টঙ্গীর আউচপাড়া এলাকার ‘করিউল কোরআন ইন্টারন্যাশনাল মডেল মাদ্রারাসা’য় ৬ বছরের একটি শিশু মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল দ্বারা হেনস্তার শিকার হয়। তারপর থেকে সে মাদ্রাসায় যেতে অস্বীকৃতি জানায়। জিজ্ঞাসাবাদের পর পরিবারের লোকজন জানতে পারে, ঐ মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মেয়েটির সাথে এমনকিছু আচরণ করেন যা সে পছন্দ করছিল না। এবং মেয়েটিকে ঐ শিক্ষক হুম/কি পর্যন্ত দেয় যে, সে যদি বাড়িতে গিয়ে কাউকে বলে তাহলে তাকে মে/ রে ফেলা হবে। মেয়েটি তাতে ঘাবড়ে যায়। পরে সে তার পরিবারকে জানায়।🙂
ঘটনার ২/ ৩ পর মেয়েটির বাবা সব জানতে পেরে মাদ্রাসায় আসেন এবং ঐ শিক্ষককে জিজ্ঞেস করেন। শিক্ষক স্বীকার করার পর মেয়েটির বাবা তাকে সজোরে থা/ প্পড় দেন। এলাকাবাসীও জড়ো হয়ে ঘটনা শুনে পুলিশ ডাকে। এবং তাকে থানায় নিয়ে যায়।
সাধারণত আমরা বাচ্চাদের কথা গুরুত্ব দিয়ে শুনি না। মনে করি, ওরা বানিয়ে বলছে। অথবা ভেবে নিই বিষয়টি এমন ছিল না। এই বাবা তেমনটা করেননি। ৬ বছরের শিশু একদম কিছু বোঝে না — এটা ঠিক নয়। অন্তত গুড টাচ / ব্যাড টাচতো বোঝে। এই বয়সী শিশুর সাথে এমন কাজ করার সময়ে ভয় পায়নি। তাহলে আরো ছোটো বাচ্চাদের সাথে কি করে — এটা ভেবেই অন্তরাত্মা কেঁপে ওঠে। আজকাল ছেলে / মেয়ে বলে কিছু নেই। প্রতিটি শিশুর নিরাপত্তা দরকার। 🙂
অভিভাবকদের এই ঘটনা থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত। সন্তান যদি বিদ্যালয়ে না যেতে চায়,তাহলে জোরাজোরি করার চেয়ে আসল কারন অনুসন্ধান করুন। এবং যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নিন।
★ আর হ্যাঁ প্রয়োজনে জিম করতে পারেন। যেন ঠাঁ/টিয়ে এক চ/ ড় মারা যায়। মেয়েটির বাবার জিম করা এতোদিনে কাজে লেগেছে।
