অর্ডার কমছে, দাম কমছে, ক্রেতারা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। এর কারণ শুধু বৈশ্বিক মন্দা না, কারণ ঢাকায় বসে থাকা প্রশাসনের অক্ষমতা। বিএনপি-জামাত ক্ষমতায় বসেই গ্যাস, বিদ্যুৎ, ব্যাংকিং আর বন্দরের যে ত্রাস সৃষ্টি করেছে তাতে কারখানা টিকবে কী করে! লিড টাইম রাখা যাচ্ছে না, কস্ট অব ডুয়িং বিজনেস আকাশছোঁয়া, নিরাপত্তাহীনতায় কিনে নেওয়া হচ্ছে না নতুন মেশিন। ইইউতে ভিয়েতনাম আর ইন্দোনেশিয়া যে সুবিধা নিচ্ছে সেটা কি চোখে পড়ে না এই অথর্ব তথাকথিত সরকারের?
১৬ শতাংশের পতন মানে লাখ লাখ শ্রমিকের বোনাস নেই, ওভারটাইম নেই, পরের দিনের খাবার নেই। জুনে সামান্য উত্থান দেখে সরকার হয়তো বাঁচোয়া গান ধরবে, কিন্তু এক মাসের সংখ্যা ছয় মাসের রক্তক্ষরণ ঢাকতে পারে না। যে দল ২০০১-০৬ সালে তৈরি পোশাক খাতকে রাজনৈতিক চাঁদাবাজির দুধেল গাই বানিয়ে ছেড়েছিল, তারা আবার সেই খাতের গলায় ছুরি ধরেছে। এখনকার নীরবতাই তার প্রমাণ।
