মব হামলায় সাতক্ষীরার শামীমের হত্যাকান্ডের সাথে জামায়াতের সংশ্লিষ্টতা প্রমাণ মিলেছে। আবার রাড্ডা সেবাকেন্দ্র সহ নানা জায়গায় জমি দখলের উদ্দেশ্যে মব হামলায় বিএনপির সাংসদ সহ সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের সংশ্লিষ্টতা ছিলো। আর আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) বলছে সারাদেশে মব হামলায় এ বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রাণহানি হয়েছে ১৭১ জনের, যা ২০২৪ সালে ছিলো ১২৮ জন, আর গতবছর ছিলো ১৯৮ জন।
ইউনূস গং মব কালচারকে বাংলাদেশে প্রাতিষ্ঠানিক রুপ দিয়ে গেছে, স্বৈরাচার বিএনপির আমলে এখনো মব লাগামহীন। অথচ, সরকারের নির্লজ্জ দাবি, শতকরা ৪০ ভাগ মব কমেছে এ সরকারের আমলে। মানবাধিকার কর্মীদের দাবি, একদিকে ধর্মের দোহাই দিয়ে তৌহিদি জনতার ব্যানারে মব করে সংখ্যালঘুদের হত্যাযজ্ঞে লীড দিচ্ছে জামায়াতে ইসলামী। আরেকদিকে দখল-সন্ত্রাস ও চাঁদা অনাদায়ে মব করে মানুষ হত্যা ও হামলার নেতৃত্ব দিচ্ছে বিএনপি নেতাকর্মীরা।
হামলার সংশ্লিষ্টতা স্বীকার করা তো দূরের কথা মবকারীদের বিরুদ্ধে সঠিক আইনানুক বিচার করছে না রাষ্ট্র, এমনি গুরুতর অভিযোগ মানবাধিকার সংস্থার। বাংলাদেশ আজ দখলদারদের হাতে জিম্মি, মবকে বিএনপি-জামায়াত নিজেদের রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। এই দুঃশাসন থেকে দেশকে উদ্ধার করতে দরকার অপরাধীদের রুখে দেওয়ার দৃঢ় সংকল্প এবং জনগণের সম্মিলিত ঐক্য।
