১৭ই মে বাঙালি জাতির গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন। দিশেহারা জাতির দিশা হয়ে এক অদম্য নাবিকের আবির্ভাবের দিন। এই দিনে দীর্ঘ নির্বাসন শেষ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা স্বদেশের মাটিতে প্রত্যাবর্তন করেন। তিনি গণমানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা রূপে আবির্ভূত হন। যেনো রুক্ষ মরুর প্রাণের সঞ্চার ঘটান। বাঙালির নিভু নিভু স্বপ্নের সলতেতে তেলের জোগান দেন। তাঁর ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের গণতন্ত্র, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও উন্নয়ন অভিযাত্রাকে নতুন গতি প্রদান করেছিল।
আগামী ১৭ই মে, রবিবার জননেত্রী শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ৪৬তম দিবসের প্রাক্কালে ধ্বংসপ্রাপ্ত বাংলাদেশ আরেকটি অবিস্মরণীয় ঘটনার অপেক্ষায়। শেখ হাসিনা বিহীন বাংলাদেশ যেনো নাবিক ছাড়া জাহাজ। জনগণের সকল অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হচ্ছে। তাই লক্ষ কোটি জনতার হাহাকারে ধ্বনিত হচ্ছে- ‘বুঝে গেছে জনগণ, শেখ হাসিনাই আপনজন।’ বাংলার জনগণ প্রত্যাশা রাখে সকল ষড়যন্ত্র, অশুভ অপতৎপরতা ও প্রতিকূলতাকে জয় করে দেশরত্ন শেখ হাসিনা আবারও বাংলার জনগণের মাঝে দেশের মাটিতে প্রত্যাবর্তন করবেন। ধ্বংসপ্রাপ্ত বাংলাদেশকে পুনরায় কল্যাণকামী রাষ্ট্র হিসেবে বিনির্মাণ করবেন।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, এ দেশের মাটি ও মানুষের সঙ্গে জননেত্রী শেখ হাসিনার সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। জনগণের আস্থা ও ভালোবাসার প্রতিদান এবং কালের অলঙ্ঘনীয় আবেদন মেটাতে শেখ হাসিনাই অবিকল্প রাজনৈতিক নেতৃত্ব। জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতেই দেশ ও দেশের মানুষের ভাগ্য নিরাপদ।
আমরা প্রত্যাশা রাখি, অতীতের ধারাবাহিকতায় স্বদেশের মাটিতে শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে কক্ষচ্যুত বাংলাদেশ সঠিক কক্ষপথে ফিরে আসবে, ইনশাল্লাহ।
জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক
