দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) জমা পড়া একাধিক অভিযোগে সাবেক আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে সাব-রেজিস্ট্রার পদায়ন ও বদলি সংক্রান্ত বিপুল অঙ্কের দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে তিনি ঢাকা ও আশপাশের লাভজনক এলাকার সাব-রেজিস্ট্রার পদগুলোতে বদলি-পদায়নের নামে ৫০ লাখ থেকে ২ কোটি টাকা পর্যন্ত ঘুষ গ্রহণ করেছেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই ড. আসিফ নজরুল উত্তরা, বাড্ডা, গুলশান, সাভারের মতো উচ্চ আয়ের এলাকার সাব-রেজিস্ট্রার পদে ব্যাপক বদলি করেন। এসব লাভজনক পদে নিয়োগ-বদলির বিনিময়ে তিনি কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। দুদকে জমা পড়া অভিযোগগুলোতে এই ধরনের লেনদেনের বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া তার বিরুদ্ধে মামলা বাণিজ্য, জামিন বাণিজ্য, বিচারক পদায়নে দুর্নীতি, অর্থ পাচারসহ এক ডজনেরও বেশি অভিযোগ রয়েছে। সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে সামগ্রিকভাবে শত শত অভিযোগ জমা পড়ার মধ্যে আসিফ নজরুলের নাম সবচেয়ে বেশি উঠে এসেছে।
দুদক সূত্র জানিয়েছে, এসব অভিযোগ তদন্তের আওতায় আনা হচ্ছে। প্রমাণিত হলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে ড. আসিফ নজরুলের কোনো প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি।
এ ধরনের অভিযোগগুলো প্রশাসনিক ও রেজিস্ট্রি বিভাগে দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরছে, যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।
