কমছেই না আটা-ময়দা ও পোলাওয়ের চালের দাম, উল্টো পণ্যভেদে মূল্যবৃদ্ধি ১০-২০ টাকা। যে পোলাওয়ের চাল কিছুদিন আগে ছিলো ১২০ টাকা কেজি, সে পণ্য আজ এক লাফে দ্বিগুণ দামে বিক্রি হয়।
সবজির বাজারেও যেন আগুন লাগিয়ে দিয়েছে সিন্ডিকেট, ৭০-৮০টাকার কমে পাওয়া যায় না কোন সবজি। বাজারে সবুজ সবজির সমারোহ কিন্তু ক্রেতাদের কেনার সামর্থ্য নেই।
নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধির পেছনে যে অজুহাত দেখানো হয়, তা হলো জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি। অথচ জ্বালানির দাম দক্ষিণ এশিয়ার বাজারে বাংলাদেশেই বেশি। দেশে প্রতি কেজি এলপিজির নির্ধারিত দাম ১৫৩ টাকা হলেও ভারতের কলকাতায় তা ৮৭ টাকা। এমনকি পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও নেপালেও এলপিজির নির্ধারিত দাম বাংলাদেশের চেয়ে কম। এছাড়াও কৃত্রিমভাবে বাজারে পণ্যের সরবরাহ কমিয়ে দিয়ে সংকট তৈরি করে পরবর্তীতে সরকারের আপোষেই বাজার পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির পায়তারা চলছে প্রতিনিয়ত।
জনগণ বলছে নিত্যপণ্যের দাম সরকার চাইলেই নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে। কিন্তু বিএনপির ১৭ বছরের লুটের স্বাদ যেন থামছেই না। এভাবেই দেশের মানুষকে জিম্মি করে হুমকির মুখে জনগণের খাদ্য নিশ্চয়তা।
