ব্রাত্য রাসু
নতুন অনেক দল হইছে ও হইতেছে। এনসিপি, এনপিএ, অল্টারনেটিভস ইত্যাদি।
রাজনৈতিকভাবে এই দলগুলির যেই চরিত্রটা কমন তা হইল ইসলামিক চরিত্র। সঙ্গে উদার বামের হালকা মিশ্রণ।
অর্থাৎ দলগুলি সেকুলার বা বাম বৈশিষ্ট্যকে ব্যবহার কইরা ইনক্লুসিভ রাজনীতির নামে মূলত উদার ইসলামী চরিত্রকে প্রধান কইরা তুলতেছে।
মনে হইতে পারে যে তারা কৌশলগতভাবে ইসলামকে ব্যবহার করতেছে। কিন্তু না, তারা আসলে বামদেরই বা উদারপন্থীদেরই ব্যবহার করতেছে।
এইরকম ধর্ম গ্রহণকারী রাজনৈতিক দল ইন্ডিয়াতেও আছে। যারা মূলত উদারপন্থী সেকুলারদের ব্যবহার কইরা বিজেপির পারপাস সার্ভ করে। ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায়।
রাজনীতির মাঠে কোন উদারপন্থাগুলি কট্টরপন্থী দলের সমর্থনে একত্রিত হইতেছে, তার উপর নির্ভর করে আপনি কীভাবে দেশে থাকবেন বা থাকতে পারবেন না। বা আপনার ভবিষ্যৎ কী হবে।
এবং এই দলগুলির যারা সদস্য তাদের অধিকাংশই আবার বাম হইতে আসা।
কেন সচেতন রাজনীতি করা লোকেরা ধর্মনিরপেক্ষ দলের বদলে ইসলাম প্রধান দল করতে চায় তা ভাবা দরকার।
এইটার রাজনৈতিক বিশ্লেষণের আগে সামাজিক বিশ্লেষণ দরকার।
আরেকটা প্রশ্ন আমি উত্থাপন করতে চাই তা হইল, এই দলগুলি কি জামায়াতে ইসলামীর বিকল্প নাকি বিরোধী?
ছোট দলগুলি কি জামায়াতের ছত্রচ্ছায়ায় তৈরি হইতেছে, বামদের উচ্ছেদ করার নিমিত্তে?
নাকি এই দলগুলিই বরং জামায়াতকে প্রতিহত করবে নিকট ভবিষ্যতে?
এগুলি কেবলই প্রশ্ন। তবে এই প্রশ্নের উত্তর দানের উপর ভবিষ্যৎ রাজনীতি কোন দিকে আমরা নিতে চাই তা নির্ভর করে।
অনেক বেশি দল হওয়া মানে দেশে অনেক বেশি গণতন্ত্র হওয়া—তা নিশ্চয়ই নয়।
১৪/৩/২০২৬
