৭ই নভেম্বর। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের ২ নম্বর সেক্টরের অধিনায়ক, সাহসিকতার প্রতীক ‘কে-ফোর্স’-এর সর্বাধিনায়ক এবং বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা সিপাহসালার খালেদ মোশাররফের শাহাদাতবার্ষিকী।
১৯৭১ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে তিনি মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য নিজের জীবন বাজি রেখে যুদ্ধক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে দেশগঠন ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে সুসংগঠিত করতে তাঁর অবদান বাঙালি জাতি চিরকাল গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে।
১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টে জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার পর যখন দেশে বিশৃঙ্খলা ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করা হয়েছিল, তখন তিনি সেনাবাহিনীর শৃঙ্খলারক্ষা ও স্বাধীনতাবিরোধী চক্রান্তকারীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিলেন। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর এক কলঙ্কজনক পাল্টা চক্রান্ত ও পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়ে এই মহান দেশপ্রেমিক বীর সন্তান শাহাদাত বরণ করেন।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বীর উত্তম খালেদ মোশাররফের রুহের মাগফিরাত কামনা করছে এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছে। জাতির এই মহান বীরের আত্মত্যাগ আমাদের হৃদয়ে চিরকাল অম্লান হয়ে থাকবে।
সংগ্রামের ঐতিহ্যে ভাস্বর— বীর উত্তম খালেদ মোশাররফ অমর হোক।
— বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
