সোমবার, ২৮ অক্টোবর বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে রাজধানীর বাংলাবাজারে ইউপিএলের বিক্রয়কেন্দ্রে জাতির পিতার ঐতিহাসিক **‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’** বই বিক্রিকে কেন্দ্র করে এক ন্যাক্কারজনক তাণ্ডব চালানো হয়। কোনো আইনি নোটিশ বা আদালতের নির্দেশ ছাড়াই মব সৃষ্টি করে বিক্রয়কেন্দ্রে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয় এবং দুই কর্মীকে ধরে নিয়ে ফরিদাবাদ পুলিশ ফাঁড়িতে আটকে হেনস্তা করা হয়। পুলিশের ‘বই বিক্রি না করার শর্তে’ কর্মীদের ছেড়ে দেওয়ার এ ঘটনা স্বাধীন প্রকাশনা ও আইনের শাসনের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
▪️অবৈধ বিএনপি সরকারের সরাসরি ইন্ধন ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসা
* এই সমস্ত অপতৎপরতা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং এটি অবৈধ বিএনপি সরকারের সরাসরি নির্দেশনা ও ইন্ধনেই পরিচালিত হচ্ছে। রাজনৈতিক হীনস্বার্থ চরিতার্থ করতে এবং ইতিহাস থেকে জাতির পিতার নাম চিরতরে মুছে ফেলার রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই আজ মব সৃষ্টি করে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হচ্ছে।
* একটি জাতিকে ধ্বংস করতে হলে প্রথমে তার ইতিহাসকে মুছে ফেলতে হয়—স্বাধীনতাবিরোধী ও উগ্র ধর্মান্ধ শক্তি বিএনপি সরকারের প্রত্যক্ষ মদদে ঠিক এই একই কায়দায় আজ জাতির পিতার অমর কীর্তিগুলোকে টার্গেট করেছে। ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ কোনো সাধারণ রাজনৈতিক বই নয়; এটি ইতিহাসের এক অমূল্য দলিল, যা থেকে নতুন প্রজন্ম জাতির প্রকৃত সংগ্রামের ইতিহাস জানতে পারে।
* আজকের এই সংকটকালে প্রশ্ন জাগে—একটি রাষ্ট্রে কার বলে এবং কার ইন্ধনে একটি বই বিক্রির অপরাধে প্রকাশনা সংস্থায় তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়? কোন আইনের বলে পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে গিয়ে বই না ছাপানোর শর্ত বা মুচলেকা নেওয়া হয়? এসব ঘটনা স্পষ্ট করে দেয় যে, বর্তমান অবৈধ সরকারের রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্যই দেশে এই বিশৃঙ্খলা তৈরি করা হয়েছে।
ইতিহাসকে কখনো অস্বীকার করা যায় না, কিংবা জোর করে থামিয়ে রাখা যায় না। জাতির পিতার আদর্শ ও তাঁর আত্মজীবনী প্রতিটি বাঙালির হৃদয়ে প্রোথিত রয়েছে।
অবৈধ বিএনপি সরকারের ইন্ধনে ইউপিএলের বিক্রয়কেন্দ্রে হামলা ও বাকস্বাধীনতার টুঁটি চেপে ধরার তীব্র নিন্দা জানায় জনগন।
বিএনপি-জামাত চক্রের এই ষড়যন্ত্র, মুক্তবুদ্ধি চর্চা ও বাকস্বাধীনতাকে হরণ করার এই ধরনের ঘৃণ্য অপচেষ্টা মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে বিশ্বাসী জনগণ রুখে দেবেই।
