Close Menu

    সাবস্ক্রাইব

    সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।

    জনপ্রিয় সংবাদ

    “সলিমুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জমি দান করেছিলেন, মিথ্যা ও মিথ

    October 14, 2026

    অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে নেওয়া বিভাগীয় অ্যাকশান,অন্যায়

    October 14, 2026

    তুমি কে? আমি কে?: বাঙালি… বাঙালি…

    October 14, 2026
    Facebook Instagram WhatsApp TikTok
    Facebook Instagram YouTube TikTok
    JoyBangla – Your Gateway to Bangladesh
    Subscribe
    • হোম পেইজ
    • বিষয়
      • দেশ (Bangladesh)
      • আন্তজাতিক (International)
      • জাতীয় (National)
      • রাজনীতি (Politics)
      • অথনীতি (Economy)
      • খেলা (Sports)
      • বিনোদন (Entertainment)
      • লাইফ স্টাইল (Lifestyle)
      • শিক্ষাঙ্গন (Education)
      • টেক (Technology)
      • ধম (Religion)
      • পরবাস (Diaspora)
      • সাক্ষাৎকার (Interview)
      • শিল্প- সাহিত্য (Art & Culture)
      • সম্পাদকীয় (Editorial)
    • আমাদের সম্পর্কে
    • যোগাযোগ করুন
    JoyBangla – Your Gateway to Bangladesh
    Home » ৫ আগস্ট থেকে চলতি জুন: সংকট-অস্থিরতায় ৭ শিল্প এলাকায় ৪৫৭ কারখানার ৮৬% স্থায়ীভাবে বন্ধ
    Economics

    ৫ আগস্ট থেকে চলতি জুন: সংকট-অস্থিরতায় ৭ শিল্প এলাকায় ৪৫৭ কারখানার ৮৬% স্থায়ীভাবে বন্ধ

    JoyBangla EditorBy JoyBangla EditorJune 26, 2026No Comments6 Mins Read
    Facebook WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook WhatsApp Copy Link

    আর্থিক সংকটসহ বিভিন্ন কারণে স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে গাজীপুরের বোর্ডবাজার এলাকার ইউনিক ডিজাইনার্স অ্যান্ড ইউনিক ওয়াশিং লিমিটেড। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ২ হাজার ২০০ কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মহীন হয়ে পড়েছেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন ১ হাজার ৭০০ শ্রমিক।

    শিল্প পুলিশ জানিয়েছে, গত ১৬ই জুন থেকে কারখানাটির কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

    এদিকে মালিকপক্ষের সঙ্গে অনুষ্ঠিত ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে শ্রমিকদের বকেয়া বেতন, চাকরিসংক্রান্ত সুবিধাসহ সব আইনানুগ পাওনা আগামী ২৭শে জুলাইয়ের মধ্যে পরিশোধের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    শিল্পসংশ্লিষ্ট সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এ ধরনের ঘটনা বিচ্ছিন্ন নয়। ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে চলতি জুন পর্যন্ত শিল্প অধ্যুষিত ৭টি এলাকায় মোট ৪৫৭টি কারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে গেছে।

    শিল্প গোয়েন্দা ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৪৫৭টি কারখানার মধ্যে ২০৫টি বন্ধ হয়েছে পর্যাপ্ত ক্রয়াদেশের অভাবে এবং ১৯০টি বন্ধ হয়েছে মালিকের আর্থিক সংকটে।

    অর্থাৎ ৮৬.৪৩ শতাংশ কারখানা বন্ধের প্রধান কারণ পর্যাপ্ত কাজের অভাব ও মালিকের আর্থিক সংকট।

    এছাড়া শ্রমিক অসন্তোষের কারণে বন্ধ হয়েছে ১১টি কারখানা, আর রাজনৈতিক কারণ, ব্যাংক জটিলতা, গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট, কাঁচামালের অভাব ও ফ্যাক্টরি স্থানান্তরসহ অন্যান্য কারণে স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়েছে ৫১টি কারখানা।

    শিল্প পুলিশ সূত্র বলছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কারখানা বন্ধ করা হচ্ছে শ্রম আইন অনুযায়ী নোটিস দিয়ে। তবে সংকট তৈরি হচ্ছে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধে বিলম্বের কারণে।

    সূত্রটির ভাষ্য, নোটিস দিয়ে বন্ধের প্রক্রিয়া আইনগত হলেও অনেক ক্ষেত্রে বেতন, সার্ভিস বেনিফিটসহ অন্যান্য পাওনা সময়মতো পরিশোধ করা হয় না। এতে শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ প্রয়োজন হয়ে পড়ে।

    এছাড়া অনেক ক্ষেত্রে কারখানা বন্ধের বিষয়টি আগে থেকে অবহিত না করলে হঠাৎ শ্রমিক অসন্তোষ তৈরি হয়, যা পরিস্থিতি জটিল করে তোলে।

    ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি গাজী জসীম উদ্দিন বলেন, “অধিকাংশ কারখানাই শ্রম আইন অনুযায়ী নোটিস দিয়ে কার্যক্রম বন্ধ করছে। তবে মূল সমস্যা হলো শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধে বিলম্ব। অনেক কারখানা নোটিস দিয়ে বন্ধ করলেও শ্রমিকদের বেতন ও অন্যান্য পাওনা অনেক সময় ঠিকভাবে পরিশোধ করা হয় না। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কমিটমেন্ট রক্ষা না হলে শ্রমিক অসন্তোষ তৈরি হয়।”

    তিনি আরো বলেন, “আমরা মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করি। এটি আমাদের মূল দায়িত্ব না হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এটা করতে হয়। আগে থেকে তথ্য না থাকলে অনেক সময় পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে যায়।”

    দেশের শিল্পাঞ্চলগুলোতে মোট কারখানার সংখ্যা ১০ হাজার ২৩৮টি। এর মধ্যে আশুলিয়ায় ১ হাজার ৭০৫টি কারখানার মধ্যে বন্ধ হয়েছে ১২৪টি। গাজীপুরে ২ হাজার ৭৬৪টি কারখানার মধ্যে বন্ধ হয়েছে ১৫৫টি।

    চট্টগ্রামে ১ হাজার ৭৭৮টি কারখানার মধ্যে বন্ধ ১১৯টি। নারায়ণগঞ্জে ১ হাজার ৯৬০টি কারখানার মধ্যে বন্ধ ৩৮টি। ময়মনসিংহে ২৯৩টি কারখানার মধ্যে বন্ধ আটটি। খুলনায় ৬৭৩টি কারখানার মধ্যে বন্ধ ছয়টি।

    কুমিল্লায় ৩১৭টি কারখানার মধ্যে সাতটি কারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়েছে। তবে সিলেট অঞ্চলে স্থায়ীভাবে বন্ধ হওয়া কোনো কারখানার তথ্য পাওয়া যায়নি।

    প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মোট ৪৫৭টি বন্ধ কারখানার মধ্যে তৈরি পোশাক পণ্য প্রস্তুত ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর সদস্য ১০৮টি। এ খাতের আরেক সংগঠন বিকেএমইএর সদস্য কারখানার সংখ্যা ৩৫টি।

    তৈরি পোশাকের কাঁচামাল সুতা-কাপড় উৎপাদনকারীদের সংগঠন বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) সদস্য আটটি। বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেপজা) আওতাধীন বন্ধ কারখানা রয়েছে ১৯টি। কোনো সংগঠনের বাইরে থাকা কারখানার সংখ্যা ২৮৭টি। স্থায়ীভাবে বন্ধ ১৫১টি বা এক-তৃতীয়াংশের বেশি কারখানা তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতসংশ্লিষ্ট।

    পোশাক শিল্প খাতসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র বলছে, দীর্ঘমেয়াদের ক্রয়াদেশ সংকট এবং উৎপাদন ব্যয়ের চাপ অনেক কারখানার টিকে থাকার সক্ষমতা কমিয়ে দিয়েছে। বৈশ্বিক বাজারে অর্ডার প্রবাহে অনিশ্চয়তা, কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি এবং অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির কারণেও শিল্পে চাপ তৈরি হয়েছে।

    সরকার এরই মধ্যে বন্ধ কারখানা পুনরুজ্জীবিত করতে প্রণোদনার ঘোষণা দিয়েছে।

    বিজিএমইএ সূত্র অনুযায়ী, এরই মধ্যে ৩২২টি কারখানা এ প্রণোদনা পেতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে ১৯৯টি পুরোপুরি বন্ধ, বাকি ১২৩টি আংশিকভাবে বন্ধ। এসব কারখানার প্রণোদনা প্রাপ্তির যোগ্যতা যাচাই-বাছাই চলছে।

    বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, “কারখানা বন্ধের বিষয়টি একমাত্রিক নয়। বন্ধের কারণগুলোর ক্ষেত্রে ছোটখাটো ব্যত্যয় থাকলেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তথ্য সঠিক। সব কারখানা একসঙ্গে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এমন নয়। কিছু কারখানা সংকটে আছে, কিছু টিকে থাকার লড়াই করছে। প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তার মাধ্যমে কিছু কারখানা সচল রাখা সম্ভব। সে উদ্যোগও চলমান রয়েছে।”

    তৃতীয় পক্ষের অডিটের মাধ্যমে বন্ধ কারখানার প্রকৃত অবস্থা নির্ধারণের প্রক্রিয়া রয়েছে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, “কোন কারখানা চালু রাখা সম্ভব আর কোনটি সংকটে রয়েছে, সেটা নির্ধারণ করতে আমাদের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।”

    শিল্প খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, একাধিক চাপ একসঙ্গে তৈরি হওয়ায় অনেক কারখানা কার্যক্রম চালাতে পারছে না। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ, ব্যাংক খাতে ঋণ সংকোচন, জ্বালানি ঘাটতি এবং উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি শিল্পে বড় ধরনের চাপ তৈরি করেছে।

    এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতা। ফলে একদিকে অর্ডার কমছে, অন্যদিকে উৎপাদন ব্যয় বাড়ায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়ছে।

    বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, “এ সংকট একক কারণে হয়নি। এটি দীর্ঘমেয়াদি ও নানামুখী সমস্যার ফল। শুরুতে অর্ডার ঘাটতি ছিল, যা পরে ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল সংকটে রূপ নেয়। অনেক কারখানা এলসি খুলতে পারেনি, ফলে কাঁচামাল আমদানি ও উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে।”

    জ্বালানি সংকট, গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি এবং ব্যাংকিং চাপ শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমিয়ে দিয়েছে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, “বৈশ্বিক সংকট, কভিড মহামারীর অভিঘাত, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং মূল্যস্ফীতির প্রভাবও শিল্পে পড়েছে। এর সঙ্গে রয়েছে অতিসম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্য সংকট। সব মিলিয়ে কারখানা বন্ধের পেছনে বহুবিধ কারণ রয়েছে।”

    শিল্প খাতসংশ্লিষ্ট বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশের উৎপাদন খাতে যে উচ্চমাত্রার বন্ধ ও স্থবিরতা দেখা যাচ্ছে, তার পেছনে শুধু আর্থিক দুর্বলতা নয়, বরং বাজার চাহিদার সংকোচন, নীতিগত অনিশ্চয়তা এবং কাঠামোগত দুর্বলতাও সমানভাবে দায়ী।

    প্রকৃত বিপদগ্রস্ত কারখানাগুলোকে উৎপাদনে ফেরাতে সরকারের উদ্যোগও রয়েছে। কিন্তু ঢালাওভাবে সহায়তা না দিয়ে প্রকৃতভাবে টিকে থাকার সক্ষমতা আছে এমন শিল্পগুলোকে বাছাই করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নীতি সিদ্ধান্ত হওয়া উচিত।

    পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ড. এম মাসরুর রিয়াজ বলেন, “বিপদগ্রস্ত কারখানাগুলোকে সাহায্য করার বিষয়টি আমরা ইতিবাচক হিসেবেই দেখি। কারণ সামষ্টিক অর্থনীতি, কোভিড-পরবর্তী পরিস্থিতি, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনসহ বিভিন্ন কারণে গত তিন-চার বছরে দেশের অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানই দুর্দশাগ্রস্ত অবস্থায় পড়েছে।”

    এ অবস্থায় করণীয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, “নীতিগত সহায়তা পেলে অনেক প্রতিষ্ঠান আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারে। তবে ঢালাওভাবে বিবেচনা করা ঠিক হবে না। যেগুলো বহু বছর ধরে বন্ধ, তাদের ক্ষেত্রে স্বল্প সহায়তায় পুনরায় চালুর সম্ভাবনা কম। কারণ তাদের মেশিনারি ও অবকাঠামো অনেক ক্ষেত্রেই পুরোপুরি পুনর্গঠন ছাড়া চালু করা সম্ভব নয়। আবার এমন কারখানাও আছে যেগুলো সম্প্রতি বন্ধ হয়েছে, তাদের পুনরুদ্ধারের সুযোগ রয়েছে।”

    তিনি বলেন, “এ ক্ষেত্রে টার্গেটিং খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারা সত্যিকারের উপকারভোগী হবে, সেটা ঠিক করতে হবে। পাশাপাশি রাজনৈতিক কারণে বন্ধ হওয়া কারখানাগুলোর ক্ষেত্রেও বিবেচনা করতে হবে, বর্তমান পরিস্থিতিতে তারা আদৌ আবার ব্যবসায় ফিরতে পারবে কিনা।”

    যাদের সহায়তার জন্য বাছাই করা হবে, তাদের ক্ষেত্রে থার্ড পার্টি অডিট করা দরকার জানিয়ে তিনি আরো বলেন, “তাদের প্রকৃত অবস্থা কী, কেন বন্ধ হয়েছে, তা যাচাই করতে হবে। এরপর রিকভারি রোডম্যাপ তৈরি করে সেটি ভ্যালিডেট করার পরই সহায়তা দেয়া উচিত।”

    Share. Facebook WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদেশের নিজস্ব অর্থায়নের শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত: সংশয়ের পদ্মা সেতুতে চার বছরে আয় ৩৩৯২ কোটি টাকা
    Next Article মুক্তিযুদ্ধবিরোধীরা কেন মুক্তিযোদ্ধা সাজছে
    JoyBangla Editor

    Related Posts

    রূপালীক্যাশে অনলাইন পেমেন্টের সুযোগ, যুক্ত হলো ১৭ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠান

    October 14, 2026

    জুন শেষে বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক ঋণ ১১ হাজার ৪৯৮ কোটি ডলার, ৩ মাসেই বেড়েছে ৪১৯ কোটি ডলার

    October 13, 2026

    বাণিজ্য চুক্তি ও বিলিয়ন ডলারের ক্রয় সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় স্থান হারালো বাংলাদেশ

    October 8, 2026

    চব্বিশ থেকে ২৬: দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে ৬ কোটি ২০ লাখ মানুষ, প্রবৃদ্ধি ৩.৪ শতাংশে স্থবির থাকার আশঙ্কা – বিশ্বব্যাংক

    October 7, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    সম্পাদকের পছন্দ

    “সলিমুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জমি দান করেছিলেন, মিথ্যা ও মিথ

    October 14, 2026

    “বাঙালির সাহসের নাম বঙ্গবন্ধু”

    October 14, 2026

    রোটনের জানাজার নামাজে বাধা দেয়ায় আওয়ামী লীগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

    October 12, 2026

    রোটনের জানাজায় বিএনপির মব হামলায় রক্তাক্ত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা

    October 12, 2026
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • TikTok
    মিস করবেন না
    Education [ শিক্ষা ]

    “সলিমুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জমি দান করেছিলেন, মিথ্যা ও মিথ

    By JoyBangla EditorOctober 14, 20260

    🖋️ সুষুপ্ত পাঠক “ঢাকার নবাব সলিমুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জমি দান করেছিলেন, সেখানেই বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি…

    অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে নেওয়া বিভাগীয় অ্যাকশান,অন্যায়

    October 14, 2026

    তুমি কে? আমি কে?: বাঙালি… বাঙালি…

    October 14, 2026

    “বাঙালির সাহসের নাম বঙ্গবন্ধু”

    October 14, 2026

    সাবস্ক্রাইব

    সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।

    About Us
    About Us

    মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ ও লালন করে দেশ ও বিদেশের খবর পাঠকের কাছে দুত পৌছে দিতে জয় বাংলা অঙ্গিকার বদ্ধ। তাৎক্ষণিক সংবাদ শিরোনাম ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পেতে জয় বাংলা অনলাইন এর সঙ্গে থাকুন পতিদিন।

    Email Us: info@joybangla.co.uk

    Our Picks

    “সলিমুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জমি দান করেছিলেন, মিথ্যা ও মিথ

    October 14, 2026

    “বাঙালির সাহসের নাম বঙ্গবন্ধু”

    October 14, 2026

    রোটনের জানাজার নামাজে বাধা দেয়ায় আওয়ামী লীগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

    October 12, 2026

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.