গরুর গোশত দিয়ে খিচুড়ি খেতে চেয়েছিল ছোট্ট এই মেয়েটি। মায়ের কথা মতো নানীর বাড়ি গিয়েছিলো ফ্রিজে থাকা গরুর গোশত নিতে। নানী তাকে প্যাকেটটি হাতে দিলে মনের আনন্দে রাস্তা দিয়ে বাড়ির দিকে যাচ্ছিলো।
নানীর ঘর থেকে মাংসের প্যাকেট হাতে নিয়ে বাড়ি ফেরা ৭ বছরের শিশুটির নিথর দেহ মিলল ঝোপের আড়ালে!—আর কত শিশুর laশের পাহাড় জমলে এই পচে যাওয়া রাষ্ট্রের টনক নড়বে?😡
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অবুঝ শিশু মিমের মর্মান্তিক পরিণতি কেবল একটি hoত্যা নয়—এটি আমাদের আইন-শৃঙ্খলা ও সামাজিক নিরাপত্তার চরম দেউলিয়াত্ব!
গরুর মাংস দিয়ে খিচুড়ি খাওয়ার আবদার করা ৭ বছরের একটা নিষ্পাপ বাচ্চা দিনের আলোয় নিজের মহল্লার রাস্তায় নিরাপদে হেঁটে বাড়ি ফিরতে পারবে না—এমন নরকতুল্য সমাজে আমরা বাস করছি!
নিখোঁজের ৩ দিন পর ঝোপের মধ্যে মিমের নিথর দেহ পাওয়ার এই পৈশাচিক ঘটনা প্রমাণ করে যে, শিশুদের সুরক্ষায় আমাদের রাষ্ট্র ও সমাজ ব্যবস্থা পুরোপুরি ব্যর্থ।
কোনো অজুহাত বা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা এবার কাজ করবে না! মিমকে যারা এত নির্মমভাবে hoত্যা করেছে, সেই পশুগুলোকে চিহ্নিত করে অনতিবিলম্বে ফাস্ট-ট্র্যাক ট্রাইব্যুনালে প্রকাশ্যে দৃষ্টান্তমূলক ফাঁসি দিতে হবে।
অবুঝ বাচ্চাদের লাশের ওপর দাঁড়িয়ে চুপ করে থাকার দিন শেষ! এখনই যদি সোচ্চার না হন তাহলে কালকে আরেক মিমের ঘটনা ঘটবে।
