মোবারক হোসেন
আওয়ামী লীগ সরকার আগস্টের পূর্ব অবদি সারাদেশে হামসহ ইপিআই শিডিউলের সকল টিকা দান কর্মসূচি চালু রাখে। এই টিকা স্বাস্থকর্মীরা ঘরে ঘরে পৌছে দিতেন। যদি কোনো কারনে মিস হয় সেকারনে সরকার প্রতি চারবছরে একবার ক্যাম্পেইন করে আবার টিকা দানের ব্যবস্থা করতেন। যেকারনে বিশ্বের সফলতম টিকা দানকারী দেশ ছিলো বাংলাদেশ। শেখ হাসিনাকে ভ্যাক্সিন হিরো হিসেবে উপাধি দিয়েছিলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
ইউনুসের সময় হামসহ ইপিআইভুক্ত সকল টিকার কর্মসূচি নন ফাংশনাল হয়ে যায়। OP এবং সেক্টর প্রোগ্রাম অফ হয়ে যায়। এর পিছনে রয়েছে কয়েকটি কারন-
এক. ভারতের সাথে সম্পর্ক খারাপ করায়৷ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে টিকা আনার জটিলতা ছিলো যেহেতু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিজিওনাল হেডকোয়ার্টার দিল্লি হতে বাংলাদেশ সহ কয়েকটি দেশে কার্যক্রম চালায়।
দুই. টিকা দানকারী স্বাস্থ্য সহকারীদের দেশ জুড়ে একযোগে কর্মবিরতি যা ইউনুস সরকার সমাধান করতে পারে নি।
তিন. ইউনুসের কিছু চেলারা যেহেতু সবকিছুতে ধান্ধা করতে চেয়েছিলো,এখানেও সেইম। তাদের প্ল্যান ছিলো স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে না এনে প্রাইভেটলি কিছু টাকা মারার সুযোগ করা।
চার. যেহেতু সায়মা ওয়াজেদ পুতুল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিজিওনাল হেড ছিলো। সেক্ষেত্রে তাদের তাঁর সাথে যোগাযোগ করতে হতো। যেটা তাদের জন্য ইগোয়িস্টিক ব্যাপার ছিলো। তারা শেখ হাসিনার মেয়ের সাথে যোগাযোগ করবে না।
এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশী ব্যর্থতা ছিলো সচিব সাইদুর রহমানের। আর ইউনুসের অযোগ্য স্বাস্থ্য উপদেষ্টা তো আছেই।
যেকারনে আজকে এতগুলো শিশু মারা গেলো। স্বাস্থ্য উপদেষ্টা,সচিব ও ডিজির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় নেগলিজেন্সির জন্য মামলা হওয়া উচিত। বিচার হওয়া দরকার কারন তারা শিশু হত্যাকারী।
