ হয়। হাজার হাজার মুসলমান হত্যার সাথে আলীকেও হত্যা করা হয়।খেলাফত নিয়ে আলীর বিরুদ্ধে রাসুলের স্ত্রী আয়েশা উটের যুদ্ধ করেছিলেন। খিলাফত নিয়ে নাহরাওয়ানের যুদ্ধে এক মুসলমান আরেক মুসলমানকে হত্যা করেছে। মুসলমান হয়ে এজিদ ইমাম হাসান ও হুসেইনকে হত্যা করেছে।এসব ইতিহাস মুসলমানরা ওয়াজের মাইকে লুকিয়ে যায় কেন?
👉 শিয়াদের থেকে উগ্রবাদী এক মুসলমান জঙ্গীদের উত্থান হয়। এদের খারেজী মুসলমান হয়। জামায়াতে ইসলাম হচ্ছে এই খারেজী মুসলমানদের উত্তরসূরী। দিল্লি না ঢাকা স্লোগান দেওয়া হাদীর অনুসারী উগ্র মুসলমানরা হচ্ছে খারেজি মুসলমানদের উত্তরসূরী। এদের মগজের উগ্রতাকে পুঁজি করে ব্রিটিশরা সৌদি আরবে মাওলানা ওহাবকে দিয়ে ওহাবিজম নামক উগ্র মতবাদের সৃষ্টি করেছিল।একই সুযোগ নিয়ে মুসলমানদের জ-ঙ্গী মগজকে কাজে লাগিয়ে মিশরের হাসান আল বান্নাকে দিয়ে জার্মান গোয়েন্দা সংস্থা ” মুসলিম ব্রাদারহুড” প্রতিষ্ঠা করে আরবের দেশগুলোকে টুকরো টুকরো করে দিয়েছে। মুসলমানরাই ক্ষমতার জন্য নিজেদের মধ্যে যুদ্ধ করে লক্ষ লক্ষ মুসলমান হত্যা করেছে।প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পক্ষে অবস্থান নেওয়ার জন্য ওসমানীয় সাম্রাজ্যের পতন হয়েছে।ব্রিটিশরাই জামায়াতে ইসলামীর মওদুদীকে দিয়ে ইসলাম ধ্বংসের জন্য পাকিস্তানের লাহোরে জাযায়াতে ইসলাম নামক জ-ঙ্গী সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেছে।এই জামায়াতে ইসলামীর উগ্রতাবাদ কাজে লাগিয়ে পাকিস্তানের মাটিতে আমেরিকা ১৯৮৮ সালে আল কায়দা ও ১৯৯০ সালে তালেবান নামক জ-ঙ্গী সংগঠনের জন্ম দিয়ে তাদের মাধ্যমে আফগানিস্তান দখল ও পরবর্তীতে আরও ইসলামিক জ-ঙ্গী গোষ্ঠী গঠন করে ইরাক , সিরিয়া ও লিবিয়াকে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করে দিয়েছে। পৃথিবীতে মুসলমানদের পতনের জন্য একমাত্র মুসলমানদের উগ্রতা , জঙ্গীবাদ ও ক্ষমতার লোভ দায়ী।
🛑 হাদীর বিশাল জানাযার ছবি দেখে আমার একটি গল্প মনে পড়েছে। আলাউদ্দিন খিলজি নামে খিলজি রাজবংশের দিল্লীর একজন শাসক ছিলেন।লুইচ্চামির জন্য তিনি খুব বিখ্যাত হলেও মুসলমানরা তাকে ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম সেরা মুসলিম শাসক মনে করে। আলাউদ্দিন খিলজি ক্ষমতার জন্য জালালুদ্দিন খিলজিকে হত্যা করেছিলেন। আলাউদ্দিন খিলজি ছিলেন দিল্লীর বাদশা জালালুদ্দিনের আপন ভাইপো ও তার মেয়ের জামাই। পরবর্তীতে ক্ষমতার লোভে আলাউদ্দিন খিলজি জালালুদ্দিনের ছেলের কাছ থেকে মুলতান দখল করে নিয়েছিলেন।নারী লোভী খিলজি বরঙ্গলের রাজা রতন সিং এর বউ পদ্মাবতীকে ভোগ করার লোভে চিতোর আক্রমণ করেন। এবং রতন সিং কে হত্যা করেন। তিনি নিজেকে সম্রাট আলেকজান্ডার মনে করে মুদ্রায় ও মসজিদের খুতবায় আলেকজান্ডার প্রথা চালু করেছিলেন। এইসব নারী লোভী শাসক যখন মুসলমানদের অনুপ্রেরণা হয় তখন তাদের আরেকটি তিনশো বছরের গল্প শোনাই তাহলে…
👉২০ থেকে ২১ জন মোঘল সম্রাট ১৫২৬- ১৮৫৭ পর্যন্ত ভারতবর্ষ ৩৩০ বছর শাসন ও লুটপাট করেছেন। মোগলদের শেষ সম্রাট ছিলেন বাহাদুর শাহ জাফরের বিবি ছিল ১২ জন।তার সন্তান ছিল)২২ জন পুত্র+ ৩২জন কন্যা)= ৫৪ জন। মোঘলরা ভারতবর্ষ শাসন করে ইসলামের নামে বিবি ও বাচ্চা উৎপাদনের কারখানা খুলেছিল , এটাই সত্য। আপনি এসব অস্বীকার করলেও এটাই সত্য।
🛑 হাদীর জানাযা নিয়ে গো আযমের জানাযার উদাহরণ টেনে যারা ভারত বিরোধিতা ও জানাযা নিয়ে আল জাজিরা ও ওয়াশিংটন পোস্ট নাটক বাংলাদেশে শুরু করেছেন তাদের জাতীয় আহম্মক ছাড়া আর কী বলবো?
👉 ইসলামের খলিফা হযরত ওসমান এর জানাযা হয় রাতের অন্ধকারে। জুবায়ের ইবনে মুতয়িম এর ইমামতিতে হাতে গোনা কিছু মানুষ উপস্থিত হয় ‘ হাশশে কাওকাব ‘ নামক স্থানে।এটা হচ্ছে ‘ যুন নুরাইন ” খ্যাত খলিফা ওসমানের জানাযার দৃশ্য।
👉খারেজি ইবনে মুলজামের হাতে হত্যার শিকার হওয়া শেরে খোদা আলীকে গোপনে কবর দিতে হয়েছে।জানাযায় মানুষ কোথায়?
👉কারবালার প্রান্তরে শহীদ ইমাম হোসাইন ( রা.) এর জানাযা পড়ার মতো লোক পর্যন্ত ছিলো না।অথচ তিনিই ছিলেন জান্নাতি যুবকদের সর্দার।
👉 দোজাহানের মালিক রাসুলের জানাযায় তার পরিবার আর অল্প কিছু সংখ্যক মানুষ ছাড়া আর কেউই ছিলেন না।
👉 বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জানাযায়ও মানুষ হয়নি।
🛑 রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ও দাফটের কারণে তথাকথিত ” শাউয়ার কবি ” ওসমান হাদীর মতো জাঁকজমকপূর্ণ জানাজা হয়েছে ফেরাউন , নমরুদ ও জালিম শাসক হাজ্জাজ বিন ইউসুফ ও ইমাম হাসান হোসেনের হত্যাকারী ইয়াজিদের মতো ব্যাক্তিদের। তাদের জানাযায় লক্ষ লক্ষ মানুষের ঢল নেমেছে। ওসমান হাদী এই দেশে ইসলাম প্রচারের জন্য আসেননি। ওসমান হাদী ইসলামের নবী , খলিফা এমনকি মোঘল শাসকও ছিলেন না। ওসমান হাদী ছিলেন ৭১ এর নরঘাতক কসাই কাদের ও গো আযমের ভক্ত। ওসমান হাদী কি রাসুল , খলিফা ওসমান , আলী ও ইমাম হোসাইন থেকেও জনপ্রিয় কেউ? অথচ ” শাউয়ার কবি” হয়ে আজ বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের পাশে সমাধিস্থ। সমগ্র মানব জাতির জন্য এই এক ভয়ানক লজ্জা ছাড়া আর কিছুই নয়। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে আগুন দেওয়া, গোপালগঞ্জে সিক্স মার্ডার এরপর শাউয়া মাউয়া ছিঁড়ে ফেলা হাদীর জানাযার মতো ইমাম হোসাইন এর হত্যাকারী ইয়াজিদ ও জালিম হাজ্জাজ বিন ইউসুফের জানাযায় ও লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাবেশ ঘটেছে। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় একজন রিক্সাওয়ালার জানাযা পড়া হলেও লক্ষ লক্ষ মানুষ হবে। তাই বলে ” শাউয়ার কবি” কোনদিন বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হতে পারবে না। ইতিহাস সাক্ষী পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জানাযা হয়েছে হয়েছে ভারতের নটরাজন আন্নাদুরাই এর মৃত্যুতে ।১ কোটি ৫০ লাখ মানুষ সমাবেশ হয়েছিল সেই শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে।
🛑 ওসমান হাদীর একমাত্র যোগ্যতা হচ্ছে ত্রিশ লক্ষ শহীদের হত্যাকারী রাজাকার গো আযম ও কসাই কাদেরের অনুসারী হওয়া।ক্ষমতার লোভ এদের অন্ধ করে দিয়েছে।ক্ষমতার লোভ থেকেই এদের পেটে ভারত বিরোধিতা নামক গুঁড়ো কৃমির উৎপত্তি ও পায়ুপথে চুলকানি রোগের আবির্ভাব। এদের কাছে ভারতের ৭০০ বছরের মুসলিম শাসনকে ইসলাম প্রতিষ্ঠার শাসন মনে হলেও আদতে তা ছিল ধর্ষণ ও লুটপাটের শাসন।একজনকে হত্যা করে আরেকজনের ক্ষমতা দখলের ইতিহাস।ক্ষমতার লোভে হাদীরা গো আযম হয়ে সিজ্রোফোনিয়া নামক মানসিক রোগে আক্রান্ত। পাকিস্তানের ২৩ বছরের লুটপাটের ইতিহাস ও ত্রিশ লক্ষ শহীদের হত্যার খুনীদের তাই তাদের কাছে জাতীয় বীর মনে হয়।নিয়াজীর পরাজয়কে এদের কাছে ভারতের ষড়যন্ত্র মনে হয় , বাংলাদেশের ৪ লক্ষাধিক নারীদের ধর্ষক রাজাকারদের অপকর্ম এদের কাছে জান্নাতের রাস্তা মনে হয়। এজন্য হাদীরা হচ্ছে এই যুগের এয়াজিদ ও জালিম শাসক হাজ্জাজ বিন ইউসুফের অনুসারীরা ছাড়া আর কিছুই নয়। এজন্য এদের জানাযায় লক্ষ লক্ষ মানুষ হয়। কিন্তু রাসুল (সা:), ওসমান, আলী ও ইমাম হোসাইনের জন্য জানাযায় মানুষ হয় না। হাদীকে পৃথিবীতে স্মরণীয় করে রাখার জন্য তাকে কাজী নজরুল ইসলামের পাশে কবর না দিয়ে মক্কায় কবর দেয়া উচিত ছিল। তাহলে হয়তো সারাবিশ্ব চিনতো হাদী নামে একজন ইসলামের সেবক ছিলো , যে রোজ ভারতের সেভেন সিস্টার্স দখলের স্বপ্ন দেখতো।
👉 ভারতে কবর দিলেও হাদীর এই কবর থাকতো।যেভাবে চিতোর আক্রমণ করে হাজার হাজার হিন্দু হত্যা করা আলাউদ্দিন খিলজির কবর এখন দিল্লীতে স্বসম্মানে আছে ও থাকবে।এটাই ভারত। এখানে সম্প্রীতি ও গণতন্ত্রের চর্চা হয়। ভারতের মানুষ তাদের জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধীর কবর ভাঙতে যায় না।এমনকি পাকিস্তানের জাতির পিতা জিন্নাহর কবর ভারতে থাকলেও সেই খবর ভাঙতে কোন হিন্দু যেতো না।অথচ বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর কবর ভাঙার উস্কানি দাতা ওসমান গণি নাম পাল্টে ওসমান হাদী হয়ে এখন বাংলাদেশের” শাউয়ার কবি”। ভবিষ্যতে এই কবর থাকবে কিনা এটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।।
মুসলমানদের উপরেল্লেখিত ইতিহাস তাই বলে।।যেদেশে মুসলমান হয়েও বঙ্গবন্ধুর কবর ভাঙার উস্কানি দেয় আরেকদল মুসলমান, মঈনুদ্দীন খান বাদলের কবরে হামলা ও আগুন ধরিয়ে দেয়া হয় , সেই দেশে ‘ শাউয়ার কবি ‘ ও তার কবর কতদিন থাকে তাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্নবোধক ও আলোচনার বিষয়।।
(পোস্টে কোন খারাপ শব্দ ব্যবহার করে থাকলে আমি পাঠকদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখিত।তবে এর চেয়ে ভালো কোন শব্দ আমি আমার ডিকশনারিতে খুঁজে পাইনি বলে পাঠকদের কাছে ক্ষমা চাই। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ধর্মান্ধতা নামক অভিশাপের বিরুদ্ধে আমার এই যুদ্ধ মৃত্যুর শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত চলবে। মানুষ হওয়ার এই সংগ্রামে আপনাদের স্বাগত জানাই।)
ধর্ম নিয়ে রাজনীতি ভারতীয় উপমহাদেশে নতুন কিছু নয়।এসব ধর্ম ব্যাবসায়ীদের হাজার হাজার বছরের পুরনো ভণ্ডামি।এসব ভণ্ডামির মুখোশ খুলতে পাশে থাকুন। আজ ইতিহাসের খুব ছোট একটা অংশের বর্ণণা দিলাম। আশাকরি ধর্ম ব্যাবসায়ী ভণ্ডদের চরিত্র আপনাদের কাছে এখন আয়নার মত পরিস্কার।। রাসুলের মৃত্যুর পর সমগ্র পৃথিবীতে মুসলমানদের শাসনের ইতিহাস আর হাদীদের ধর্মব্যাবসার মুখোশ এক সুত্রে গাঁথা।এদের একটাই মাত্র উদ্দেশ্য তা হচ্ছে ক্ষমতা। এজন্য নিজেরা নিজেদের হত্যা করতেও এরা দ্বিধাবোধ করেনি, করবে না।এটি ইতিহাসের একটি প্রমাণিত সত্য।সত্য সবসময় সুন্দর। লুসিড ড্রিম ২৪-১২-২০২৫
