তৃণমূল থেকে কেন্দ্র—সারাদেশজুড়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের রাজপথের লড়াকু সৈনিকদের রাজনৈতিকভাবে দমন করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বর্তমান অশুভ চক্র। কুড়িগ্রাম, গাজীপুর, বরিশাল, নেত্রকোনা ও রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একের পর এক মিথ্যা মামলা সাজিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক জনপ্রতিনিধি ও প্রবীণ নেতাদের বেআইনিভাবে গ্রেপ্তার করছে এই অপশাসন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে রাজনৈতিক হাতিয়ার বানিয়ে, ভুয়া ও প্রহসনমূলক মামলা ঠুকে দিয়ে রাজপথকে বিরোধীদল শূন্য করার এই অপচেষ্টা মূলত বিএনপির চরম ভয় ও দেউলিয়াত্বেরই বহির্প্রকাশ।
কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী, গ্রেপ্তার, জেল কিংবা নির্যাতনের ভয় দেখিয়ে আওয়ামী লীগের আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সৈনিকদের কণ্ঠ কখনো স্তব্ধ করা যায়নি, যাবেও না!
অবৈধ মামলা ও অন্যায্য গ্রেপ্তারের শিকার নেতাদের তালিকা:
✦আহম্মদ আলী পোদ্দার রতন — সাধারণ সম্পাদক, ফুলবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগ, কুড়িগ্রাম। (নিজ বাসা থেকে অবৈধভাবে গ্রেপ্তার)
✦আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত — বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক, আগৈলঝাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ; সদস্য, বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগ।
✦বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মনসুর আহমেদ খান — সাবেক সভাপতি, ২৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ, বরিশাল মহানগর।
✦নুরুন্নবী ভোলা — সাবেক তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক, বাংলাদেশ কৃষক লীগ; সদস্য, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক উপ-কমিটি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। (সলিমুল্লাহ রোড, মোহাম্মদপুর থেকে গ্রেপ্তার)
✦নাজিম উদ্দীন — যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, কলমাকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগ, নেত্রকোনা। (প্রহসনমূলক মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার)
✦জাহাঙ্গীর আলম শেখ — সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, গাজীপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ এবং সাধারণ সম্পাদক, শ্রীপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ।
✦আউয়াল মোল্লা — সাবেক কাউন্সিলর, ১ নং ওয়ার্ড, বরিশাল মহানগর।
✦আলাউদ্দিন — সাধারণ সম্পাদক, ৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ, রাজাবাড়ী ইউনিয়ন, শ্রীপুর, গাজীপুর। (মিথ্যা মামলায় জেলহাজতে প্রেরণ)
✦মোঃ জসিমউদ্দিন বাপ্পি — নেতা, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, বরিশাল মহানগর।
✦মেহেদী হাসান ইমন — যুগ্ম আহ্বায়ক, ১৮ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগ, বরিশাল মহানগর।
