রোকেয়া কালেকটিভ প্রতিবেদক
হত্যাকাণ্ডের দশবছর পর পুলিশ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনু হত্যাকাণ্ডের অন্যতম আসামি হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে।
সাবেক এই ওয়ারেন্ট অফিসারকে বাসা থেকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে হাজির করে পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন সাতদিনের রিমান্ড প্রার্থনা করে। আদালত তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
তনুর বাবা ইয়ার হোসেন রোকেয়া কালেকটিভকে বলেন, তিনি এখনও সন্তুষ্ট নন।
“১১ বছর পর একজন আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে। আরো আছে। সার্জেন্ট জাহিদ, জাহাঙ্গীর। আমার মেয়ের চুল কাটলে কে? মহিলা মানুষ ছাড়া সম্ভব না,” ইয়ার হোসেন রোকেয়া কালেকটিভকে বলেন।
এর আগে গত ৬ এপ্রিল পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত সন্দেহভাজন তিনজনের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দেন।
২০১৭ সালে সিআইডি তনুর পোশাক থেকে নেওয়া নমুনার ডিএনএ পরীক্ষা করে তিন জন পুরুষের শুক্রাণু পাওয়ার বিষয়টি জানিয়েছিল।
২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটা বাসায় পড়াতে গিয়ে আর ফেরেননি তনু। অনেক খোঁজাখুঁজির পর প্রথমে তনুর পায়ের একটি স্যান্ডেল দেখতে পেয়েছিলেন ইয়ার হোসেন। এরপর ই তাকে মৃত উদ্ধার করা হয় একটি ঝোপ থেকে।
তনু তার বাবা মায়ের একমাত্র কন্যা সন্তান, তার ভাইদের একমাত্র বোন। হত্যাকাণ্ডের পরদিন ই পরিবার থানায় মামলা করে। তবে এই মামলার অগ্রগতি ছিল না বললেই চলে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত একাধিক সংস্থার একাধিক তদন্ত কর্মকর্তা বদলেছে।
