ডঃ মুহাম্মদ ইউনুসের শাসনামলে এ দেশের সূর্য সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড তৈরির কারিগরদের যেভাবে অপমান করা হয়েছে তা অতি কলঙ্কিত ইতিহাসঃ রাশেদা কে চৌধুরী, সাবেক ইন্টেরিম সরকারের উপদেষ্টা।
তিনি বলেন জাতিকে এমন একটি কলঙ্কিত ইতিহাস রচনা করা দেখতে হবে এমনটি কখনো ভাবিনী। বাংলাদেশের মানুষ আশায় বুক ফুলিয়ে ছিল যে রাষ্ট্রের জন্য ভাল কিছু হতে যাচ্ছে কিন্তু তার কোন টাই হলো না, হয়েছে কলঙ্কিত ইতিহাস রচনা।
তখন আমরা ভয়ে কথা বলতে পারিনি, ভয়টা ছিল রাস্তা ঘাটে মব সৃষ্টি করে কোন দলের ট্যাগ লাগিয়ে না হয় জুতার মালা পরিয়ে দিবে।
অথবা আগুনে পুড়িয়ে দিবে অথবা লুটপাট করবে।
দেশের ইতিহাসে এটাই প্রথম কোন সরকার একটি রাষ্ট্র বিরোধী দল কে দিয়ে সারা দেশে মব সৃষ্টি করে শিক্ষকদের অপমান করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দিয়েছে, শিক্ষকদের দাবড়িয়েছে,এখনও সেই মববাজরা দিব্যি রাজনীতির মাঠে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন।
ভেবেছিলাম সরকার পরিবর্তন হলে হয়ত সেই সমস্ত মববাজদের সরকার শাস্তির আওতায় আনবে, শিক্ষকদের কর্মস্থলে ফিরিয়ে আনবেন কিন্তু তা আর হবে কিনা সন্দেহ।
অভিযোগ ছিল শিক্ষকরা একটি দলের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল, রাজনীতি তো সবাই করে, রাজনীতি তো মববাজদের দলও করে, তাহলে কি তাদের সমর্থনকারী শিক্ষকদের এখন মব করে সরিয়ে দেয়া হবে? এটা কি সম্ভব! না জাতি এমনটি আশা করে না।
কারন সবার অধিকার আছে ব্যক্তি স্বাধীনতা অনুযায়ী কাজ করা, দল করা, এটার উপর হস্তক্ষেপ করা অন্যায়।
ডঃ মুহাম্মদ ইউনুসের আমলে বাংলাদেশের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের গলায় জুতার মালা পরিয়ে ঘুরাতে দেখেছি, যা ছিল একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্য ঘোরতর লজ্জার, কেউ অপরাধ করলে তার বিচার হওয়া উচিত ছিল আইন অনুযায়ী কিন্তু তা না করে বাংলাদেশের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জুতার মালা পরিয়ে তারা দাম্ভিকতা দেখিয়ে দেশকে নিচু করে জয়ী হয়েছে, কারন ঐ গোষ্ঠী ৭১ এ পরাজিত হয়ে ২৪ শে জিততে চেয়েছে।
বীর মুক্তিযোদ্ধাদের গলায় জুতার মালা ছিল না, এটা ছিল বাংলাদেশের পতাকা ও মানচিত্রে জুতার মালা দেয়া। শকুনের চোখ পড়েছে বাংলাদেশের উপর।
বাংলাদেশের তরুন প্রজন্ম কে এগিয়ে আসা উচিৎ ছিল কিন্তু আমাদের সব তরুনরা পচে যায়নি, বেশির ভাগ তরুন স্বাধীনতাকে ধারন করে। তাদের উচিৎ প্রবীনদের পাশে থেকে রাষ্ট্রের ক্ষমতা বুঝে নেয়া।
নষ্ট ও মগজধোলাই তরুনরা পচে গেছে, তাদের দ্বারা সম্ভব না, রাষ্ট্র মেরামত করা, তাদের ভিতর অর্থের লোভ ঢুকে গেছে, এরা রাষ্ট্র কে মেরামত করতে পারবেন না।
মার্জিত রুচির চিন্তাশীল তরুনরা এদেশের হাল ধরলে দেশের এই করুন পরিনতি দেখতে হতো না।
আগামী তে এই শিক্ষক সমাজের হাত ধরে দেশের মানুষের কল্যানের জন্য এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতি রক্ষায় এবং তাদের সন্মান রক্ষায় আগামীতে তরুন ও প্রবীনের মিশ্রনে দেশ পরিচ্ছন্ন রাষ্ট্র কাঠামো গড়ে তুলবেন এমনটাই আশা ব্যক্ত করি।
