রাজনৈতিক দেউলিয়াপনা ও প্রতিশোধের রাজনীতিতেই ভরসা বিএনপির! রাজপথের দুঃসাহসী নেতাদের ভয় পেয়ে নামাজরত অবস্থায় গ্রেফতার থেকে শুরু করে বিনা মামলায় অন্যায় গণগ্রেপ্তারের মাধ্যমে এক পৈশাচিক আতঙ্ক তৈরি করা হচ্ছে। ভুয়া মামলা আর পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহার করে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের অগ্রসৈনিকদের বন্দি রাখা যাবে না ।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই জঘন্য ও নীতিহীন কর্মকাণ্ড অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রতিটি মামলা দ্রুত খারিজ করতে হবে এবং অন্যায়ভাবে আটককৃত রাজপথের প্রতিটি আন্দোলনকারী নেতাকর্মীকে অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে!
বিএনপির বেআইনি গণগ্রেপ্তার ও রাজনৈতিক হয়রানির শিকার নেতাকর্মীদের তালিকা:
✦ আবুল কালাম আজাদ হাওলাদার — তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ (সাবেক জনপ্রিয় ছাত্রনেতা)।
✦ সাইতুল ইসলাম লিটু মৃধা — সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক, বামনা উপজেলা আওয়ামী লীগ এবং বারবার নির্বাচিত সাবেক চেয়ারম্যান, বামনা উপজেলা পরিষদ, বরগুনা। (স্ত্রী হারানোর শোকে বিহ্বল থাকা সত্ত্বেও মাগরিবের নামাজরত অবস্থায় বেআইনিভাবে গ্রেপ্তার)।
✦ মোতাহার হোসেন সুফল — সহ-সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, ঢাকা মহানগর উত্তর।
কাউন্সিলর ও মহিলা বিষয়ক সম্পাদক — দুর্গাপুর পৌরসভা এবং দুর্গাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ (বিনা মামলায় ভোররাতে বাড়ি থেকে গ্রেফতার)।
✦ মনিরুল বিশ্বাস — সাধারণ সম্পাদক, মাগুরা জেলা/সদর মৎস্যজীবী লীগ (মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার)।
✦ আহমদ আলী পোদ্দার রতন — সাধারণ সম্পাদক, ফুলবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগ, কুড়িগ্রাম।
✦ সম্রাট — কনিষ্ঠ পুত্র, আব্দুল মোতালেব টিপু ভূঁইয়া (সাবেক মেম্বার, ৮নং ওয়ার্ড, ২নং রাজাপুর ইউনিয়ন, দাগনভূঞা, ফেনী) (মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার)।
✦ রাজেশ সরকার — সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ডেমরা থানা আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ (ডিবি পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার এবং যাত্রাবাড়ী থানায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সন্ত্রাসী বিরোধী আইনে মামলা দেওয়া হয়।
