ঈদ মোবারক, প্রিয় দেশবাসী,
আসসালামু আলাইকুম। সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা। পবিত্র রমজান মাসের সিয়াম সাধনার পর এলো আনন্দের ঈদ। এক মাসের সংযম আমাদের মানবিকতা, সহনশীলতা হতে শিক্ষা দেয়। শিক্ষা দেয় আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়ার। পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও মর্যাদার ভিত্তিতে একটি মানবিক বিশ্ব গড়ার প্রত্যাশা আমাদের সবার।
প্রিয় দেশবাসী,
স্বদেশ থেকে দূরে থেকেও আজকের পবিত্র ঈদের দিনে প্রত্যাশা করি দেশের প্রতিটি মানুষ ভালো থাকুক। দেশের প্রতিটি খেটে খাওয়া, শ্রমজীবী মানুষের কাছে ঈদ উৎসব হয়ে উঠুক। আমি সবসময় চেষ্টা করেছি আমার দেশের মানুষের মৌলিক চাহিদা যেন পূরণ হয়, তারা যেন পরাজিত না হয় দারিদ্র্যের কাছে। পরাজিত না হয় দেশ-বিদেশের ষড়যন্ত্রের কাছে। কিন্তু আজ সকলের কাছে স্পষ্ট-কী ভয়ঙ্কর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশের গরীব মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে পুরো বাংলাদেশ একটি কারাগার হয়ে আছে। মুক্তমনা লেখক, সাংবাদিক, জাতীয় ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী দিয়ে কারাগারগুলো পূর্ণ। নিরপরাধ এসব মানুষ এবং তাদের পরিবার-পরিজনের কাছে আমি সহমর্মিতা এবং দুঃখ প্রকাশ করছি। সশরীরে পাশে থাকতে না পারলেও আপনারা নিশ্চিত থাকুন সৃষ্টিকর্তার কৃপায় বেঁচে থাকা বঙ্গবন্ধুর কন্যা আপনাদের এবং সমগ্র দেশবাসীর মুক্তির জন্য জীবন উৎসর্গ করতে দ্বিধা করব না। আমাদের বিজয়ের মাহেন্দ্রক্ষণেই আসবে মানুষের সত্যিকারের ঈদের আনন্দ।
প্রিয় দেশবাসী,
বিগত দখলদার নাৎসি ইউনূস সরকারের ভুলনীতি ও মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে যুদ্ধের ফলে বিশ্বব্যাপী নানাবিধ সংকটে বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দাভাব চলছে। বাংলাদেশেও এ মন্দার প্রভাব দৃশ্যমান। ফলে সমাজের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পক্ষে স্বাভাবিক জীবনধারণ কঠিন হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায় আমি সমাজের স্বচ্ছল ও বিত্তবান মানুষের প্রতি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি, যাতে হাসি-খুশি ও ঈদের অনাবিল আনন্দে প্রতিটি মানুষের জীবন পূর্ণতায় ভরে উঠে।
আগামী দিনগুলো সত্য ও সুন্দর হোক।
আরেকবার, ঈদ মোবারক!
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
আঁধার কেটে ভোর হোক
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
