Close Menu

    সাবস্ক্রাইব

    সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।

    জনপ্রিয় সংবাদ

    তুরিন আফরোজ জীবনে কোনদিন আওয়ামী লীগ করেননি

    September 12, 2026

    ক্ষমতার মসনদ বদলালেও বদলায়নি বিএনপির জুলুমের রাজনীতি!

    September 12, 2026

    চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর বড় ‘অপরাধ’ তিনি ‘ভগবান বিচার করবে’ বলে চুপ থাকেননি

    September 12, 2026
    Facebook Instagram WhatsApp TikTok
    Facebook Instagram YouTube TikTok
    JoyBangla – Your Gateway to Bangladesh
    Subscribe
    • হোম পেইজ
    • বিষয়
      • দেশ (Bangladesh)
      • আন্তজাতিক (International)
      • জাতীয় (National)
      • রাজনীতি (Politics)
      • অথনীতি (Economy)
      • খেলা (Sports)
      • বিনোদন (Entertainment)
      • লাইফ স্টাইল (Lifestyle)
      • শিক্ষাঙ্গন (Education)
      • টেক (Technology)
      • ধম (Religion)
      • পরবাস (Diaspora)
      • সাক্ষাৎকার (Interview)
      • শিল্প- সাহিত্য (Art & Culture)
      • সম্পাদকীয় (Editorial)
    • আমাদের সম্পর্কে
    • যোগাযোগ করুন
    JoyBangla – Your Gateway to Bangladesh
    Home » যে দেশে সংখ্যালঘুদের সংসদে আসা নিষিদ্ধ, সেই দেশ কার?
    Politics

    যে দেশে সংখ্যালঘুদের সংসদে আসা নিষিদ্ধ, সেই দেশ কার?

    JoyBangla EditorBy JoyBangla EditorFebruary 19, 2026No Comments4 Mins Read
    Facebook WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook WhatsApp Copy Link

    বরগুনার বামনায় জামায়াতের জনসভায় আফজাল হোসেন নামের যে লোকটা মাইক হাতে দাঁড়িয়ে বললেন “৮০ পার্সেন্ট মুসলমানের এই দেশে কোনো বিধর্মী বা অশোভনীয় সংসদ প্রতিনিধি থাকতে পারে না”, তিনি আসলে কী বললেন সেটা একবার ভেবে দেখা দরকার। তিনি বললেন, এই দেশে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান কেউ জনপ্রতিনিধি হতে পারবে না। শুধু তাই নয়, তিনি আরও স্পষ্ট করে বললেন চোরের হাত কেটে দেওয়ার শাসন চান তিনি। জামায়াতের মনোনীত প্রার্থীর সামনে দাঁড়িয়ে, জামায়াতের মঞ্চ থেকে এই কথা বলা হলো, এবং সেখানে উপস্থিত কেউ একটা শব্দও বললেন না।

    এটা কোনো দুর্ঘটনা নয়। এটা জামায়াতে ইসলামীর আসল চেহারা, যেটা ২০২৪ সালের জুলাই মাসে সারাদেশে যে নৈরাজ্য সৃষ্টি করা হয়েছিল তার মধ্য দিয়ে আরেকবার প্রমাণিত হলো। একটা নির্বাচিত সরকারকে সরিয়ে দিয়ে, রাস্তায় মানুষ মেরে, পুলিশ সদস্যদের হত্যা করে, সরকারি সম্পত্তি জ্বালিয়ে দিয়ে যে ক্ষমতা দখল করা হয়েছে, সেই ক্ষমতার আসল উদ্দেশ্য এখন পরিষ্কার। মুহাম্মদ ইউনূস যে অন্তর্বর্তী সরকার চালাচ্ছেন, সেখানে জামায়াতের প্রকাশ্য পৃষ্ঠপোষকতায় এখন দেশকে একটা ধর্মীয় রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করার প্রকল্প চলছে।

    এই দেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা হঠাৎ করে শুরু হয়নি। জুলাই মাসের পর থেকে সারাদেশে কয়েক হাজার হিন্দু, খ্রীষ্টান পরিবার আক্রান্ত হয়েছে। চার্চে বোমা মারা হয়েছে, মন্দির ভাঙা হয়েছে, দোকান লুট হয়েছে, বাড়িঘর জ্বালানো হয়েছে। আর এখন প্রকাশ্যে জামায়াতের মঞ্চ থেকে বলা হচ্ছে যে বিধর্মীরা সংসদে আসতে পারবে না। এটা আর ষড়যন্ত্র তত্ত্ব নয়, এটা বাস্তব। যারা বলছিলেন জুলাই মাসের আন্দোলন ছাত্রদের করা, তাদের কাছে এখন কী জবাব আছে? ছাত্ররা কি চায় যে এই দেশে সংখ্যালঘুরা সংসদে যেতে না পারুক?

    মুহাম্মদ ইউনূসের ভূমিকা এখানে প্রশ্নবিদ্ধ হওয়া উচিত। নোবেল পুরস্কার পাওয়া একজন মানুষ যিনি নিজেকে গণতন্ত্রের সমর্থক বলে দাবি করেন, তিনি কীভাবে এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি হতে দিলেন যেখানে জামায়াতে ইসলামী প্রকাশ্যে সংখ্যালঘু বিদ্বেষ ছড়াতে পারছে? তিনি কি জানেন না যে জামায়াত ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সাথে মিলে এই দেশের মানুষ হত্যা করেছিল? তিনি কি জানেন না যে জামায়াত কখনো বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে মেনে নেয়নি? তবুও এই সংগঠনকে রাজনৈতিক জায়গা দেওয়া হচ্ছে কেন?

    উত্তরটা খুব সহজ। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে যে দাঙ্গাটা হয়েছে, সেটা শুধু ছাত্রদের আন্দোলন ছিল না। সেখানে বিদেশি শক্তির অর্থ ছিল, সেনাবাহিনীর একাংশের সমর্থন ছিল, এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে জামায়াতে ইসলামীর সশস্ত্র ক্যাডাররা ছিল। যারা পুলিশ সদস্যদের মেরেছে, যারা সরকারি ভবন জ্বালিয়েছে, যারা হিন্দু বাড়িতে হামলা করেছে, তারা কারা ছিল? এই প্রশ্নের জবাব কেউ দিচ্ছে না, কিন্তু বরগুনার মঞ্চ থেকে যে কথা বলা হলো তা এই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দিয়েছে।

    জামায়াতের এই বক্তব্যের পর যদি কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে বুঝতে হবে বাংলাদেশ আর আগের বাংলাদেশ নেই। আফগানিস্তানে তালেবান যেভাবে ক্ষমতায় এসে দেশটাকে মধ্যযুগে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে, সিরিয়ায় যেভাবে ইসলামিক জঙ্গিরা দেশটাকে ধ্বংস করে দিয়েছে, ইয়েমেনে যেভাবে হুথিরা একটা সভ্য দেশকে যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করেছে, বাংলাদেশও সেই পথেই হাঁটছে। এবং এর দায় শুধু জামায়াতের নয়, মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার তথাকথিত অন্তর্বর্তী সরকারের ওপরও।

    যে দেশে সংবিধান অনুযায়ী সব নাগরিক সমান অধিকার পাবেন, সেই দেশে এখন প্রকাশ্যে বলা হচ্ছে বিধর্মীরা সংসদে যেতে পারবে না। এটা শুধু সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে হুমকি নয়, এটা বাংলাদেশের সংবিধান এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরুদ্ধে সরাসরি আক্রমণ। ১৯৭১ সালে এই দেশ স্বাধীন হয়েছিল একটা অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে। আজ সেই স্বপ্নকে মাটিতে মিশিয়ে দেওয়া হচ্ছে, এবং এর নেতৃত্ব দিচ্ছে যুদ্ধাপরাধীদের দল জামায়াতে ইসলামী।

    বরগুনার ঘটনার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেছেন, লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই জবাব কি যথেষ্ট? একজন লোক প্রকাশ্যে সংবিধান লঙ্ঘন করে কথা বলছে, সংখ্যালঘুদের অধিকার কেড়ে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছে, আর প্রশাসন বলছে লিখিত অভিযোগ লাগবে? এটা কি রাষ্ট্রের দায়িত্ব নয় যে নিজে থেকে ব্যবস্থা নেবে? নাকি এখন রাষ্ট্রযন্ত্র জামায়াতের হাতে চলে গেছে?

    প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশের মানুষ কি এই পথে হাঁটতে চায়? যে দেশে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান সবাই মিলে একসাথে লড়াই করে স্বাধীনতা এনেছিল, সেই দেশে এখন কি বলা হবে যে শুধু মুসলমানরাই সংসদে যেতে পারবে? ১৯৭১ সালে শহীদ হওয়া লাখো মানুষের রক্তের দাম কি এই? মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া হাজারো হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান যোদ্ধাদের ত্যাগ কি এভাবে অস্বীকার করা হবে?

    জামায়াতে ইসলামী কখনো বাংলাদেশের বন্ধু ছিল না, আজও নেই। এই সংগঠন চায় বাংলাদেশকে পাকিস্তানের মতো একটা ধর্মীয় রাষ্ট্রে পরিণত করতে, যেখানে সংখ্যালঘুদের কোনো জায়গা থাকবে না। আর মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার সহযোগীরা এই কাজে পুরোপুরি সাহায্য করছেন। নইলে কীভাবে সম্ভব যে প্রকাশ্যে এমন বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে, আর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না?

    বাংলাদেশ এখন একটা মোড়ে দাঁড়িয়ে আছে। হয় এই দেশ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ফিরে যাবে, নয়তো তালেবানি আফগানিস্তান হয়ে যাবে। মাঝামাঝি কোনো রাস্তা নেই। জামায়াত যদি ক্ষমতায় থাকে, তাহলে এই দেশে সংখ্যালঘুদের জায়গা থাকবে না, নারীদের অধিকার থাকবে না, মুক্তচিন্তার জায়গা থাকবে না। থাকবে শুধু ধর্মের নামে নিপীড়ন, মধ্যযুগীয় শাস্তি, আর সাম্প্রদায়িক বিভাজন। এবং এই দায় শুধু জামায়াতের নয়, যারা জামায়াতকে এই জায়গায় আসতে সাহায্য করেছে, তাদেরও।( আ্ওয়ামীলীগ পেইজ)

    Share. Facebook WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআবারও ভূমিকম্প, উৎপত্তিস্থল ছাতক
    Next Article বিক্ষোভের মুখে পত্রপাঠ বিদায় নিলেন বাসস এমডি মাহবুব মোর্শেদ
    JoyBangla Editor

    Related Posts

    তুরিন আফরোজ জীবনে কোনদিন আওয়ামী লীগ করেননি

    September 12, 2026

    ক্ষমতার মসনদ বদলালেও বদলায়নি বিএনপির জুলুমের রাজনীতি!

    September 12, 2026

    প্রত্যাবর্তন না ” শেখ হাসিনা বসন্ত “

    September 12, 2026

    মেঘমল্লার বসু  কেন বার বার আত্মহত্যা করতে চায়?

    September 12, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    সম্পাদকের পছন্দ

    প্রত্যাবর্তন না ” শেখ হাসিনা বসন্ত “

    September 12, 2026

    দিল্লীতে ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন: কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা

    September 12, 2026

    আওয়ামী লীগের মিছিল, অনেকের চোখ ছানাবড়া

    September 11, 2026

    ব্যাংক লুটের নতুন ইতিহাস লিখলো বিএনপি-জামাত!

    September 9, 2026
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • TikTok
    মিস করবেন না
    Politics

    তুরিন আফরোজ জীবনে কোনদিন আওয়ামী লীগ করেননি

    By JoyBangla EditorSeptember 12, 20260

    সুষুপ্ত পাঠক তুরিন আফরোজ জীবনে কোনদিন আওয়ামী লীগ করেননি। তিনি ছিলেন যুদ্ধাপরাধী ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর। কুখ্যাত…

    ক্ষমতার মসনদ বদলালেও বদলায়নি বিএনপির জুলুমের রাজনীতি!

    September 12, 2026

    চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর বড় ‘অপরাধ’ তিনি ‘ভগবান বিচার করবে’ বলে চুপ থাকেননি

    September 12, 2026

    প্রত্যাবর্তন না ” শেখ হাসিনা বসন্ত “

    September 12, 2026

    সাবস্ক্রাইব

    সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।

    About Us
    About Us

    মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ ও লালন করে দেশ ও বিদেশের খবর পাঠকের কাছে দুত পৌছে দিতে জয় বাংলা অঙ্গিকার বদ্ধ। তাৎক্ষণিক সংবাদ শিরোনাম ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পেতে জয় বাংলা অনলাইন এর সঙ্গে থাকুন পতিদিন।

    Email Us: info@joybangla.co.uk

    Our Picks

    প্রত্যাবর্তন না ” শেখ হাসিনা বসন্ত “

    September 12, 2026

    দিল্লীতে ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন: কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা

    September 12, 2026

    আওয়ামী লীগের মিছিল, অনেকের চোখ ছানাবড়া

    September 11, 2026

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.