সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠন যুবলীগ ও ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে চলমান বিচারিক কার্যক্রম ও রায়কে ‘অবৈধ ক্যাঙ্গারু কোর্টের প্রহসন’ আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। একইসঙ্গে দেশের বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর (রবিবার) ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচি সফল করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি রাজনৈতিক প্রচারপত্রে এসব দাবি জানানো হয়। প্রচারপত্রে অভিযোগ করা হয়, দেশ আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট চরম আকার ধারণ করেছে, যার ফলে কলকারখানা বন্ধ রয়েছে এবং দেশ অন্ধকারে নিপতিত হয়েছে। এতে আরও বলা হয়, লক্ষ লক্ষ শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছে এবং সাধারণ মানুষের পেটে ভাত নেই।
এছাড়াও দেশজুড়ে মবসন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, নারী ও শিশু নির্যাতন, শিশু গুম ও পাচার এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে বলে দাবি করা হয়। কৃষকরা ক্ষেতে না থেকে সারের দাবিতে রাজপথে নেমেছেন এবং দেশে দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
পাশাপাশি ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন, লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন বিনষ্ট এবং হাজার হাজার শিক্ষার্থীর সনদ বাতিলের অভিযোগও তোলা হয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করা হয়েছে এবং মানুষের কথা বলার অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং রবীন্দ্র-নজরুল-লালনের মতো জাতীয় ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের অবমূল্যায়ন করা হচ্ছে।
এছাড়া শত শত পুলিশ ও হাজার হাজার ছাত্র-জনতা হত্যার অভিযোগ তুলে প্রচারপত্রে বলা হয়, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব আজ বিদেশি শক্তির হাতে জিম্মি।
এমন পরিস্থিতিতে দেশ ও মানুষকে বাঁচাতে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর, রবিবার ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচি সফল করার জন্য সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
